আমি যখন কোন ক্রিকেট খেলা দেখি, তখন খেলার ধরন দেখে বোঝার চেষ্টা করি, খেলাটা কি পাতানো নাকি অন্যকিছু।এন.সি-২৭৪
আমি যখন কোন ক্রিকেট খেলা দেখি, তখন খেলার ধরন দেখে বোঝার চেষ্টা করি, খেলাটা কি পাতানো নাকি অন্যকিছু।
Image result for মরুভূমিআমি যখন কোন ক্রিকেট খেলা দেখি, তখন খেলার ধরন দেখে বোঝার চেষ্টা করি, খেলাটা কি পাতানো নাকি অন্যকিছু।
যখন কোন খেলা বড় ব্যবধানে জয়-বিজয় নির্ধারিত হয়, তখন আমার কাছে খেলাটা পাতানো মনে হয় না,
কিন্তু যখন খেলাটা খুব উত্তেজনাকর হয়, তখন আমার কাছে খেলাটা পাতানো হওয়ার সম্ভবনা আছে বলে মনে হয়।
আমার মতে, সাধারণ মানুষের ক্রিকেট খেলা আর প্রফেশনাল ক্রিকেট খেলায় পার্থক্য এখানে।
প্রফেশনালদের কাছে ক্রিকেট খেলাটা হলো নাটকের মত, তারা ইচ্ছা করলে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা তৈরী করে দর্শকদের আনন্দ দিতে পারে। আর তখনই দর্শকরা বেশি ধোকা খায়।
আপনারা বিশ্বাস করুন, আর না করুন,
এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা দেখে আমার কাছে পাতানো মনে হয়েছে।
শুধু ফাইনাল নয়, ইংল্যান্ডকে ঘুড়িয়ে পেচিয়ে ফাইনাল পর্যন্ত আনার বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে, মনে হয়েছে ইংল্যান্ডকে ইচ্ছা করে কিছু হারিয়ে, আবার খেলায় ফিরিয়ে আনা হলো।
আর ফাইনাল হওয়ার পর আমার বিশ্বাস আরো র্দঢ় হয়েছে।
ফাইনাল খেলা দেখার পর, আমি বিষয়টি প্রায় ২-৩ ঘন্টা চিন্তা করেছি,
ইংল্যান্ডকে কেন জেতানো হলো, এর হিসেব মেলানোর চেষ্টা করেছি।
কোন ক্যালকুশেন নয়, আমার সিক্সথ সেন্স ঐ সময় উত্তর দিয়েছে, “এই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিমে এমন কেউ আছে, যাকে এই বিশ্বকাপের মধ্যদিয়ে হাইলাইট করা উদ্দেশ্য।”
এরপর চিন্তা করেছি- সেই ব্যক্তিটা কে হতে ?
কিছু ক্রাইটেরিয়া দিয়ে চিন্তা করেছি, যার নাম এসেছে সে ছিলো বেন স্টোকস।
ফাইনাল খেলার পর যখন আমার মাথায় এ চিন্তাগুলো আসছে, তখন আমি বেন স্টোকস নিয়ে অনেক সার্চ দিলাম। তাকে উদ্দেশ্য করেই কিছু ক্রাইটেরিয়ার পক্ষে যুক্তি পাওয়া যায়, আবার কিছু যুক্তির দলিল পাই না।
সব কিছুর দলিল না পেয়ে, ঐ দিনের পর আমি আপাতত সেখানে সময় ব্যয় বাদ দেই।
কিন্তু আজকে যখন দেখলাম, ব্রিটেনের দুইজন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী বলেছে, বেন স্টোকসকে তারা নাইটহুড উপাধি দিতে চায়, তখন আমার হাইপোথিসস কিছুটা হলেও হালে পানি পায়।
আমার চিন্তা হলো-
১. বেন স্টোকস আগে থেকেই সম্রাজ্যবাদীদের কোন হাতিয়ার।
২. বেন স্টোকস হয়ত আগে থেকেই খেলা জগতে পরিচিত, কিন্তু এবারের বিশ্বকাপের ঘটনা ঘটিয়ে তাকে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে হাইলাইট করা হলো।
৩. বেন স্টোকসকে সম্রাজ্যবাদীরা পরবর্তীতে বিভিন্ন (বিশেষ করে রাজনৈতিক) স্বার্থে ব্যবহার করবে।
খবরের সূত্র: https://bit.ly/2YU0c77
 গতকাল থেকে ফেসবুকে একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইসকন নামক একটি সংগঠনের। এন.সি-২৭৩

গতকাল থেকে ফেসবুকে একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইসকন নামক একটি সংগঠনের
Image result for মরুভূমি
গতকাল থেকে ফেসবুকে একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইসকন নামক একটি সংগঠনের কিছু সদস্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে বিভিন্ন ধর্মের বাচ্চাদের মাঝে তাদের ইসকনের খাবার বিলি করতেছে এবং বাচ্চাদের মুখ দিয়ে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে হরে” শ্লোগান উচ্চারণ করিয়ে তা ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। (https://youtu.be/8z6WQdQ5x08)
একজন শিশু অবুঝ, স্বাভাবিকভাবে তার নিজস্ব কোন বিচার বিবেচনা থাকে না। এ অবস্থায় সেই শিশুকে খাবারের লোভ দেখিয়ে অবুঝ মুখ দিয়ে ভিন্ন ধর্মীয় শ্লোগান গাওয়ানো এবং সেই শ্লোগান রেকর্ড করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া একটি নিকৃষ্ট কাজ বলে আমি মনে করি।
আপনাদের মনে থাকার কথা,
১. ২০১৬ সালে সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হিন্দু ছাত্র ক্যান্টিনে মাছের ঝোল চাইলে তাকে গরুর মাংশের ঝোল দিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ক্যান্টিন মালিককে বেড়ধর পেটায় ঐ হিন্দু ছাত্র। (https://bit.ly/2SiXYvH)
২. ২০১৬ সালে বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের একটি অনুষ্ঠানে খাসির মাংশের বিরিয়ানীর বদলে গরুর মাংশের বিরিয়ানী দেয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে তুমুল হট্টগোল হয় এবং পুরো অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। (https://bit.ly/2YWetQV)
৩. ২০১৭ সালে সেক্যুলার (!) অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখে সেক্যুলার (!) বিদ্যাপিঠ চারুকলার ক্যান্টিনের তেহারিতে গরুর মাংশ দেয়া হয়েছে এমন দাবী করে ক্যান্টিন ভাংচুর করা হয়। (https://bbc.in/2xTcJvG)
প্রতিক্ষেত্রেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অভিযোগ তাদের অগোচরে তাদের দিয়ে অন্য ধর্মের কাজ করানোয় তারা ভাংচুর করেছে, আইন নিজের হাতে তুলে মারপিট পর্যন্ত করেছে।
কথা হলো, প্রাপ্ত বয়ষ্ক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের দিয়ে অগোচরে গরুর মাংশ খাওয়ালে যদি অপরাধ হয়, তবে শিশু বাচ্চাদের খাবরের লোভ দেখিয়ে হরে কৃষ্ণ শ্লোগান দেয়ানো এবং সেই গ্লোগান ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া কতটুকু আইনসিদ্ধ হবে ?
আপনারা জানেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক ধর্মের শিশুকে অন্যধর্মের কাজ করানো সম্পূর্ণ রুপে আইনবিরুদ্ধ, সেখানে চট্টগ্রামে যে স্কুলগুলো এ ঘটনা ঘটেছে, তাদের প্রত্যেক হেডমাস্টারকে আইন অনুযায়ী অপরাধী বলে গণ্য করা যায়।
পাশাপাশি, আমি ব্যক্তিগতভাবে ‘ইসকন’ নামক সংগঠনটি সম্পর্কে সন্দিহান, আসলেই এ সংগঠনটি হিন্দুদের কোন সংগঠন, নাকি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ইনফিলট্রেট করা অন্যধর্মের কোন সংগঠন তা যাচাই করা উচিত, বিশেষ করে সংগঠনটির প্রধান যখন খ্রিস্টান চার্চ থেকে লেখাপড়া করে আসা ব্যক্তি হয়, তখন যুক্তি অনুসারে সেটি হিন্দু ধর্মের সংগঠন হয় কিভাবে ? তাছাড়া সারা বাংলাদেশে সনাতন হিন্দুদের মন্দিরগুলো দখল করে ইসকনী (অনেকে বলে ডিসকনী) মন্দির বানানোর যে প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে তা সনাতন হিন্দুদের অস্তিত্ব ধ্বংষের ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি।
একইসাথে, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীকে আমি বলবো, পাশ্ববর্তী ভারতে যখন ‘জয় শ্রী রাম’ শ্লোগান মুসলমানের মুখ দিয়ে উচ্চারণ নিয়ে নিত্তনৈমত্তিক মুসলমান হত্যা করা হচ্ছে, ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশের মুসলিম শিশুদের মুখ দিয়ে ‘হরে কৃষ্ণ’ শ্লোগান বের করে সেটা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়াটা আমার কাছে চরম দূরভিসন্ধিমূলক মনে হয়। ভারতের চলমান সাম্প্রদায়িক পরিবেশ বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার কোন প্ল্যান ইসকন নামক সংগঠনটির আছে কি না, তা জরুরী ভিত্তিকে খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
পড়তে পারেন-
ইসকন : আসল পরিচয় কি ? - https://bit.ly/2O01YCW
জেমস বন্ড থেকে নয়ন বন্ড, মিডিয়ার দায় কতটুকু ?এন.সি- ২৭২
জেমস বন্ড থেকে নয়ন বন্ড, মিডিয়ার 
দায় কতটুকু ?

জেমস বন্ড থেকে নয়ন বন্ড, মিডিয়ার দায় কতটুকু ?
Image result for মরুভূমিনয়ন বন্ড জেমস বন্ডকে কতটুকু অনুসরণ করতো সেটা তার নামের শেষে ‘বন্ড’ শব্দখানা যোগ করা দেখে বোঝা যায়। শুধু বন্ড যোগ করে নয়, ফেসবুকে যে গ্রুপ নয়ন খুলেছিলো তার নাম ছিলো ০০৭, অর্থাৎ জেমসবন্ডের সেই ০০৭। জেমস বন্ড যেভাবে গোলাগুলি বা মারামারি করতো, নিঃসন্দেহে নয়ন বন্ড সেটা বেপরোয়াভাবে অনুসরণ করতো। আমার যতদূর মনে পড়ে, জেমস বন্ডের সাথে সব সময় কিছু সুন্দরী মেয়ে থাকতো। সম্ভবত নয়ন বন্ড মিন্নিকে ভাবতো সেই জেমসের বন্ডের সুন্দরী মেয়ের প্রতিচ্ছবি। জেমস বন্ডের সাথে নতুন সিরিজে হয়ত নতুন নতুন মেয়ে থাকতো, কিন্তু নয়ন বন্ড এত সুন্দরী মেয়ে পাবে কোথায় ? তাই হয়ত যক্ষের ধনের মত মিন্নিকে আকড়ে ধরে থাকতে চাইতো। সেই বন্ডের সুন্দরীকে নিয়ে যখন রিফাত টানাটানি শুরু করলো, তখন নয়ন থেমে থাকবে কেন ?
আমরা নয়নের কর্মের উপর অনেকে দোষ চাপাচ্ছি, কিন্তু মিডিয়াতে যেই জেমস বন্ড দেখে নয়নরা অনুপ্রাণিত, সেটা কেন এড়িয়ে যাচ্ছি ? নয়ন বন্ড নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ নিয়ে কি আমরা বলতে পারি না, মিডিয়া আমাদের মন মগজে অপরাধ প্রবণতা ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
মিডিয়া কিভাবে মানুষকে অপকর্মের দিকে প্ররোচিত করতে পারে, এর একটি বড় উদাহরণ হতে পারে ভারতীয় মিডিয়ায় প্রচারিত ‘ক্রাইম পেট্রল’ টাইপের অনুষ্ঠান। ভারতীয় মিডিয়ায় প্রচারিত ক্রাইম পেট্রল অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে কি প্রভাব রাখছে আসুন দেখি-
১)রাজশাহীতে ভারতীয় সিরিয়াল ক্রাইম পেট্রল দেখে জোড়া খুন
(https://bit.ly/2Y8v6eN)
২) মাদারিপুরে ভারতীয় ক্রাইম পেট্রল দেখে নিজ কন্যা ধর্ষণ করলো পিতা
(https://bit.ly/2xTscMw)
৩) কেরানীগঞ্জে ক্রাইম পেট্রল দেখে অটোরিকশা ছিনতাই ও চালক খুন
(https://bit.ly/2YRNXbj)
৪) ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় ভারতীয় ক্রাইম পেট্রল দেখে খুনের পদ্ধতি রপ্ত করে স্ত্রীকে হত্যা।
(https://bit.ly/2YgHdqA)
৫) পিরোজপুরে ক্রাইম পেট্রল দেখে স্কুল ছাত্রকে হত্যা ও চাদা দাবী
(https://bit.ly/2xTcP6y)
৬) চট্টগ্রামে ভারতীয় সিরিয়াল ক্রাইম পেট্রল দেখে ভাবীকে খুন।
(https://bit.ly/2NVtiSv)
অর্থাৎ অপরাধের কৌশলসহ সবিস্তারে বর্ণনা মিডিয়ায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে, আর সেটা ভাইরাসের মত ছড়িয়ে যত্রতত্র আরো অপরাধের জন্ম দিচ্ছে।
আবার বাংলাদেশের এফএম রেডিওতে একটি অনুষ্ঠান হয়, নাম ‘যাহা বলিব সত্য বলিব’। এই অনুষ্ঠানে কে কিভাবে অপরাধ করলো, অপকর্ম করলো তার সবিস্তারে বর্ণনা থাকে। আমার মনে হয়েছে, এই অনুষ্ঠানগুলোও বহু মানুষকে অপরাধের দিকে প্ররোচিত করবে।
এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম ইসলামে খুব ভালো একটা থিউরী আছে, সেটা হলো গোপন অপরাধের বিষয়গুলো গোপন রাখা। প্রকাশ্যে না বলা।
এক্ষেত্রে হয়ত অনেকে বলবেন, ভাই এগুলোর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হয়, তাছাড়া সব অনুষ্ঠানে বলে দেয়া হয়, এগুলো যেন মানুষ অনুসরণ না করে।
এক্ষেত্রে ছোটবেলায় টিভিতে রেসলিং বা সার্কাস দেখার কথা মনে পড়লো। সেই অনুষ্ঠানগুলোর সময় দেখতাম, নিচে লেখা থাকতো- “ডু নট ট্রাই দিস এট হোম”। এরপরও দেখতাম শিশু-কিশোররা হরদম রেসলিং বা সার্কাসের প্র্যাকটিস করতেছে, যার ফল স্বরূপ মারাত্মক ব্যাথা পাবার ঘটনা অহরহ ঘটতো।
এ কথা বলার উদ্দেশ্য, মানুষ অনুকরণ প্রিয়। মানুষের মনের ভেতর হয়ত নতুন কোন কিছু থাকে না, কিন্তু বাইরে থেকে যদি নতুন কোন পলিসি বা বীজ ঢুকিয়ে দেয়, তবে সেটা ডালপালা মেলে বড় আকার ধারণ করতে পারে। তাই যতই বলুন- এগুলো অনুসরণ করবেন না” সবাই কিন্তু শুনবে না, বরং কেউ কেউ চেষ্টাও করতে পারে। এক্ষেত্রে লাভের থেকে ক্ষতি অনেক বেশি।
শুধূ মারামারি কাটাকারি নয়, বরং যৌনতা, নিপীড়ন, ধর্ষণের ছবিগুলো যখন মুভিতে দেখানো হয় অবশ্যই তার প্রভাব সমাজে আছে, এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। যার ফলশ্রুতিতে দিন দিন সমাজে নারী নির্যাতন বাড়ছে।
আমরা অপরাধ নিয়ে অনেক কথা বলি, অপরাধ দমন করতে অনেক কঠিন কঠিন আইন পাশ করি,
কিন্তু মিডিয়ার মাধ্যমে যে নিয়মিত অপরাধ ট্রেনিং হয়, সেটার বিরুদ্ধে বলি না,
সেটা বন্ধ করার কোন উদ্যোগও নেই না।
কিন্তু অপরাধ দমন করতে হলে, দেশী হোক আর বিদেশী হোক সেসব মিডিয়া মানুষকে এসব অপকর্মের দিকে উব্ধুদ্ধ করছে, সেগুলো আগে বন্ধ করা উচিত, কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত, নয়ত অপরাধ সমাজে হ্রাস পাওয়া তো দূরের কথা বরং বাড়তেই থাকবে।