বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা। এন.সি-২৩৭
বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর 
খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা

বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা
Related imageগতকাল (৩রা আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানীর নিকটে ধামরাইয়ে একটি ভোজ্যতেল তৈরীর কারখানায় অভিজান চালিয়ে র‌্যাব ৩ হাজার মেট্রিক টন শুকরের মাংশ, হাড়, চর্বি জব্দ করে। ঐ প্রতিষ্ঠানটি শুকরের মাংশ দিয়ে ভোজ্য সয়াবিন তেল, মাছ-মুরগীর ফিড তৈরী করছিলো। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিজান চালিয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন শুকরের চর্বি, মাংস ও হাড় আমদানির চালান ফরম জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির নাম কেবিসি এগ্রো (প্রাঃ) লিমিটেড, তারা হেলথ কেয়ার নামক সয়াবিন তেল, রাইস ব্যান ওয়েল ও মাছ মুরগীর ফিড তৈরী করতো।
কেবিসি এগ্রো (প্রাঃ) লিমিটেড নামক কোম্পানির মালিকের নাম ‘রাজকুমার আগরওয়াল’, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নাম সুধীর চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপকের নাম তাপস দেবনাথ। ‘রাজকুমার আগরওয়াল’ লোকটা ভারতীয় ব্যবসায়ী। পশ্চিমবঙ্গে তার ‘বনসল অয়েল’ নামক একটি ভোজ্যতেল কোম্পানি ছিলো, যা কয়েক বছর আগে আর্থিক দৈন্যতায় বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশে উত্তরবঙ্গে ‘রাজকুমার আগরওয়াল এন্ড কোং – এর নাম শোনা যায়।
উল্লেখ্য ভারতীয় ব্যবসায়ী রাজকুমার আগরওয়াল ঢাকার পার্শ্ববর্তী ধামরাইয়ে বেশ কয়েক বছর আগে প্রায় ৪ একর যায়গার উপর এই কেবিসি এগ্রো নামক ফ্যাক্টরি তৈরী করে। ফ্যাক্টরির দৈনিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১০০ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল।
পাঠক ! লক্ষ্য করুণ-
ধামরাইয়ে কেবিসি এগ্রো থেকে জব্দ হয়েছে ৩ হাজার মেট্রিক টন শুকরের মাংশ, হাড় ও চর্বি। পরিমাণটা বুঝতে পারছেন ?
একটা বড় ট্রাকে যদি ৫ মেট্রিক টন আটে, তবে ৩ হাজার টন মানে ৬০০ ট্রাক শুকরের মাংশ, চর্বি ও হাড় রেডি রাখা হয়েছিলো এসব খাদ্য বানানোর জন্য।
এছাড়া পূর্বের চালান উদ্ধার করা হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন শুকরের চর্বি, মাংস ও হাড় আমদানির হিসেব। ট্রাক দিয়ে হিসেব করলে যার পরিমাণ দাড়ায় ৬০ হাজার ট্রাক শুকর পণ্য। যা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মুসলমানরা খাদ্যের মাধ্যমে সাবার করে ফেলেছে !
যাই হোক, স্ট্যাটাসের শেষে একটা কথা বলতে চাই।
কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট ও শাহজালাল ভার্সিটিতে পৃথক ঘটনায় হিন্দুদের বিরিয়ানীর মধ্যে গরুর মাংশ দেয়ায় হিন্দুরা তীব্র প্রতিবাদ জানায়। যে ক্যান্টিন থেকে খাবার দেয়া হয়েছিলো তার মালিককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠায়। আমার কথা হলো- মুসলমানরা হিন্দুদের ২ টুকরা গরুর মাংশ খাওয়ালে যদি হিন্দুরা এত প্রতিবাদ করতে পারে, তবে হিন্দুরা যে মুসলমানদের খাবারের মধ্যে ৬০ হাজার ট্রাক শুকর মাংশ-হাড়-চর্বি ঢুকায় দিছে, তার প্রতিবাদ কি মুসলমানরা করবে ??
আরেকটিক কথা, অন্য ধর্মের লোকরা মুসলমানদের কোন খাবার দিলে তারা গোগ্রাসে গিলে ফেলে, ভাবে- আহারে কত ভালো মানুষ।
কিন্তু সেই খাবারের মধ্যে কি লুকিয়ে আছে সেটা বিচার করে না। এক রাজকুমার আগারওয়াল যদি বাংলাদেশের মুসলমানদের ৬০ হাজার ট্রাক শুকর খাওয়াতে পারে, তবে বাকি সব অমুসলিম মুসলমানদের কি খাওয়াবে, তার হিসেব মুসলমানরাই করে দেখুক।
Image may contain: one or more people and text
আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ? এন.সি-২৩৬
আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে 
বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ?

আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ?
Image result for জাহাজঅনেকভাবে চিন্তা করলাম, দু’টি কারণ হতে পারে। প্রথমটির সম্ভবনা জোড়ালো, দ্বিতীয়টি জোড়ালো না হলেও হতে পারে-
প্রথম কারণ:
বাংলাদেশের হিন্দুদের ঢাকা এয়ারপোর্ট এভয়েড করানো। বাংলাদেশের যেসব হিন্দুরা বিমান চলাচলে অভ্যস্ত, তারা ঢাকা এয়ারপোর্টের মাধ্যমে যাতায়াতে নিজেদের গোপনিয়তার লঙ্ঘন বলে মনে করছে। হয়ত তারা এমন জিনিস বহন করছে, যা ঢাকা এয়ারপোর্টের মাধ্যম হয়ে গেলে একদিন না একদিন ফাঁস হয়ে যেতে যেতে পারে। যেমন ধরুন, কয়েকদিন আগে কারাগারের প্রিজন পার্থ গোপাল বণিক গ্রেফতার হলো টাকার বস্তা নিয়ে। তার সম্পর্কে পাওয়া তথ্য বলছে তার দৈনিক ইনকাম ছিলো ১০ লক্ষ টাকা। এরকম লক্ষ লক্ষ হিন্দু আছে, যারা বাংলাদেশকে বিভিন্ন সেক্টরে চুষে দৈনিক লক্ষ কোটি টাকা ইনকাম করছে। এরা সাধারণত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা রাখে না কিংবা কোন সম্পদও ক্রয় করে না। এরা ঘরের ভেতর বস্তায় ভরে টাকা রাখে এবং যেহেতু তারা বাংলাদেশকে সেকেন্ড হোম ভাবে, ভারতকে ভাবে ফার্স্ট হোম, সেহেতু তারা টাকার বস্তাটা কোন ভাবে ভারতে নিয়ে যেতে যায়। এতদিন হয়ত কোন না কোন সিস্টেম করে চলে এসেছে, কিন্তু অতি সম্প্রতি দুদকের নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সরকারের সাথে উগ্রহিন্দুদের দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকায়, তারা অনুভব করছে, হয়ত অদূর ভবিষ্যতে তাদের ভারত যাওয়ার উপর বিশেষ নজরদারি হতে পারে। আর এতেই ফাঁস হয়ে যেতে পারে বড় ধরনের টাকা পাচারের ঘটনা। এ বিষয়গুলো এড়ানোর জন্য তারা দেশের মধ্যে তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে একটা বিমান বন্দর চায়, যার মাধ্যমে কোন বাধা ছাড়াই তারা ভারতের উদ্দেশ্যে ‘টেক অফ’ করতে পারে।
দ্বিতীয় কারণ (হতেও পারে):
বিমানবন্দরের যায়গা চাওয়া হয়েছে আগরতলার সীমান্ত ঘেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। ঐ এলাকার আশেপাশে অনেকগুলো গ্যাসফিল্ড আছে। তিতাসগ্যাস ফিল্ড, সাহজিবাজার গ্যাস ফিল্ড, হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড। ঐ গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকেই দেশের গ্যাসের একটা বড় অংশ সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমানা ঘেষে এমন আরো স্থান থাকতে পারে, যেখানে বড় ধরনের গ্যাস মজুদ থাকতে পারেবলে ভারতের কাছে খবর আছে। দেখা যাবে, ভারত বাংলাদেশের ভেতর সেরকম কোন স্থান পছন্দ করেছে, যার নিচে আছে বড় গাসের মজুদ। ঐ স্থানে বিমানবন্দর হলে সেই গ্যাস মজুদের স্থানটি এমনিতেই ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।
এ দুটি কারণ ছাড়া আরো যদি কোন কারণ থাকতে পারে বলে আপনাদের কাছে মনে হয়, তবে কমেন্টে লিখতে পারেন।