পেয়াজ সঙ্কট নাকি টাকা পাচারের ধান্ধা ! এন.সি- ১৪৪
পেয়াজ সঙ্কট নাকি টাকা পাচারের ধান্ধা !

পেয়াজ সঙ্কট নাকি টাকা পাচারের ধান্ধা !
Related imageআমরা শুনি, প্রতি বছর অনেক দুর্নীতি হয়,
এটাও শুনি, প্রতি বছর দেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা পাচার হয়ে যায়।
কিন্তু কি উপায়ে সেই টাকাটা পাচার হয়, সেটা জানি না।
বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের একটি অন্যতম উপলক্ষ হলো- আমদানি ও রফতানি।
আমদানির সময় ১০০ টাকার মাল, বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দাম দেখানো হলো ১১০০ টাকা,
পাচার হয়ে গেলো ১০০০ টাকা।
আবার রফতানির সময় ১১০০ টাকার মাল, দাম দেখানো হলো ১০০ টাকা,
পাচার হয়ে গেলো ১০০০ টাকা।
তাই কোন পণ্যের হঠাৎ দাম বেড়ে গেলে, অথবা আমদানির কথা শুনলে, বাংলাদেশীদের প্রথম চিন্তা করা উচিত-
বড় কোন টাকার চালান বিদেশে পাচার হচ্ছে কি না ?
গত মে মাসের খবর-
হঠাৎ করে বেড়ে গেলে চালের দাম।
সব দোষ নন্দঘোষ সিন্ডিকেটের। কিন্তু সিন্ডিকেট এমন এক জিনিস যা দেখাও যায় না, ছোয়াও যায় না।
সরকার বললো- মাকের্ট স্ট্যাবল করার জন্য চাল আমদানি করতে হবে জরুরী ভিত্তিতে।
যদিও তখন দেশে পর্যাপ্ত চালের মজুদ আছে।
তারপরও যখন আতপ চাল আমদানি করা হলো, সাথে সাথে দাম নামতে শুরু করলো।
যদিও ঐ সময় কেউ কেউ কিন্তু বলেছিলো- সরকারী লোকজন চাল আমদানির নাম করে বিদেশে টাকা পাচার করতেছে।
সম্প্রতি ক্যাসিনো ক্যান্ডের পর দেখা গেলো- অনেকের বাড়িতেই বস্তায় বস্তায় টাকা থাকে।
দুর্নীতি হচ্ছে, অনৈতিক কাজ হচ্ছে, বস্তায় বস্তায় টাকা জমতেছে, কিন্তু ট্যাক্স না দেয়ায় সেই টাকা ব্যাঙ্কে রাখা যাচ্ছে না।
জমিয়ে রাখতে হচ্ছে ঘরের মধ্যে। ডিআইজি প্রিজন পার্থ গোপাল বণিক দুদক কর্মকর্তার খবর পেয়ে পাশের বাড়ির ছাদে ৮০ লক্ষ টাকার ব্যাগ ছুড়ে মেরেছিলেন, কিন্তু এটা তো সবাই করতে পারবে না। তাছাড়া ক্যাসিনোকাণ্ডের পর যেভাবে পক্ষ-বিপক্ষ সবার দিকে নজর যাচ্ছে,
তাই হঠাৎ ভুলবশতঃ কাছের রাঘব বোয়ালেরও ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
গতকালকে বাংলাদেশের মিডিয়াতে খবর ছিলো – বাংলাদেশের পিয়াজের কেজি হঠাৎ লাফ দিয়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়েছে।
এর জন্য দায়ী করা হচ্ছিলো- ভারতের পিয়াজ আমদানির নিষিদ্ধের খবরকে।
সাথে কিন্তু আরো দুটি খবর ছিলো-
চীন ও মিশর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে ৩ লক্ষ কেজি পেয়াজ,
মায়ানমার থেকে টেকনাফ দিয়ে এসেছে সাড়ে ৬ লক্ষ কেজি পিয়াজ।
কিন্তু বৃদ্ধির খবরে এত তেজ ছিলো, রফতানির খবর অনেকে কিছু মনেই করেনি।
সত্যি বলতে, ভারত পিয়াজ আমদানি বন্ধ করে দিলে ১ দিনে কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে যাবে, এটা আমি মেনে নিতে পারি না।
আমার মনে হয়, আমদানির খবর বৈধকরণে এগুলো ইচ্ছা করেই করা হয়েছে।
ভারতে অনেক দিন ধরেই পেয়াজের দাম চড়তেছিলো, আমদানিও কমেছিলো।
তাই হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করে দিলে এভাবে বাজার লাফ দেয়া স্বাভাবিক নয়।
তবে এটা ঠিক, ভারতের পেয়াজ রফতানি বন্ধের খবরটা ছিলো বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য জন্য ‘মেঘ না চাইতে বৃষ্টি’র মত।
আমি আপনাদেরকে অ্যানালাইসিস শেখানোর সময় বলেছিলাম-
যে কোন ব্যক্তি/ঘটনার দুটি ফেস থাকে।
একটা রিয়েল ফেস,
অপরটি আর্টিফিসিয়াল ফেস।
আমি বলেছিলাম, এ্যাক্টররা চায় যে কোন ঘটনাকে রিয়েল ফেস থেকে আর্টিফিশিয়াল ফেসের দিকে নিয়ে যেতে।
এতে আঘাতটা আর্টিফিশিয়াল ফেসে আসে, কিন্তু রিয়েল আড়াল থাকায় অ্যাক্টর নির্ভিঘ্নে কাজ করতে পারে।
আমার কাছে ক্ষমতাসীন দুর্নীতিবাজদের সে রকম মনে হয়।
তারা সব সময় আর্টিফিশিয়াল ফেস হিসেবে বিদেশী সংকট প্রচার করে (ভারতীয় পেয়াজ রফতানি বন্ধ)।
কিন্তু তাদের রিয়েল ফেস থাকে দেশের জনগণের থেকে শোষন।
মানে পাবলিক মেতে আছে- ভারত পেয়াজ আমদানি বন্ধ করছে, এই হা-হুতাশ নিয়ে।
মনে হচ্ছে পিয়াজ যেন জীবনেও বাংলাদেশের উৎপাদিত হয়নি আর সেটা অক্সিজেনের থেকেও বেশি প্রয়োজনীয়।
ভারত যদি বন্ধ করে দেয়, তবে সবাই শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যাবো।
কিন্তু মুখরোচক ভারতীয় গল্পের আড়ালে ঘটানো হচ্ছে কিন্তু অন্য ঘটনা।
নদীর পানি নিয়ে ভারতের দুষ্টনীতির কারণে বাংলাদেশের যত বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণ আগে দিল্লীকে দিতে হবে।এন.সি- ১৪৩
নদীর পানি নিয়ে ভারতের দুষ্টনীতির কারণে বাংলাদেশের যত বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণ আগে দিল্লীকে দিতে হবে। তারপর বাংলাদেশের নদীপথ নিয়ে ভারতের সাথে চূক্তি, এর আগে না।
Related imageশেখ হাসিনা, ভারতে যাচ্ছে, সেখানে ভারত যেন বাংলাদেশের নদী পথ ব্যবহার করতে পারে সেটা নিয়ে দিল্লীর সাথে চূক্তি হবে। আমি এটা নিয়ে অবশ্য অনেক আগেই অনেকগুলো পোস্ট দিয়েছিলাম। সেখানে দেখিয়েছিলাম- ভারতকে যদি আমরা ৩ ভাগ করি, তবে তার ১ ভাগ স্থলভাগে নদীপথে পৌছাতে ভারত নিজের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে পারে। আর বাকি ২ ভাগে নৌপথে পৌছাতে গেলে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও নদী পথের আশ্রয় নিতে হবে ভারতকে।
মূলত, ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে দাড়াতে হলে প্রথম তার লাগবে অল্পমূল্যে পণ্যপরিবহণ খরচ, যা সমুদ্র ও নদী পথ ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভারত তো তার স্থলভাগের ২/৩ অংশ বাংলাদেশের সমুদ্র ও নদী ব্যবহার ছাড়া পারবেই না, এ অবস্থায় ভারত কঠিনভাবে বাংলাদেশের কাছে ধরা। আর সেই ধরা নিয়ে চূক্তি হতে যাচ্ছে, শেখ হাসিনার এবারের সফরে। সহজভাষায়- বাংলাদেশের নৌপথ ভারতের কাছে বিক্রি করতে যাচ্ছে শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের নদীপথে ভারতের প্রভাব কথটা বৃদ্ধি পাবে, কিছুদিন আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বাংলাদেশের এসে বাংলাদেশের নদীগুলোতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ার কথাও বলেছে।
একটা খবরে দেখলাম, ভারতকে বাংলাদেশ এ সুবিধা দিলে, ভারতও বাংলাদেশেরকে তাদের অনেকগুলো পোর্ট ব্যবহারের অনুমতি দিবে। কথা হইলো- ভারত কথা দিয়ে কথা কতটুকু রাখবে কিংবা আদৌ রাখবে কি না, সেটা চিন্তার বিষয়। কিন্তু তারপরও যদি চিন্তা করি, পণ্য পরিবহণে সমুদ্র ও নৌপথ ব্যবহার করা হয় খরচ কমানোর জন্য। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা ভারতের হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে তারপর সেটা তো সড়ক পথেই টেনে নিয়ে আসবে। তাহলে লাভ হলো কি ? এ ধরনের আজগুবি লোভ দেখানোর কারণ কি ?
তবে মূল কথা হলো- ভারত বাংলাদেশকে পানি নিয়ে ঝামেলা করছে আজ থেকে ৪০-৪৫ বছর যাবত। তারা অনেক কথা দিয়েও কথা রাখেনি। তাদের কারণে আমাদের বহু নদী আজ পানিশূণ্য, অনেক ফসলী জমি মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ফারাক্কায় পানি বেড়ে গেলে পানি ছেড়ে দেয়ার মত নিকৃষ্ট নজির তারা দেখায়, যা সভ্য সমাজে কখন গ্রহণযোগ্য না। সহজ কথা- যেই নদী নিয়ে তারা আমাদের এত কষ্ট দিলো, সেই নদী পথ তারা বাংলাদেশের কাছে চায় কোন মুখে ? কোন নিলর্জ্জ লোক ছাড়া তো এমন দাবী করতে পারে না।
আবার শেখ হাসিনাও কত নিলর্জ্জ, যে ভারত বাংলাদেশের নদী নিয়ে এত কষ্ট দিলো, সেই ভারতের কাছে এখন নদীপথ বেচতে যাচ্ছে। ছি:।
একটা প্রশ্ন আসবে-
শেখ হাসিনা যে ভারতের সাথে বাংলাদেশের নদী নিয়ে চুক্তি করতে গেছে,
সেই চূক্তি নিয়ে কি সংসদে কি কোন আলাপ হইছে ?
চূক্তির শর্তগুলো কি কি সেটা কি জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা হইছে ?
সেটা না করে সে কোন মুখে ভারতের কাছে বাংলাদেশের নদী পথ নিয়ে চুক্তি করতে গেলো ?
এটা তো সংবিধান পরিপন্থী। নদী নিয়ে চূক্তি তো নিরাপত্তা চূক্তি না, যে লুকায় লুকায় করতে হবে। তাহলে লুকোচুড়ি কেন ?
আর বাংলাদেশ তো শেখ হাসিনার বাবার সম্পত্তি না, যে ইচ্ছা হলো আর বেচে দিয়ে আসা যাবে।
এখন জনগণের যেটা বলার থাকবে-
ভারত বাংলাদেশকে পানি আর নদী নিয়ে অনেক কষ্ট দিছে, অনেক ক্ষতি করছে।
এখন ভারতের সাথে সেই নদী আর পানি নিয়ে যদি চূক্তি করতেই হয়,
তার আগে হিসেব করতে হবে- সেই স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের পানি নিয়ে দুষ্টু-নীতির কারণে বাংলাদেশের কত বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হইছে, সেই হিসেব করা।
তারপর সেই পরিমাণ অর্থ আগে ভারতকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।
সেই ক্ষতিপূরণ দেয়ার পর চিন্তা করা যাবে, বাংলাদেশ ভারতের সাথে নদী পথ নিয়ে চূক্তি করবে কি না।
ভারত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আগে, বাংলাদেশের নদীপথ নিয়ে ভারতের সাথে চূক্তি করা মানে, দেশের জনগণের সাথে স্পষ্ট বেঈমানি করা।
বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির বিদায় ও কিছু মিডিয়ার মায়াকান্না। এন.সি- ১৪২
বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির বিদায় ও কিছু মিডিয়ার মায়াকান্না। 
Related image
বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির বিদায় ও কিছু মিডিয়ার মায়াকান্না
এক ডাক্তারের ওয়াল থেকে...(কপি পোস্ট)
ঘুষ কিংবা গিফ্ট নয় ; ডাক্তারদের নিখাঁদ দেশ প্রেমের কারনেই বিদেশি ওষুধ কোম্পানি এইদেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে!
হাঁ আমি মানছি তাদের ওষুধ ভাল। তাদের ওষুধ যেখানে ১০০ ভাগ কাজ করে দেশিগুলো সেখানে ৯০ ভাগ কাজ করে। কিন্তু দাম তাদেরটা ১০০ টাকা হলে দেশিটা ৩০-৪০ টাকা বা ৫০ টাকা। সুযোগ পেলে এবং সরকারি পৃষ্টপোষকতা পেলে অর্ধেক দামেই বিদেশি ব্রান্ডের সমকোয়ালিটি অর্জন সম্ভব! সময় সুযোগ তো দিতে হবে।
বিদেশি কোম্পানি গুলোও কম টাকা ঢালেনা ডাক্তারদের পিছনে। সানোফি, নভোনরডিস্ক এরা কি কম টাকা ঢালে বা ঢেলেছিল?
কিন্তু আমি যখন দেখি আমার দেশের একটা ৪৫ টাকা দামের ইনজেকশনেই বিদেশি ব্রান্ডের ১৫০ টাকা দামের ইনজেকশনের কাজ করে তখন আমি ৪৫ টাকা দামেরটাই রোগীকে প্রেসক্রাইব করি।
একটা সেফ্ট্রিএক্সন ২ গ্রাম দেশিটা ২০০-২৫০ টাকা আর বিদেশিটা ৭০০ টাকা। দৈনিক ২ টা ইনজেকশনে দেশটিা যাবে রোগীর ৪০০-৫০০ টাকা আর বিদেশি(রোসের) টা ১৪০০ টাকা!
দেশ এবং রোগীর স্বার্থেই ডাক্তার তখন দেশিটা প্রেসক্রাইব করে।
কিছু লোক অপপ্রচার শুরু করছে ডাক্তাররা ঘুষ খাওয়ার কারনে সানোফি বিদায় নিচ্ছে।
সানোফির ক্লেক্সেন যখন ৭০০-৭৫০ টাকা ছিল তখন ড্রাগ ইন্টার্নেশনাল প্রথম কার্ডিনেক্স আনে ৪০০ টাকায়। হার্ট এটাকের এই ইনজেকশনটি দৈনিক ২টা দিলে দেশি বিদেশিতে খরচ প্রায় ডাবল। সংগত কারনেই গরিব রোগীদেরকে দিয়ে প্রথম শুরু হলেও পরে ভাল রেজাল্ট পাওয়াতে বেশি দামি ক্লেক্সেনের চেয়ে কম দামি দেশি ব্রান্ড জনপ্রিয়তা পায়।
এটা দেশের ওষুধের কোয়ালিটির কারনেই তারা মার্কেট পেয়েছে। যে মার্কেট এখন বিশ্বব্যাপী।
তো এখানে ডাক্তারদের ঘুষ গ্রহণ প্রবণতা টেনে আনার কি কারন থাকতে পারে।
যখন আমরা ক্লেক্সেন লিখতাম তখন কি সানোফির উপহার উপঢৌকন কম ছিল? চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সাইন্টিফিক সেমিনার তারা কম করেছে? কম খাইয়েছে ডাক্তারদেরকে? বড় বড় ডাক্তারদের পিছনে তারা কম ছুটেছে?কম টাকা ঢেলেছে? কোন লাভ হয়নি। দেশ প্রেমিক ডাক্তাররা দেশকেই এবং স্বল্প আয়ী এদেশের গরিব মানুষের সামর্থ্যকেই প্রাধান্য দিয়েছে।
[বি:দ্র: পোস্টটি যেহেতু আমার নয়, সেহেতু এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত চাইছি]
শেখ হাসিনা ভারত যাওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রামের পূজা উদযাপন পরিষদ একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এন.সি- ১৪১
শেখ হাসিনা ভারত যাওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রামের পূজা উদযাপন পরিষদ একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। 
Related image
শেখ হাসিনা ভারত যাওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রামের পূজা উদযাপন পরিষদ একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে তারা ১১টি দাবী উত্থাপন করে, যার মধ্যে অন্যতম ছিলো সামরিক বাহিনীতে হিন্দু নিয়োগের বিষয়ে। (https://bit.ly/2ncv7hp)
বিষয়টি আমি গুরুত্বহীনভাবে দেখার পক্ষপাতি নই,
কারণ- ছাগল নাচে খুটির জোরে। ভারতীয় খুটি থেকে দেয়া দিক নির্দেশনাগুলোই সাধারণত এদেশে তাদের প্রতিনিধি সংগঠনগুলো আওড়ায় ।
ভারতীয়দের একটি জোর বক্তব্য হলো- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে জঙ্গীতে ভরপুর,
তাদের এক সাংবাদিক কিছুদিন আগে শেখ হাসিনাকে এসএসএফ হত্যা করতে চেয়েছিলো শিরোনামে মিথ্যা খবর ছাপায়।
তাদের এদেশীয় দালালরা প্রায় বক্তব্য দেয়- বাংলাদেশের সেনাবাহিনী থেকে জঙ্গী ছাকনি দিয়ে বের করতে হবে।
ভারতীয়দের ধারণা- বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীতে ভারতপন্থী, বিশেষ করে হিন্দুদের অনুপ্রবেশ দরকার আছে।
যতদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে তারা সেটা প্রতিষ্ঠা না করতে পারবে, ততদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভারতের জন্য থ্রেট।
এর আগে ২০১৭ সালে ৮ই এপ্রিল ভারতের গিয়ে মোদির সাথে সামরিক বাহিনী নিয়ে চূক্তি করে এসেছিলো শেখ হাসিনা।
সে চূক্তি অনুসারে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী ভারতের থেকে ৫০ কোটি ডলার ঋণে অস্ত্র কিনতে পারবে।
ভারতের সম্ভবত ইচ্ছা ছিলো, অস্ত্র আদান প্রদানের মাধ্যমে তারা কিছুটা হলেও বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীতে ইনফিলট্রেট করতে পারবে। তবে, ঐ চূক্তির সময় মনে হয়েছিলো বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী বিষয়টি ততটা পছন্দ করে নাই,
কিন্তু ভারত কিছু চাইলে শেখ হাসিনা না করতে পারেন না, এ জন্য অনেকটা সামরিক বাহিনীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়েই চূক্তি করতে হয় শেখ হাসিনাকে।
আপনারদের মনে থাকার, মাস খানেক আগে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশ সফরে আসে।
তখন সে একটা কথা বলেছিলো- বাংলাদেশ সামরিক চূক্তি শুধু কাগজে কলমে করলো,
কিন্তু অস্ত্র তো সামরিক বাহিনী নিলো না। তাদের তো চূক্তি করা যাবে, তবে অস্ত্র নেয়া হচ্ছ না কেন ?
তারা অস্ত্র নিক। (https://bit.ly/2ndcERT )
তারমানে, শেখ হাসিনা মুখে চূক্তি করছে, কিন্তু সামরিক বাহিনী সেটাকে পাত্তা দিতে চাইছে না।
যাই হোক, এতগুলো কথা বললাম-
কারণ শেখ হাসিনা এখন দিল্লীতে।
আর দিল্লী কিছু চাইলে তিনি না করতে পারেন না, এটা তার বড় সমস্যা।
প্রথমে যেটা বলেছিলাম, মানে সামরিক বাহিনীতে হিন্দু প্রবেশ করানো নিয়ে, শেখ হাসিনার সফরের প্রাক্কালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ যে দাবী তুললো, এটা কোন টেস্ট কেস কি না ? সফরে মোদি যদি শেখ হাসিনার কাছে সেই দাবী করে (মানে এমন কোন দাবী যাতে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীতে ভারতপন্থীদের ইনফিলট্রেট করার সুযোগ তৈরী হয়) তার বিরুদ্ধে কি শেখ হাসিনা কি ‘না’ বলতে পারবে ?
আরেকটি বিষয়- শেখ হাসিনা ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরসহ বাংলাদেশের অনেক নৌপথ অবাধ ব্যবহারে জন্য চূক্তি করতে যাচ্ছেন। কথা হলো- এতে নৌ-বাহিনী কিংবা সেনা বাহিনীর ভবিষ্যত পরিকল্পনার সাথে ভারতের কোন দ্বন্দ্ব ঘটার সম্ভবনা আছে কি না ? সে বিষয়টি চিন্তা করে দেখা জরুরী।
বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে, একজন নারী জন্ম নিরোধক পিল খেয়ে বলছে- “আমি এখন নিশ্চিন্ত”। এন.সি- ১৪০
বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে,
একজন নারী জন্ম নিরোধক পিল খেয়ে বলছে- “আমি এখন নিশ্চিন্ত”।
Related image
বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে,
একজন নারী জন্ম নিরোধক পিল খেয়ে বলছে- “আমি এখন নিশ্চিন্ত”।
কিন্তু আসলেই কি জন্ম নিরোধক পিল খেয়ে নারী নিশ্চিন্ত হতে পারছে ?
হয়ত তার পেটে সন্তান বাসা বাধছে না,
কিন্তু বাসা বাধছে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধী।
খবর বলছে-
১) স্ট্রোক ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল!
(https://bit.ly/2OfSylb)
২) জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সেবনে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে
(https://bit.ly/2Mepk3o)
৩) জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলে ক্যান্সারের ঝুঁকি!
(https://bit.ly/2VgakGy)
আমরা কয়েকদিন আগে দেখেছি-
রেনিটিডিন ওষুধে ক্যান্সার সেবনে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে বিধায় তা দেশ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।
ধুমপানে ক্যান্সার হয়, বিধায় সিগেরেটের প্যাকেটে বড় করে লেখা থাকে, ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
কিন্তু জন্মনিরোধীকরণ পিল সেবনে ক্যান্সারের ঝুকি থাকার পরও সেখানে লেখা থাকে-
নিশ্চিন্ত, নিরাপদ, ভাবনাহীন…… আশ্চর্য।
উল্লেখ্য দেশে নারীদের মধ্যে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা । (https://youtu.be/42A5UKHzDXE )
কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, এটা যে পিলের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে হচ্ছে তা মিডিয়া ও ডাক্তারগণ প্রকাশ্যে এড়িয়ে যাচ্ছে। উপরন্তু কিছু মিডিয়া দাবী করছে, বাল্যবিবাহের কারণে নাকি নারীদের ক্যান্সার বাড়ছে (ইউটিউব লিঙ্কে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির খরবটি দেখুন) ।
কিন্তু কথা হলো- বাংলাদেশের তো বাল্যবিবাহ কমছে, তাহলে তো সূত্রমতে নারীদের ক্যান্সারও কমার কথা ছিলো। কিন্তু বাল্যবিবাহ কমলেও ক্যান্সার বাড়লে বোঝা যাচ্ছে, বাল্যবিবাহ ক্যান্সারের পেছনে দায়ী নয়, দায়ী অন্য কিছু, যা নারীদের মধ্যে ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অবশ্যই সেটা জন্মনিরোধীকরণ পিল, কিন্তু সেই বিষয়টি বিষ্ময়করভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে সবাই।
এখন কথা হলো-
ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকার কারণে হয় এসব জন্মনিরোধীকরণ পিল নিষিদ্ধ হোক
অথবা সিগেরেটের প্যাকেটের মত এসব পিলের প্যাকেটে বড় হরফে লেখা হোক-
“ সাবধান ! জন্মনিরোধীকরণ পিল ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ”।
ভারতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পেয়াজ নিয়ে বক্তব্য দেশের জন্য খুবই মানহানীকর। এন.সি- ১৩৯
ভারতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পেয়াজ নিয়ে বক্তব্য দেশের জন্য খুবই 
মানহানীকর

Related image
ভারতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পেয়াজ নিয়ে বক্তব্য দেশের জন্য খুবই মানহানীকর
গতকাল ভারতে সফররত শেখ হাসিনা পেয়াজ নিয়ে একটি বক্তব্য দিয়েছে।
মিডিয়ায় প্রচার-
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়, আর তাতে সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশ।....ভারত এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বাংলাদেশকে আগে জানালে, ঢাকা অন্য কোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ আনার ব্যবস্থা করে নিতো।”
ইংরেজিতে দেওয়া বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হঠাৎ হিন্দি ভাষায় বলতে শুরু করেন, “পেঁয়াজ মে থোড়া দিক্কত হো গিয়া হামারে লিয়ে। মুঝে মালুম নেহি, কিউ আপনে পেঁয়াজ বন্ধ কার দিয়া! ম্যায়নে কুক কো বোল দিয়া, আব সে খানা মে পেঁয়াজ বান্ধ কারদো (পেঁয়াজ নিয়ে একটু সমস্যায় পড়ে গেছি আমরা। আমি জানি না, কেনো আপনারা পেঁয়াজ বন্ধ করে দিলেন। আমি রাঁধুনিকে বলে দিয়েছি, এখন থেকে রান্নায় পেঁয়াজ বন্ধ করে দাও)।”
আমার কাছে শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্যও খুব নিচু দরের ও দেশের জন্য মানহানীকর মনে হয়েছে।
শেখ হাসিনা যেন প্রমাণ করতেই গিয়েছেন, আমরা ভারতের কাছে মুখাপেক্ষী, ভারত ছাড়া আমরা বাচি না।
প্রথমত শেখ হাসিনার বক্তব্য -
“রাধুনিকে বলে দিয়েছি এখন থেকে রান্নায় পেয়াজ বন্ধ করে দাও।”
শেখ হাসিনা এ বক্তব্য প্রমাণ করে, আমরা পেয়াজের ব্যাপারে পুরোপুরি ভারতের মুখাপেক্ষী।
কিন্তু এটা কখনই সত্য নয়। বাংলাদেশেও সরকারী হিসেবে এ বছরে পেয়াজের উৎপাদন ছিলো ২৬ লক্ষ টন, কিন্তু চাহিদা ছিলো ২৪ লক্ষ টন। সে হিসেবে দেশী পেয়াজ অতিরিক্ত ছিলো ২ লক্ষ টন। (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২৭শে আগস্ট, ২০১৯)
তাই ভারত পেয়াজ না দিয়ে রাধুনী রান্না পেয়াজ ব্যবহার করবে না, এটা অন্তত একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী, ভারতের অনুষ্ঠানে গিয়ে বলতে পারেন না।
দ্বিতীয়ত. শেখ হাসিনা বলেছে, নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আগে জানলে, অন্য দেশ থেকে আনা যেতো।
এটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ভারতে পেয়াজ নিয়ে যে সমস্যাটি হচ্ছে তা বানিজ্য মন্ত্রনালয় আগে থেকেই জানত এবং সে ব্যাপারে তারা ব্যবস্থাও নিয়েছিলো। এজন্য যে দিন ভারত রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়, তারপর দিন চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিশর ও চীন থেকে ৩ লক্ষ কেজি পেয়াজ এবং টেকনাফ দিয়ে মিয়ানমার থেকে ১৪ লক্ষ কেজি পেয়াজ প্রবেশ করে। সরকার যদি নাই জানতো, তবে একদিনের মধ্যে ১৭ লক্ষ কেজি পেয়াজ আসলো কিভাবে ?
এখানে বিষয়টি বুঝতে হবে,
বাংলাদেশে পেয়াজে স্বয়ং সম্পূর্ণ।
বাংলাদেশের বাজারে দেশী পেয়াজ নাই, এ কথা কখন কেউ বলতে পারবে না।
টাকা দিলেই মিলছে দেশী পেয়াজ। তাহলে সংকট কোথায় ?
সংকট বা ঝামেলা কোনটাই নেই। ঝামেলাটা হলো কোয়ালিটি নিয়ে।
বাংলাদেশের পেয়াজের কোয়ালিটি খুবই উচ্চমানের। ভারতীয় ২ কেজি পেয়াজ বাংলাদেশের ১ কেজি পেয়াজের সমতূল্য।
তাই নিচু কোয়ালিটির ভারতীয় পেয়াজ থেকে উচু কোয়ালিটির দেশী পেয়াজের দামটা বেড়ে যায়, এবং এটাই বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম।
বাজারে সাধারনত দুই পেয়াজের দামের পার্থক্য ৫ -১০ টাকার মত হয়।
কেউ যদি ৫ টাকা কমের জন্য ভারতীয় পেয়াজ নিতে চায়, সে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ কেজিতে ৫ টাকা বাচাতে গিয়ে সে অর্ধেক কোয়ালিটির পেয়াজ নিয়ে আসে। যা আসলে লস।
আর দেশী ও ভারতীয় পেয়াজের দামের যে পার্থক্যটা সেটার দোষও বাংলাদেশ সরকারের।
সরকারের উচিত ছিলো বিদেশী পেয়াজকে শুল্ক দিয়ে দেশী পেয়াজের মার্কেটটা ধরে রাখা।
কিন্তু সে বিদেশী পেয়াজকে সব সময় শুল্কমুক্ত করে রেখেছে।
কারণ সে দেখাতে চায়, বাংলাদেশে পেয়াজের ঘাটতি আছে। এখানে সরকারের বা তার দলীয় কোন অদৃশ্য স্বার্থ ( সম্ভবত টাকা পাচার) কাজ করে, যার কারণে ঘাপলা লাগিয়ে পেয়াজ আমদানি চালাতে থাকে।
অথচ এখন যেমন পেয়াজের মার্কেটে মজুতদারির বিরুদ্ধে যেভাবে অভিজান চলতেছে, সে রকম যদি সব সময় চলতো, তবে দেশী পেয়াজ কখনই অতিরিক্ত মূল্য হতে পারতো না। অতি কমমূল্যেই খাওয়া যেতো উন্নতমানের দেশী পেয়াজ। কিন্তু সরকার অদৃশ্য উদ্দেশ্যে ( সম্ভবত টাকা পাচার) সেটা করে না।
তবে মূল কথা হলো-
সরকারী কর্মকর্তাদের দাবী ছিলো সিন্ডিটেক, মজুতদারী বা গুজবের কারণে এক দিনে ৪০ টাকা পেয়াজের দাম বেড়েছে। কিন্তু সেটার জন্য ভারতে গিয়ে বলে আসা- তারা পেয়াজ না দিলে রাধুনী রান্নায় পেয়াজ দিতে পারবে না, এবং তাদের বুঝার জন্য হিন্দি ভাষায় সে কথা উচ্চারণ করা কখনই দেশের জন্য ভালো নয়, বরং মানহানীকর। একজন দেশপ্রধান কিছুতেই অন্য দেশের সামনে নিজের দেশের মান সম্মান এভাবে ডুবাতে পারেন না।
শেখ হাসিনা আজকে মোদির সাথে চূক্তি করেছে, ভারত ফেনী নদী থেকে দৈনিক প্রায় ৫০ লক্ষ লিটার পানি তুলে নিতে পারবে। এন.সি- ১৩৮
শেখ হাসিনা আজকে মোদির সাথে চূক্তি করেছে, ভারত ফেনী নদী থেকে দৈনিক প্রায় ৫০ লক্ষ লিটার পানি তুলে নিতে পারবে
Related image
শেখ হাসিনা আজকে মোদির সাথে চূক্তি করেছে, ভারত ফেনী নদী থেকে দৈনিক প্রায় ৫০ লক্ষ লিটার পানি তুলে নিতে পারবে
কথা হলো-
এতদিন ভারত ফেনী নদী থেকে অনুমতি ছাড়াই পানি উত্তোলন করে নিতো,
আজকে শেখ হাসিনা সেই অনুমতিবিহীন পানি উত্তোলনকে বৈধতা দিয়ে আসলো,
ফেনী নদী থেকে পানি তুললে বাংলাদেশের সমস্যা কি ?
১) ফেনীর নদীর পানি দিয়ে চলে দেশের অন্যতম বৃহত্তম মুহুরী সেচ প্রকল্প। যার উপর নির্ভর করে কয়েক লক্ষ হেক্টর ইরি ধানের জমি। ভারত ফেনী নদী থেকে পানি তুলে নিলে, শুষ্ক মৌসুমে মুহুরী সেচ প্রকল্পের বড় ধরনের সমস্যা হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে কয়েক লক্ষ হেক্টর ইরি ধানের জমি।
২) ফেনী নদীর পানির প্রবাহ কমে গেলে, শুষ্ক মৌসুমে সমুদ্র থেকে লবনাক্ত পানি প্রবেশ করবে, যা কৃষি সেক্টরে ভয়ঙ্কর ধরনের ক্ষতি ডেকে নিয়ে আসবে।
৩) ফেনী নদীকে ঘিরে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার মৎস্য খামার ও চিংড়ি ঘের। পানি সঙ্কটে এইসব খামার ধ্বংস হয়ে যাবে।
৪) ক্ষতিগ্রস্ত হবে ২০ থেকে ২২ হাজার জেলে পরিবার ।
উল্লেখ্য, ভারত এতদিন অনুমতি ছাড়াই লুকিয়ে লুকিয়ে পানি তুলে যাচ্ছিলো। তারা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে গোপন পাম্বের মাধ্যমে পানি তুলে ত্রিপুরার স্থানীয় ফসলী জমি গড়ে তুলছিলো। এই পানির পরিমাণ দৈনিক প্রায় ২৫ কোটি লিটার পর্যন্ত, যা শুষ্ক মৌসুমে ফেনী নদীর মোট পানি প্রবাহের প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি।
কথা হলো- সেই অবৈধ পানি উত্তোলনের সুরাহা না করে উল্টো তাদের পানি উত্তোলন বৈধ করতে শেখ হাসিনা আজকে যে চূক্তি সারলেন (খাবার পানির জন্য), তাতে এখন থেকে খাবার পানির প্রকল্পের নাম করেই প্রয়োজনীয় পানি নিয়ে যাবে ভারত, যার বিরুদ্ধে কিছু বলার সুযোগই থাকবে না। কারণ কে যাবে, পাম্ব দিয়ে কত কেজি পানি তুললো তার হিসেব রাখতে ? এতদিন চূক্তি ছাড়াই পানি তুলেছে, এখন তো চূক্তি হয়েছে, সমস্যা কোথায় ?
আসলে-
এতদিন ফারাক্কার পানি, তিস্তার পানি বন্ধ করে দেশের পশ্চিমাঞ্চলকে মরুকরণ করেছে, এখন নতুন করে দেশের পূর্বাঞ্চলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আগ্রাসী হাত বাড়ালো ভারত, যা বৈধভাবে করতে সুযোগ করে দিলো শেখ হাসিনা সরকার।
শেখ হাসিনার ইন্ডিয়া ইকোনোমিক সামিটে যোগদান : ফকির পাড়ায় ভিক্ষা -১ । এন.সি- ১৩৭
শেখ হাসিনার ইন্ডিয়া ইকোনোমিক সামিটে যোগদান : ফকির পাড়ায় 
ভিক্ষা -১

Related image
শেখ হাসিনার ইন্ডিয়া ইকোনোমিক সামিটে যোগদান : ফকির পাড়ায় ভিক্ষা -১
ছোটবেলায় একটা বাগধারা শুনেছিলাম, “ফকির পাড়ায় ভিক্ষা করতে যাস না”।
বাগধারার মর্মার্থ হলো- ফকিররা তো নিজেই ভিক্ষা করে, তুই যদি তাদের এলাকায় ভিক্ষা করতে যাস, তবে তোকে ভিক্ষা দেয়া তো দূরের কথা উল্টো ফকিররা তোর থেকে আরো টাকা বাগিয়ে নেবে।
সম্প্রতি শেখ হাসিনার ইন্ডিয়া ইকোনোমিক সামিটে যোগাদান আমার সেরকম মনে হয়েছে। মনে হয়েছে, এই ইন্ডিয়ান ইনোকোমিক সামিটে যোগ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশ কিছুই আনতে পারবে না, বরং দিয়ে আসবে।
এখানে একটা বিষয় না বললেই নয়, কথিত ইন্ডিয়ান ইনোনোমিক সামিটে বাংলাদেশে ছাড়া অন্য কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখলাম না। অর্থাৎ শেখ হাসিনাই বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের সর্বোচ্চ পদ মর্যাদার ব্যক্তি। ‍শুধু তাই না, এই কয়েকদিনের অনুষ্ঠানে খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকেও দেখলাম না, দেখলাম ভারতের বিভিন্ন স্টেটের মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে আমার অনেকটা বেমানান মনে হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী যেতে পারতো, কিন্তু শেখ হাসিনার এখানে যাওয়ার কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয়নি।
শেখ হাসিনা ভারতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে তৈরী হতে থাকা ইকোনোমিক জোনে ইনভেস্ট করার জন্য আহবান জানিয়েছে। কিছুদিন আগে মোদিকেও দেখলাম, বিদেশ ঘুড়ে ঘুড়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে করে বলছে, তাদের দেশে (ভারতে) তৈরী হওয়া স্পেশাল ইকোনোমিক জোনে যেন বৈদেশিক ব্যবসায়ীরা ইনভেস্ট করে (https://bit.ly/2Ox9i7N)। ভারত যেখানে নিজেই তাদের ইকোনোমিক জোনে ইনভেস্ট খুজতেছে, সেখানে শেখ হাসিনা সেই ভারতের দ্বারে ঘুড়তেছে ইনভেস্ট নেয়ার জন্য, আমার কাছে বিষয়টি ‘ফকির পাড়ায় ভিক্ষার মত মনে হয়েছে।
অনেকে হয়ত বলতে পারেন-
ভাই আপনি জানেন না, ভারত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মীর সরাইয়ে ইকোনোমিক জোনে যায়গা নিচ্ছে।
তাদের উত্তরে আমি বলবো- আমি জানি, আর আমার সেখানেই আপত্তি।
ভারত মীর সরাইয়ের যায়গা নিচ্ছে, সেটা তারা কত বছরের মধ্যে ইনভেস্ট করবে ?
কত বছরের মধ্যে কলকারখানা গড়বে ? কলকারখানা গড়লে কত বছরের মধ্যে সেটা আমাদের বেকারদের চাকুরী দেবে ? কত বেকার সেখানে চাকুরী পাবে ?
আমি নিশ্চিত, ভারত যদি মীর সরাইয়ে কিছু করেও সেটা ১০ বছরের আগে না (কমপ্লিট হবে না)।
এই যে ১০ বছর পর ভারত ইনভেস্ট করে বাংলাদেশের কিছু লোককে চাকুরী দিবে, এর জন্য আমরা ভারতের জন্য কি করতেছি, সেটা হিসেব করেন আগে-
১) মীর সরাইয়ে ৩৫ হাজার কৃষককে উচ্ছেদ করছি, ভারতের জন্য ইকোনোমিক জোন খালি করে দেয়ার জন্য। (https://bit.ly/2VkdgSj)
২) মীর সরাইয়কে ইকোনোমিক জোনের জন্য জায়গা প্রস্তুত করছে বেজা। বেজা সেখানে হাজার কোটি টাকা খরচ করতেছে, সেটা আমাদের বাজেট থেকে আসতেছে। আর সেই টাকাটা আমার-আপনার ট্যাক্সের টাকা থেকে কেটে নিচ্ছে, দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে সেখান থেকে কেটে নিচ্ছে। ভারত কিন্তু এই খরচের ১টাকাও দিচ্ছে না।
৩) ব্যবসায়ীদের আগমন হতে হলে আগে দেখাতে হবে আমরা বিদ্যুৎ সুবিধা তৈরী রেখেছি। বাংলাদেশে এখন বিদ্যুৎ চাহিদা ৯-১২ হাজার মেগাওয়াট, কিন্তু উৎপাদন ক্ষমতা করা হয়েছে ২০ হাজার মেগাওয়াট। প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ অতিরিক্ত প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিদেশী ব্যবসায়ীদের দেখানোর জন্য। কিন্তু সেটা এখন আমাদের দরকার নাই। অথচ সেই খরচ পোষাতে গিয়ে সরকারকে ট্যাক্স/মাসুল/ফি বাড়াতে হচ্ছে, জনগণের দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে।
৪) বিদেশী ব্যবসায়ীদের দেখাতে হবে আমাদের রাস্তাঘাট উন্নত, বন্দরগুলো উন্নত। এগুলো দেখানোর জন্য অতিরিক্ত খরচ করে সরকার বড় বড় রাস্তা করতেছে যা আমাদের আপাতত দরকার নাই। অথচ সেই খরচ ভারত দিচ্ছে না, আমাদের জনগণের পকেট থেকে কাটা হচ্ছে। এতে জনগণের দৈনন্দিন চাহিদা বেড়ে মাথায় উঠার অবস্থা।
৫) বিদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাপ্ত করতে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে বিদেশ থেকে। এর জন্য সরকারকে ভতুর্কি দিতে হবে বছরে প্রায় ৭২ হাজার কোটি টাকা। যা কেটে নেয়া হচ্ছে জনগণের দৈনন্দিন খরচ থেকে।
৬) ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে নৌ পথে ব্যবসা করতে গেলে রাজশাহীতে একটি নৌ বন্দর করতে হবে। সেই নৌ বন্দর করতে গেলে পদ্মা নদীতে খনন লাগবে। ভারত কিন্তু এখনও টাকা দেয় নাই, তার আগেই শেখ হাসিনা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে জনগণের টাকায় পদ্মায় খনন শুরু করে দিয়েছে। (https://bit.ly/2AJtmM3)
কথা হলো- ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ১০ বছর পর এসে আমাদের কি উপকার করবে, আদৌ কিরবে কি করবে না সেটা নিয়ে চিন্তা দরকার আছে। কিন্তু তাদের আসার গ্রাউন্ড তৈরীর নামে জনগণের পকেটের টাকা যেভাবে লুটপাট হচ্ছে তা খুব কঠিন বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ ইনকাম করতেছে, কিন্তু দিনশেষে টাকা থাকতেছে না, কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
প্রশ্নের বিষয় হলো- জনগণের উপর অতিরিক্ত খরচের যে স্টিমরোলার চালানো হচ্ছে, তা যদি ১০ বছর অব্যাহত থাকে, তবে যে পরিমাণ ক্ষতি হবে, ১০ বছর কিছু ভারতীয় কল-কারখানা বাংলাদেশে এসে জনগণকে কিছু চাকুরী দিলে সেই ক্ষতি পোষাবে কি না, নিজেই আগে থেকে হিসেব কষে দেখুন।
(চলবে)
ক্যাসিনোকাণ্ড আর পেয়াজকাণ্ডের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে ? এন.সি- ১৩৬
ক্যাসিনোকাণ্ড আর পেয়াজকাণ্ডের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে ?

Related image
ক্যাসিনোকাণ্ড আর পেয়াজকাণ্ডের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে ?
এবার পেয়াজকাণ্ডের পর আমি বলেছিলাম, এবারের পেয়াজকাণ্ড খুবই সন্দেহজনক এবং এর সাথে ক্যাসিনোকাণ্ড ও টাকা পাচারের সম্পর্ক থাকতে পারে।
মানে ক্যাসিনোকাণ্ডের পর একটি মহলের প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকা পাচারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে যায়, যার জন্যে পেয়াজকাণ্ডের মত একটি উপলক্ষ্য দরকার ছিলো। আর সেক্ষেত্রে ভারতের পেয়াজ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ছিলো তাদের জন্য মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মত। যার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে প্রচুর প্যানিক তৈরী করা যায়, আর তার অজুহাতে ব্যাপক হারে কোন পণ্য জবাবদিহিতা ছাড়া আমদানি করার উপলক্ষ তৈরী হয়। আর পেয়াজ আমদানি যেহেতু শুল্কমুক্ত, তাই সন্দেহটা অনেক বেশি।
আজকে দৈনিক ইত্তেফাক এক খবরে বলছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিজান শুরুর দুইদিন পর দুই পিকআপে ঢাকা থেকে টাকা গেছে চট্টগ্রামের দিকে (গোয়েন্দাদের কাছে ২ পিকআপের খবর আছে, আরো পিকআপ থাকতে পারে)। (https://bit.ly/2LPX3kU)
এখন দেখতে হবে, চট্টগ্রাম বন্দর বা টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে কোন পণ্য ব্যাপকহারে বাংলাদেশে ঢুকেছে।
নিঃসন্দেহে সেটা পেয়াজ।
গত কয়েক সপ্তাহে মায়ানমার থেকে শুধু টেননাফ স্থল বন্দর দিয়ে ঢুকেছে ৩৫ লক্ষ কেজি পেয়াজ।
(https://bit.ly/2VgZTlS)
আর ১ দিনে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ঢুকেছে ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার কেজি পেয়াজ। (https://bit.ly/2AGqake)
এখন আসলে ২টা জিনিস দেখার আছে-
১) কাগজপত্রে দেখতে হবে যে পেয়াজ আসছে তার কেজি কত করে ?
সরকারের দাবীকৃত ৪২-৪৩ টাকা, নাকি ১০০০ টাকা কেজি।
২) কাগজপত্রে যে পরিমাণ পেয়াজ ঢুকেছে, বাস্তবেই কি সে পরিমাণ পেয়াজ এসেছে ?
নাকি ৩৫ লক্ষ কেজি পেয়াজের কথা বলে সাড়ে ৩ লক্ষ কেজি পেয়াজ ঢুকেছে।
এ্ হিসেবটা যে প্রকাশ করেছে, তাা কতটুকু সত্য ?
এই দুইটা বিষয়ে যদি গড়মিল পাওয়া যায়, তবে বুঝতে হবে টাকা পাচার হয়ে গেছে।
অর্থাৎ বেশি দাম ধরে টাকা পাচার হয়েছে,
অথবা দাম ঠিক আছে, কিন্তু পণ্য কম আসার মাধ্যমে টাকা পাচার হয়েছে।
[পাচারের এই বিষয়টি বুঝতে হলে আপনি যদি কোন দোকানে কিছু ক্রয় করেন, তখন আপনি ক্যাশ মেমো চাইলে তারা বলে ক্যাশ মেমোতে কত দাম লিখবো, তা জিজ্ঞেস করে এবং আপনার পছন্দসই দাম লিখে দেয়। এভাবে বিভিন্ন কোম্পানির পারচেজে প্রচুর পরিমাণ টাকা লোপাট হয়। এটা যে বুঝবে, সে আমদানি রফতানির মাধ্যমে টাকা পাচারের বিষয়টিও বুঝবে।]
যাই হোক- যারা ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত, তারা অবশ্যই ভালো লোক হবে না।
এবং তারা বাংলাদেশে ইয়াবা বা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে পারে।
এ কারণে তারা অন্য কোন দেশের তুলনায় মায়ানমারকে বেছে নিতে পারে আমদানি’র জন্য।
কারণ মায়ানমার হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাদক কেন্দ্র বা গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের অংশ।
এবং সেখান থেকেই বাংলাদেশে ইয়াবা আসে।
বাংলাদেশ থেকে তাই টাকা পাচার করে মায়ানামার নিতে পারলে তাদের মাদকের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হওয়া সোজা অথবা এর মাধ্যমে মাদকের কোন বিলও পরিশোধ করা হতে পারে।
একারণে মায়ানমার থেকে কয়েক সপ্তাহে কাগজ কলমে ৩৫ লক্ষ কেজি পেয়াজ এসেছে তা খুবই সন্দেহজনক।
শেখ হাসিনা কালকে রাতে ভারত থেকে ফিরেছে। এন.সি- ১৩৫
শেখ হাসিনা কালকে রাতে ভারত থেকে ফিরেছে।

October 7, 2019
Related image
শেখ হাসিনা কালকে রাতে ভারত থেকে ফিরেছে।
আজকে দুপুরেই সে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়েছে পূজায় অংশগ্রহণ করতে। সময় কাটিয়েছে কয়েক ঘণ্টা। সেখানে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেছে, আমি শুধু পূজার জন্য এত দ্রুত দেশে ফিরেছি। (https://bit.ly/2pUzRtd)
কথা হলো- শেখ হাসিনা দেশে আছে, পূজার মণ্ডপে গিয়ে হিন্দুদের সাথে এত এত কথা বলতেছে, এত সময় ব্যয় করতেছে। কিন্তু যে আবরার হত্যা নিয়ে পুরো দেশ তোলপাড় হচ্ছে, সেটা নিয়ে মুখ বন্ধ করে আছে কেন ? তবে কি জনগণ ভাববে- এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে তার সমর্থন আছে ?
আরেকটা বিষয় আমি বুঝলাম না, এত এত পুলিশ অফিসার থাকতে, বুয়েটে বিশেষ ধর্মের অনুসারি কৃষ্ণপদ রায়কে কেন পাঠানো হলো ? আর কৃষ্ণপদ যদি যায়ও, তবে সিসিটিভি ফুটেজ দিয়ে তার কেন এত গরিমসি ? কেন ২০ মিনিটের ফুটেজ এডিট করে ২ মিনিটের ফুটেজ ছাত্রদের হাতে দিচ্ছে কৃষ্ণপদ ? কেন শত শত বুয়েটিয়ানের আন্দোলনের পরেও পুরো ২০ মিনিটের ভিডিওটা দিচ্ছে না ?
আমি কোথা থেকে যেন একবার শুনেছিলাম-
শেখ হাসিনা ভারত সরকারের কাছে দেশকে হস্তান্তর করবে, আর বিজেপী কর্মীরা তাকে একমাত্র সমর্থন ও নিরাপত্তা দিয়ে টিকিয়ে রাখবে। ভারতের মত বাংলাদেশেও উগ্রহিন্দুত্ববাদ কায়েম করবে। ভারতে যেভাবে মুসলমান মারছে, বাংলাদেশেও সেভাবে মারবে। আর শেখ হাসিনা হবে শুধু ভারতের পুতুল সরকার, আর কিছু না।
যদিও আমি শোনা কথা বিশ্বাস করতে চাই না, কিন্তু কেন যেন সেই শোনা কথাই মাঝে মাঝে সত্য হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়।