বৃহস্পতিবার মোদি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে আদর করে বললো- এন.সি-২২৬

বৃহস্পতিবার মোদি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে আদর করে বললো-
বৃহস্পতিবার মোদি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে আদর করে বললো-
১) বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রোল মডেল,
২) বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে কোন গোষ্ঠী যেন ভারতের ক্ষতি করতে না পারে সে লক্ষে হাসিনার গৃহীত নীতির ভূয়সী প্রশংসার প্রাপ্য। (https://bit.ly/2ZPYa8x)
Related imageপরদিন শুক্রবার র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির বললো-
১) কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটি আমাদের সমস্যা বা বিষয়ও নয়।
২) এ বিষয় নিয়ে দেশে অনাকাঙ্খিতভাবে, অযাচিতভাবে ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
(https://bit.ly/2YE4Wlx)
দুটি ঘটনা মিলালে বোঝা যায়-
মোদি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মোখিক সমঝোতা করে বলেছে-
“আমরা তোমাদের প্রিয়া সাহা ইস্যুতে কিছু বলবো না, তোমাদের দেশেরও কেউ যেন কাশ্মীর ইস্যুতে কিছু না বলে বা করে সেটাও তোমরা খেয়াল রাখবে। প্রিয়া সাহা তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, কাশ্মীর আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”
পরদিন তাই মোদির দিক নির্দেশনা অনুসারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকা র‌্যাবের ডিজি মোদির সুরেই কথা বললো।
এ ঘটনা থেকে ক্যালকুলেশন করে আরো কিছু জিনিস বের করা যায়-
ক) বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ‘কাশ্মীর আযাদি আন্দোলন’ মোদিকে ভীত করেছে।
খ) বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এ ধরনের ‘সমঝোতা করতে চাওয়া’ মোদির নিচু/নরম হওয়ার লক্ষণ। তবে মোদি নিচু হলেও হাসিনা সরকারের স্বাভাবিক আচরণ অধিক আজ্ঞাবহতা প্রকাশ করা।
গ) মোদির এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য একেবারে হতাশাজনক। কারণ বাংলাদেশের হিন্দুরা মোদিকে অনেক বড় কিছু বা ত্রাণকর্তা মনে করলেও মোদি তাদেরকে ২ টাকা দিয়েও গোনায় ধরে না। বরং মোদির নিজের স্বার্থে বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে সে যেখানে সেখানে বিক্রি করতে পারে।
ঘ) হাসিনা সরকারের জন্য প্রিয়া সাহা’র সাথে কাশ্মীর ইস্যু মিলানো ঠিক হলো কি না ? কারণ-কাশ্মীরের স্বাধীনতা একটি যৌক্তিক বিষয়, অপরদিকে প্রিয়া সাহার বক্তব্য যে মিথ্যা সেটা ‘৩ কোটি ৭০ লক্ষ গুম’ হওয়ার তথ্যই বলে দেয়। এক্ষেত্রে সরকার দুটি বিষয় একই মাপকাঠিতে মেপে “প্রিয়া সাহা’র মিথ্যা বক্তব্যকে সত্য রূপ দিলো কি না ?
ঙ) প্রিয়া সাহা’র ঘটনার পর ভারতের সাধারণ হিন্দুরা তার পক্ষে গরম বক্তব্য দিয়েছে। অপরদিকে কাশ্মীরের ঘটনার পর বাংলাদেশের সাধারণ জনতা কাশ্মীরীদের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে।
এই সমঝোতা তখনই সমান সমান হতো, যদি “প্রিয়া সাহার পক্ষে ভারতে যে কথা বলবে- মোদি সরকার তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিবে”- ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় যদি এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতো তখন। কিন্তু আওয়ামী সরকার সমঝোতা করলো শুধু মোদির একপক্ষীয় মুখের কথায়।
লক্ষণীয়- মোদির মুখের কথা যখন বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের উপর আইন হিসেবে চাপিয়ে দেয়া হয়, তখন বিষয়টি-
---বাংলাদেশের আওয়ামী সরকারের জিরো ওজনের কূটনীতি এবং
-- কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রাদেশিক সরকারের মত আনুগত্যতা প্রদর্শণ নির্দেশ করে।