গতকালকে পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৩৩৬ জন করোনা রুগী।


trt14Sp ogtMnnafsyoredm 
গতকালকে পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৩৩৬ জন করোনা রুগী।
এই লোকগুলো কোথায় ?
এই লোকগুলো এখন মূল্যবান, কারণ তাদের শরীর বহন করছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি সমৃদ্ধ রক্ত।
এই রক্তের প্ল্যাজমা দিয়ে খুব ক্রিটিকাল রোগীদের দিলে তাদের জীবন বাচানো সম্ভব, যাকে বলছে প্লাজমা থেরাপি।
কিন্তু সুস্থ রোগী বাড়লেও এই কাজটা এখন তেমন করতে দেখতেছি না। এবং মিডিয়াও সেটা প্রমোট করে না।
এর কারণ প্ল্যাজমা থেরাপী হচ্ছে এন্টি ভাইরাল ড্রাগ এবং ভ্যাকসিন কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়ীক প্রতিদ্বন্দ্বী। প্ল্যাজমা থেরাপী দিয়ে যদি মানুষ সুস্থ হতে থাকে, তাহলে মানুষ ৬০ হাজার খরচ করে রেমডিসিভির কিনবে না, বাস্তবে যার কোন কার্যকরীতাই নেই, বরং আছে অনেক সাইডইফেক্ট। অথচ প্লাজমা থেরাপি নিয়ে মৃত্যুপথ যাত্রীদেরও সুস্থ করা হয়েছে বিভিন্ন দেশে।
লক্ষ্য করবেন-
বিলগেটসের টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন বানানোর জন্য বাংলাদেশে করোনার জিনোম উন্মোচন নিয়ে অনেক হৈ চৈ হয়, কোন ওষুধ কোম্পানি কার আগে রেমডিসিভির বা ফেবিপিরা বানাবে সেটা নিয়ে প্রতিযোগীতা হয়। কিন্তু সব হাসপাতালে কেন দ্রুত প্লাজমা থেরাপী চালু হচ্ছে না, কিংবা সেই রক্ত কিভাবে ম্যানেজ করে দেয়া যায়, সেটা নিয়ে কিন্তু কোন আলোচনাই হচ্ছে না।
আমি মার্কিন মিডিয়ায় দেখেছি, কোভিড-১৯ আক্রান্তরা ব্যক্তিগতভাবে তার রক্তের গ্রুপ মিলিয়ে সুস্থ রোগীর রক্ত খুজছে। আমার মনে হয়, বাংলাদেশেও পেপারে/সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে- “আমার ওমুক রক্তের প্রুপের সুস্থ রোগীর রক্ত প্রয়োজন” খূজতে পারেন অনেকে। কিছু কিছু বেসরকারী হাসপাতালে আমি শুনেছি প্লাজমা থেরাপীর কাজ শুরু হয়েছে। আমার কাছে বিষয়টি খুব জটিল কোন প্রসেস মনে হয় না, বরং সাধারণ ব্লাড ডোনেশন ও রিসিভের মতই মনে হয়, যা হরহামেশা বাংলাদেশে হচ্ছে। যে বিষয়টি ১০০ বছর আগে থেকে চলছে, এর মধ্যে খুব বেশি প্রযুক্তি লুকিয়ে আছে বলে মনে হয় না। একজনের রক্তে যদি পর্যাপ্ত এন্টিবডি না থাকে, তবে কয়েকজনের রক্ত থেকে প্লাজমা নিতে পারে অসুস্থরা।
অনেকেই আছে, যারা করোনা নিয়ে সচেতনতা প্রচারে আগ্রহী,
আমি তাদের বলবো- আপনারা প্ল্যাজমা থেরাপীকে বেশি করে প্রমোট করুন, প্রতি হাসপাতালে এর ব্যবস্থা চালুর দাবী তুলুন
এবং প্রয়োজনে রোগীর জন্য রক্তের গ্রুপ অনুসারে সুস্থ রোগীর রক্ত খুজে দিন।
করোনার ক্রিটিক্যাল রোগীদের যদি চিকিৎসা বের হয়ে যায়, তবে এই রোগ নিয়ে তো কোন ভয়ই থাকতে পারে না।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন, এই প্ল্যাজমা থেরাপী নিয়ে অনেক হোমরা চোমারাই আপনাকে উৎসাহ দিবে না।
কারণ প্ল্যাজমা থেরাপী হলো এন্টি ভাইরাল ড্রাগ ও ভ্যাকসিন কোম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বী।
তাই ওষুধ ও ভ্যাকসিন কোম্পানির মুখোশ পরা দালালরা নানান উপায়ে আপনাকে বাধাগ্রস্ত ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে এটা নিশ্চিত।
করোনার গুজব নিরসন আপডেট (১)


1tSnpons3o SMordeaeredcy 
করোনার গুজব নিরসন আপডেট (১)
১) ‘৮ই মার্চ থেকে দেশে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৯২৯ জনের মৃত্যু’ (সূত্র: বাংলাট্রিবিউন: মে ১২, ২০২০)
উত্তর-
উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু !
জ্বর-ঠাণ্ডা-কাশী কি দুনিয়ায় খালি করোনারই আছে ?
এই উপসর্গ কি আর কারো নাই ?
করোনার উপসর্গ আর নিউমোনিয়ার উপসর্গ তো এক।
নিউমোনিয়ায় প্রতি ঘণ্টায় ১ জন করে মারা যায় বাংলাদেশে।
তাহলে ২৪ ঘন্টায় ২৪ জন।
আর ৬২ দিনে মারা গেছে ১৫০০ জন।
তাহলে ১৫০০ জনকে করোনা নামে চালায় দেয়া যাবে,
কারণ উপসর্গ তো এক।
কলাবিজ্ঞানীরা যে কবে বিজ্ঞান শিখবে !
২) হার্ড ইমিউনিটির প্রস্তাব বাতিল করলো সিঙ্গাপুর
(সূত্র: বণিক বার্তা অনলাইন, মে ১৩, ২০২০)
উত্তর: আসলে হার্ড ইম্যুনিটি কেউ তৈরী করতে পারে না, প্রাকৃতিকভাবেই তৈরী হয়। তাই সেটা যদি হয়ও, কেউ আটকে রাখতে পারবে না। তবে কেউ বলতে পারে, আমি টেস্ট, আইসোলেশন ট্রেস করে করোনাকে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করবো, কিন্তু বাস্তবে সেটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে।
খবরে বর্ণিত সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা মাত্র ৫০ লক্ষ এবং তাদের অর্থনীতিও শক্তিশালী। তাই তাদের পক্ষে সব বন্ধ করে টেস্ট, আইসোলেশন, ট্রেস চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। তারপরও তারা পুরোপুরি লকডাউন করেনি। আংশিক লকডাউন করে অর্থনীতি সচল রেখেছে।
কিন্তু বাংলাদেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি এবং অর্থণীতি দুর্বল। অনেক মানুষ দিনে আনে দিনে খায়। এখানে টেস্ট, ট্রেস আইসোলেশ করার অজুহাতে সব বন্ধ করে রাখা বিরাট জনগোষ্ঠীকে মেরে ফেলা দেয়া ছারা কিছু নয়।
৩) ইবনে সিনার একজন ডাক্তার আজকে মারা গেছে। তাগড়া ডাক্তররা তারমানে করোনায় মারা যায়। এ সম্পর্কে আপনি কি বলেন ? (কমেন্ট)
উত্তর-
“তাগড়া !
কথা কি জেনে বলেন, নাকি না জেনে বলেন ?
ঐ লোকের নাম ডা.মেজর অব. আবুল মোকারিম।
সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত সিভিলে চাকুরী করতেছেন।
ঐ লোককে আপনার কাছে তাগড়া মনে হয় ?
আর তাছাড়া তিনি অন্য কোন সমস্যা ভুগছিলেন কি না, সেটা সম্পূর্ণ বলা হয়নি।”
৪) একজন সেনা সদস্যও করোনায় মারা গেছে। সেনা সদস্যরা সুঠাম দেহের অধিকারী এবং সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করেন। তাদের ইমিউনিটি তো অনেক বেশি। তারাই যদি মারা যায়, তবে সাধারণ মানুষ কিভাবে বাচবে ? (কমেন্ট)
মন্তব্য : আসলে কারো ফিজিক্যাল কন্ডিশনের উপর কখন কারো ইমিউনিটি নির্ভর করে না। শারীরিক সবল লোকেরও ইম্যুনিটি দুর্বল হতে পারে, আবার দুর্বলের ইমিউনিটি সবল হতে পারে। যেমন- নারীরা পুরুষের তুলনায় ফিজিক্যালী দুর্বল। কিন্তু ইনফেকশাস রোগের ক্ষেত্রে নারীদের ইমিউনিটি পুরুষের তুলনায় অধিক তৎপর। এ কারণে করোনায় পুরুষের মৃত্যু নারীর তুলনায় স্থান ভেদে ২-৩ গুন। একইভাবে ইউরোপীয়রা আফ্রিকানদের তুলনায় অনেক পুষ্ট ও সুশৃঙ্খল। কিন্তু ইনফেকশাস ডিজিজের ক্ষেত্রে আফ্রিকানরা ইউরোপীয়দের তুলনায় অধিক ইমিউন প্রদর্শন করে। তাই সেনা সদস্য হইলো তার ইমিউনিটি অন্যদের তুলনায় সবল, এটা ভাবা যায় না। আর তাছাড়া এই খবরগুলোতে ঐ সেনা সদস্য অন্য কোন জটিল রোগে ভুগছিলো কি না, সে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
৫) আজকে সর্বোচ্চ ১১৬২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ দ্বারা কি বোঝা যায় না, সব খুলে দেয়ার কারণেই করোনা দ্রুত বাড়তেছে।
মন্তব্য : আসলে শব্দটা করোনায় আক্রান্ত হবে না, হবে করোনায় সনাক্ত। অর্থাৎ অনেক লোক আক্রান্ত আছে, তাদের মধ্যে ১১৬২ জন সনাক্ত হইছে। এদের ছাড়াও আরো বহু লোক আক্রান্ত আছে। তবে সনাক্ত সংখ্যা বৃদ্ধির মূর কারণ টেস্ট সংখ্যা বাড়তেছে। আজকে টেস্ট হইছে ৭৯০০, যা আগের তুলনায় রেকর্ড। টেস্ট বাড়ছে তাই সনাক্ত বাড়ছে, সবকিছু খুলে দেয়ার কারণে করোনা বাড়ে নাই।
ভাই অর্থনৈতিক ক্ষতি যা হওয়া হয়ে গেছে, এখন এর থেকে উত্তরণের পথ কি ?


1tSnpons3o SMordeaeredcy 
অনেকে জিজ্ঞেস করছে,
ভাই অর্থনৈতিক ক্ষতি যা হওয়া হয়ে গেছে, এখন এর থেকে উত্তরণের পথ কি ?
যারা এ ধরনের প্রশ্ন করছেন, তাদের জন্য বলতে হচ্ছে,
লকডাউনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে অর্থনীতির গতি হারিয়ে যাওয়া। তাই এক্ষেত্রে গতি ফিরিয়ে আনা একটা বড় কাজ। তবে এরজন্য পরিকল্পনাগুলো একটু লম্বা করা জরুরী। এছাড়া সহিষ্ণুতার এখন বড় প্রয়োজন, কারণ ক্ষতি সবার হয়েছে, সেটাই সবাইকে মেনে নিয়ে ভাগাভাগি করতে হবে। যেমন-
১. অনেক ব্যবসায়ী এখন দোকান/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে চাচ্ছেন না, বলছেন- দোকান/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললে কি হবে ? খুললেই বরং কর্মচারির বেতন দিতে হবে, কাস্টমারও নাই। তাদের জন্য বলছি- আপনারা দোকান/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলুন। যতটুকু ব্যবসা হয় হবে, সেখান থেকেই দুইজনের ভাগ করে নিবেন। এটা যেমন আপনাকেও বুঝতে হবে, তেমনি কর্মচারিকেও বুঝতে হবে। যেহেতু ব্যবসা কম হয়েছে, তাই কর্মচারিকে কম নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। “নাই মামার থেকে কানা মামা” হওয়া তো ভালো।
২. যেহেতু অর্থনীতি স্থবির হয়ে গেছে, আবার সামনে ঈদ আছে। ঈদের আগে পরে আরো ১ মাস সবকিছু মোটামুটি স্থবির থাকে। এখন খুললেও ঈদে আবার ১ মাসের জন্য বন্ধ। কিন্তু এবার এটা করতে দেয়া যাবে না। অর্থাৎ ঈদ উপলক্ষে যে খুলবেন, সেটা আর বন্ধ করবেন না, সেটা আপনার যে ব্যবসাই হোক। প্রয়োজনে শুধু ঈদের নামাজের সময় ব্যবসা বন্ধ রাখুন, বাকি সময় খোলা রাখুন। অর্থাৎ ব্যবসার গতি যেন ঠিক থাকে। ঈদ উপলক্ষে আবার ১ মাস স্লো না হয়ে যায়।
৩. হিসেবটা একটু দীর্ঘমেয়াদী করুণ। রোজার ঈদকে নয়, কোরবানীর ঈদকে টার্গেট করুন। সে দিকে দৃষ্টি রেখে ব্যবসা চালিয়ে যান। গতিটা বজায় রাখুন, থামবেন না বা ভেঙ্গে পড়বেন না। তাহলে দেখবেন গত ২ মাসে যা ক্ষতি হয়েছে, তা ৩ মাসে কোরবানীর ঈদকে টার্গেট নিয়ে কাজ করলে পুষিয়ে যাবে।
৪. বহুদিন তো গ্রামের বাড়িতে থাকা হলো। তাই এবার রোজার ঈদে বাড়িতে না গেলেও চলবে। ঈদে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ না করে চালু রাখুন, গতি যতটুকুই এসেছে, তা যেন অব্যাহত থাকে। অর্থাৎ এখন ব্যবসার গতি ধরে রাখা বা ফিরিয়ে আনাই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।
যেহেতু ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তারা হলো সমাজের খুটি, তাই তাদের ফেলে দিতে পারলেই সমাজ নষ্ট করা সম্ভব। করোনা ভাইরাসের নামে আতঙ্ক ছড়ানোই হইছে, সাধারণ ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তাদের পতন ঘটিয়ে সমাজকে বিশৃ্ঙ্খল করা জন্য।
খবর নিয়ে দেখবেন-প্রত্যেক ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার উপর নির্ভর করে অনেক মানুষের জীবন/জীবিকা। একজনের ব্যবসা বন্ধ হওয়া মানে শত শত পরিবার পথে বসে যাওয়া। এছাড়া প্রত্যেক ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা কিছু না কিছু সমাজকল্যানমূলক (উদাহরণ: মসজিদ-মাদ্রাসা) কাজ করেন। ফলে একজন ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার ক্ষতি হওয়া মানে অনেক মানুষের ক্ষতি হওয়া।
এ কঠিন অবস্থায় প্রত্যেক ব্যবসায়ী/উদ্যোক্ততার উচিত হবে, মনোবল না হারিয়ে দৃঢ় থেকে প্ল্যান করে কাজ করা। খারাপ মানুষ ক্ষতি করতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেটা সামাল দিয়েই সমাজে চলতে হবে।
আসলে সাধারণ মানুষ সব সময় সব কিছুকে তার নিজের মত করে কল্পনা করে।


1tSnpons2o SMordeaeredcy 
আসলে সাধারণ মানুষ সব সময় সব কিছুকে তার নিজের মত করে কল্পনা করে।
ভাবে, আমি যেমন সাধারণ, সবাই বোধ হয় আমার মতই সাধারণ।
কিন্তু যারা এ বিশ্বে বড় বড় পদে বসে সব নিয়ন্ত্রণ করছে, তারা কিন্তু সাধারণ নয়,
এবং তারা ব্যতিক্রম বলেই আমার-আপনার মত সাধারণ মানুষগুলোকে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
এই বড় বড় পদে বসে থাকা লোকগুলো নানান বুদ্ধি আটে সাধারণ মানুষদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য,
যা সাধারণ মানুষের চিন্তার বাইরে।
আপনারা বিভিন্ন সময় বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিটেক শব্দটার সাথে পরিচিত হয়েছেন নিশ্চয়ই।
অনেকেই বলে সিন্ডিকেট বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়।
কিন্তু সিন্ডিকেট জিনিসটা কি, এটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না।
আসলে সিন্ডিকেট হচ্ছে কোন একটি গ্রুপ বা সমষ্টি যারা বিভিন্ন স্তর থেকে একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
আমি বিভিন্ন সময় আান্তর্জাতিক রাজনীতি বুঝাতে যে ‘ব্লক’ শব্দটা ব্যবহার করি,
এরাও একটি বড় সিন্ডিকেট, যা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন স্তর থেকে কাজ করতে পারে ।
সিন্ডিকেট কিভাবে মানুষকে ধোকা দিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে সেটা বোঝার একটা গল্প যথার্থ, গল্পটা আগে পড়ে নেই আসুন-
গল্পের নাম- দশ চক্রে ভগবান ভুত-
এক হিন্দু ঠাকুর (মন্দিরের পুরোহিত) হাট থেকে পাঠা (বিশেষ প্রকৃতির পুরুষ ছাগল) কিনে বাড়ি ফিরছিলো। পথে তিন ঠগ (জচ্চুর) বিষয়টি লক্ষ্য করলো।
এক ঠগ বললো : “আয়! ঠাকুরের পাঠাখানা আমরা বগলদাবা করি।”
কিন্তু কি করা যাবে ??
তিন জনে ফন্দি এটে ফেললো। এবার রাস্তার তিন অংশে তিন জন দাড়িয়ে রইলো।
ঠাকুর রাস্তা দিয়ে পাঠা নিয়ে আসছে, এমন সময় রাস্তা আটকে দাড়ালো এক ঠগ। প্রথমেই মাথা ঠুকে প্রণাম জানালো ঠাকুরকে।
এরপর বললো : ঠাকুর ! কুকুর নিয়ে কোথায় চললেন ?
ঠাকুরের তো ঠগের কথা শুনে আক্কেল গুড়ুম ! বলে কি চ্যাংড়া ! “আরে চোখের কি মাথা খেয়েছো ?? কুকুর পেলে কৈ ? আমি তো পাঠা কিনে আনলাম।”
কথা শুনে হেসে মাটিতে লুটোপুটি খেতে থাকলো ঠগ।
বললো : ঠাকুর আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে, আমি দেখছি কুকুর, আর আপনি দেখছেন পাঠা। যাকগে সেটা আপনার ব্যাপার। আমি চললাম। এ বলে, প্রথম ঠগ চলে গেলো।
এরপর ঠাকুর ফের রাস্তা দিয়ে হাটা শুরু করলো। এমন সময় ২য় ঠগ রাস্তা আটকে দাড়ালো এবং যথারীতি প্রণাম ঠুকলো। বললো : “মহাশয় ! কোথায় চললেন ?”
ঠাকুর বললো : “দেখছো না পাঠা নিয়ে যাচ্ছি”।
২য় ঠগ বললো : কি বকছেন আবোল-তাবোল !! যাচ্ছেন কুকুর নিয়ে, আর বলছেন কি না পাঠা নিয়ে যাচ্ছেন ? আপনি কি চোখে ভুল দেখছেন??
ঠাকুর তো এবার সত্যি মহাচিন্তায় পরে গেলো। দু’হাত দিয়ে চোখ কচলে বললো: “না আমি ভুল দেখছি না, ঠিকই দেখছি। আমি পাঠা-ই কিনেছি, কুকুর নয়”।
২য় ঠগ বললো : সেটা আপনার ব্যাপার। আমি যা সত্য তাই বললাম। আপনি কুকুরকে পাঠা মনে করলে আমি কি করবো ?” এ বলে ২য় ঠগও চলে গেলো।
এরপর চিন্তিত ঠাকুর ফের রাস্তা ধরলো । এবার রাস্তা আটকে দাড়ালো ৩য় ঠগ। এবারও যথারীতি প্রণাম ঠুকে দিলো এবং বললো : “ঠাকুর মশাই কুকুর নিয়ে কোথায় চললেন?”
এ কথা শুনে ঠাকুর মাথা চুলকাতে থাকলো। বললো : “ না মানে...., না মানে..., আমি তো বাজার থেকে পাঠা কিনেই আনলাম, কিন্তু সবাই কেন যে কুকুর বলছে, বুঝে উঠতে পারছি না”
ঠগ বললো: “ কি যে বলেন মশাই ! কুকুর কি কখন পাঠা হয় ??”
ঠগ ঠাকুরের হাত থেকে পাঠার দড়ি নিয়ে ছেড়ে দিয়ে বললো : দূর! কুকুরটাকে ছেড়ে দিন তো।”
ঠাকুর ভাবলো, সত্যিই মনে হয় তার কোথাও ভুল হয়েছে, সে মনে হয়, কুকুরকে পাঠা ভেবে কিনে এনেছে, তাই পাঠা ফেলেই সে রওনা দিলো। এ সুযোগে তিন ঠগ পাঠা পেয়ে তো মহাখুশি, তাদের মিশন সাকসেস ফুল।
অর্থ্যাৎ ১০ চক্রে ভগবান শেষে ভুত হয়ে গেলো ।
বিশ্বনিয়ন্ত্রণকারী এই সিন্ডিকেট বলেন বা ব্লক বলেন, তাদের কাজটাও ঐ ঠগদের মত। অর্থাৎ তারা বিভিন্ন স্থানে দাড়িয়ে থেকে মানুষকে ধোকা দিয়ে সেই ফাদে পা দিতে বাধ্য করছে। করোনা নিয়ে একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন। বিশ্বের বড় বড় ভ্যাকসিন কোম্পানি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিভিন্ন মিডিয়া, টকশোওয়ালা, কথিত বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিক সবাই মিলে একটা সিন্ডিকেট তৈরী করেছে। সবাই যার যার অবস্থান থেকে করোনাকে একটা ভয়ঙ্কর কিছু বলে প্রচার করে যাচ্ছে। কিন্তু রসুনের গোড়া যেমন এক, তেমনি এদের সবার গোড়া এক। একটা স্থান থেকে এবং একই স্বার্থে সবাই পরিচালিত হচ্ছে। ঠগ যেমন ঠাকুরকে ধোকা দিয়ে ছাগলকে কুকুর বানিয়ে ফেলেছে। তেমনি এরা বিভিন্ন সেক্টর থেকে একই কথা প্রচার করে সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বর-সর্দির করোনাকে বাঘ বানিয়ে ফেলেছে। তারপর নিজেই লকডাউন-সোশ্যাল ডিসটেন্স টাইপের জন-বিধ্বংসী পলিসি সমাধাণ হিসেবে চাপিয়ে দিচ্ছে।
মিডিয়া তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকায়, তারা তাদের বিরুদ্ধে খবরগুলো তারা সেন্সর করে ফেলে এবং তাদের পক্ষে ১% খরব পাইলে সেটা ১০০% জুম করে দেখায় জনগণকে বিভ্রান্ত করে। এদের মূল উদ্দেশ্য জনগণের শক্তিকে ধ্বংস করে তাদের সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণাধীন ক্ষমতা ও অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা। এজন্য যদি বহু মানুষকে জীবন দিতে হয়, তবে তাদের কোন সমস্যা নেই। তাদের ক্ষমতা ও টাকা চাই।
কথা হচ্ছে- জনগণ যদি ভয় না পায়, তবে তাদেরকে টাকা দিবে কেন ? আর জনগণের যদি নিজস্ব অর্থনৈতিক শক্তি থাকে, তবে তারা ওদের কাছে মাথা নত করবে কেন ? তাই জনগণের অর্থনৈতিক শক্তি গুড়িয়ে দিতে, তাদের টাকা পয়সা কেড়ে নিতেই আতঙ্ক তৈরীর পলিসি।
কিন্তু সমস্যা হলো- সাধারণ মানুষ সিন্ডিকেট জিনিসটা বুঝতে পারে না। মিডিয়া, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন যায়গা থেকে এক কথা শুনলে ঠাকুরের মত ধোকা খায়। ছাগলকে কুকুর ভেবে বসে। মানুষ যতক্ষণ এসব সিন্ডেকেট চিন্তা চেতনা থেকে বের হয়ে না আসবে, ততক্ষণ তাদের উত্তরণের কোন পথ নেই।
বসেন, বসেন, বইসা যান-
stfd1Sd2 pMmaonisydored 
বসেন, বসেন, বইসা যান-
১) এতদিন প্রচার হইছে- “যার হয় করোনা, সে আর বাচে না”। কিন্তু এখন দেখা যাইতেছে, শুধু গরম পানি খাইলেই অনেকের তা সেরে যাইতেছে।
২) করোনা এমন এক মহামারী যার সাথে প্রণোদনার গভীর সম্পর্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কারণ- প্রনোদনার ঘোষণার পর হু হু করে পুলিশ সদস্যদের করোনা ধরা পড়া শুরু করছে, যা আগে দেখা যায় নাই। পুলিশের বিরুদ্ধে আগে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও এবার পুলিশের গণকরোনার ভেতরেও ঘুষ দুর্নীতি ঢুকছে কি না, তার সত্যতা এখনও যাচাই করা সম্ভব হয় নাই।
৩) মিডিয়ায় চাউর- বিএসএমএমইউ ভিসি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে। কিন্তু ভিসি সাহেব হাসিমুখে জানালেন তিনি করোনার কিছুই জানেন না, কারন তিনি করোনা পরীক্ষাই করেননি। বিষয়টির সাথে গভীর মিল পাওয়া যাচ্ছে,বিদ্যানন্দের জাকাত কালেকশনের সাথে। কারণ যে সব ইসলামী স্কলারদের নাম দিয়ে বিদ্যানন্দ জাকাত তুলতেছে, সে সব স্কলার বিদ্যানন্দের জাকাত কালেকশন সম্পর্কে অবগতই নন।
৪) গবেষণা বলছে- করোনা নিয়ে অতি সচেতনার মাধ্যমে মানুষকে উল্টো রোগী বানিয়ে দেয়া হয়েছে। কারণ করোনা মানুষের শ্বাসনতন্ত্রকে যতটা না ক্ষতি করবে, তার থেকে ঢের ক্ষতি করবে গণহারে বহু সময় ধরে মাস্ক পড়ে থাকা। অর্থাৎ গণহারে বহু সময় ধরে মাস্ক পড়ার কারণে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত দীর্ঘমেয়াদে জটিলতায় পড়তে যাচ্ছে জনগণ।
৫) লক্ষ্য করা যাচ্ছে- যাদের প্রাইভেট গাড়ী আছে, তারাই কেবল গণ পরিবহণ চালুর মধ্যে করোনার গন্ধ পাচ্ছে।
৬) গবেষনা বলছে- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় করোনার আতঙ্ক হ্রাস পায় এমন বহু খবর প্রকাশিত হচ্ছে। পাশাপাশি “লকডাউন যে কোন কার্যকর পদ্ধতি নয়” এমনও খবর প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু আশ্চযজনকভাবে বাংলাদেশের আতঙ্কবাদী মিডিয়া তা লুকিয়ে ফেলছে।
৭) বিশিষ্ট কলাবিজ্ঞানীরা বলেছেন, পৃথিবীতে এখন একমাত্র রোগ হচ্ছে করোনা। তাই শুধু করোনায় নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে, অন্য দিকে খেয়াল দেয়া যাবে না। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত রোগীরা যদি চিকিৎসা না পেয়ে মারাও যায়, তবে সেটা দেখার কোন বিষয় নয়। শ্লোগান হবে-
শুধু চাই করোনা, করোনা।
করোনা ছাড়া-
আর কিছু বুঝি না। বুঝি না।
৮) লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মানুষের থেকে এখন বানরের দাম বেশি হয়ে গেছে। কারণ বানর হত্যার কারণে মাদারীপুরে এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু করোনাকে পূজি করে লাভবান হতে যারা আতঙ্ক ছড়িয়ে কোটি কোটি মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে, বিনা চিকিৎসা ও খাদ্য অভাবে মেরে ফেলছে, তাদের কোন বিচার হচ্ছে না।
৯) জন হককিন্সের কথিত গবেষকদের গবেষণা মোতাবেক আজকে (১২ মে) বাংলাদেশে করোনায় ২৪ হাজার ১১৮ জন লোক মারা যাওয়ার কথা। কিন্তু অতি আশ্চর্যজনক বিষয় অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে সেই মৃত লোক বা তাদের আত্মীয় স্বজনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে একটি গোপন সূত্রের খবর, এই ২৪ হাজার লোককে গণভবনের নিচে একটি বিরাট গর্ত খুড়ে গণকবর দেয়া হয়েছে। আরেকটি সূত্র বলছে, আর মাত্র ১৫ দিন অপেক্ষা করলেই লাশের স্তুপ পড়া শুরু করবে ১০০% নিশ্চিত।
তুমি করলে লীলা, আমি করলে বিলা (পাপ)


stfd1Sd1 pMmaonisydored 
তুমি করলে লীলা, আমি করলে বিলা (পাপ)
১) ইউনিলিভারের ল্যাক্স সাবানের প্যাকেটে গোলাপের ছবি আছে । ল্যাক্স সাবানে কি আসলেই গোলাপ মিশ্রিত ??
এর কি কোন পরীক্ষা হইছে ?? তাদের দাবীকৃত ফ্রেঞ্চ গোলাপ মিশ্রিত একটা লাক্স সামানের দাম তো কমকরে কয়েকশ টাকা হওয়া উচিত, এত কম দামে তো দেয়া সম্ভব না।
ল্যাক্সের ভেতর যদি গোলাপের অস্তিত্ব নাই থাকে, তবে অবশ্যই তার প্যাকেটের গায়ে গোলাপের ছবি ব্যবহার করা কাস্টমারকে ধোকা দেয়ার নামান্তর। এক্ষেত্রে মিডিয়া নিরব কেন ? কেন তারাই প্রতিদিন তাদের পত্রিকায় সেই সাবানের প্রতারণামূলক বিজ্ঞান দিচ্ছে ?
২) ইউনিলিভারের ফেয়ার এন্ড লাভলীর প্যাকেটের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটা কালো মেয়ে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ব্যবহার করে ফরসা হয়ে যাচ্ছে। এটা কি সত্যি ? ফেয়ার এন্ড লাভলী ব্যবহার করে কি সত্যিই ফরসা হওয়া যায় ?
যদি নাই যায়, তবে তারা সেই ছবি দৃশ্যমান করে এতদিন যাবত কিভাবে দেদারসে এই ক্রিম বিক্রি করে যাচ্ছে ? এটা কি কাস্টমারকে ধোকা দেয়া নয় ? আর মিডিয়াও কেন এর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতেছে না ? বরং তারাই কেন তাদের মিডিয়ায় সেই ফেয়ার এন্ড লাভলীর বিজ্ঞাপন ছেপে টাকা কামাই করতেছে ??
৩) ইউনিলিভারের হুইল ডিটারজেন্টের প্যাকেটে লেবুর ছবি কেন ? ডিটারজেন্টে কেমিক্যালী লেবুর ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়, কিন্তু তার সাথে প্রাকৃতিক লেবুর কোন সম্পর্ক নাই। এক্ষেত্রে তার বিজ্ঞাপনে প্রাকৃতিক লেবুর ছবি ব্যবহার করে কাস্টমারের সাথে স্পষ্ট প্রতারণা করছে। এবং মিডিয়া সেই প্রতারণাপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রচার করে টাকা কামাচ্ছে।
৪) ব্র্যাকের আড়ং গুড়া দুধের প্যাকেটের মধ্যে লেখা ডেইরী মিল্ক। কিন্তু বাজারে প্যাকেটে বিক্রি হওয়া কোন গুড়া দুধই ১০০% ডেইরী মিল্ক নয়, বরং এতে একটা বড় অ্যামাউন্টের ভেজিটেবল মিল্ক বা অন্য দ্রব্যাদি মিশ্রিত আছে। কিন্তু সেটা কেন আড়ং প্রকাশ করতেছে না ? ডেইরী মিল্কের নাম দিয়ে ভেজিটেবল মিল্ক বিক্রি করা কি কাস্টমারকে ধোকা দেয়া নয় ? আর সেই ধোকাপূর্ণ বিষয়ের বিজ্ঞাপন কেন মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত প্রকাশ করা হচ্ছে?
৫) প্রথম আলো ৯ই মে, ২০২০ তারিখে তাদের পত্রিকায় তাদেরই (ট্রান্সকমের) ওষুধ কোম্পানি এসকেএফ এর বানানো ওষধের প্রচারণায় লিখেছে “করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর ওষুধ রেমডিসিভির বানিয়েছে এসকেএফ।” কিন্তু “রেমডিসিভির করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর ওষুধ” এমন কোন প্রমাণ এখনও হয়নি। আমেরিকার গবেষণায় ৩১% রোগী ৩ দিন আগে সুস্থ হইছে (১৪ দিনের যায়গায় ১১ দিন), আর চাইনিজ গবেষণায় এর তীব্র সাইড ইফেক্ট প্রমাণিত হইছে। অর্থাৎ এর মানে এই নয়- রেমডিসিভির করোনা প্রতিরোধে কার্যকর কোন ওষুধ।
কথা হচ্ছে, আমের ভেতর আটি কাচা থাকলে মিডিয়ার বুক ফেটে যায়। “মানুষের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে” শিরোনামে মিডিয়া রিপোর্ট করে প্রশাসনের সহায়তায় হাজার হাজার টন আম নষ্ট করে। কিন্তু ইউনিলিভার, ব্র্যাকের আড়ং বা প্রথম আলোর এসকেএফ যখন প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণা যখন মিডিয়াই বিজ্ঞাপন করে প্রচার করে, তারা টাকা কামায়, তখন বিষয়টি কেমন হয় ?
অথচ যারা টিভি বা প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ্যে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে পণ্য কিনতে প্ররোচিত করে এবং যাদের ক্রয়মূল্য ফিক্সড তাদেরকে আগে ভোক্তা অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য ধরা উচিত। কিন্তু এক্ষেত্রে মিডিয়া, কথিত ভোক্তা অধিকার সচেতন গোষ্ঠী এবং প্রশাসন একেবারেই নিরব।
অথচ প্রান্তিক পর্যায়ে একজন কৃষক/ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কি করলো সেটা নিয়ে মিডিয়ায় তোলপাড়। দেশের সব আইন আর যুক্তি শুধু তাদের জন্য। ভাবখানা এমন দরিদ্র লোকটাকে গ্রেফতার/জরিমানা করতে পারলেই বুঝি দুনিয়ার সব অন্যায় মিটে যাবে।
এজন্য বলে- তুমি করলে লীলা, আমি করলে বিলা (পাপ)।
Image may contain: 2 people