‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ বলে একটা বিষয় আছে।এন.সি-২৬০
‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ বলে একটা বিষয় আছে।
Related image
‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ বলে একটা বিষয় আছে।
ক্রিমিনাল মাইন্ডেড ব্যক্তি চিন্তা চেতনায় একজন ক্রিমিনাল হবে।
এ ধরনের মানুষের সাথে সহ-অবস্থান করাটা আসলেই কঠিন,
এবং এদের ত্যাগ করাই বরং জরুরী।
যেমন ধরেন-
প্রিয়া সাহা। সে নিজের বাড়িতে নিজে আগুন দেয়, এরপর সেই আগুন দেয়ার অজুহাত করে মুসলমানদের নামে মামলা দেয়। এরপর সেই মিথ্যা কথা আবার আমেরিকায় গিয়ে ট্রাম্পের কাছে বলে।
প্রিয়া সাহা কোন এক সময় কোন এক মুসলমানের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। ঐ ব্যক্তি প্রিয়া সাহার ঘটনার পর স্ট্যাটাস দেয়, প্রিয়া সাহা নাকি ৬ মাসের ভাড়া আটকে রাখতো। তার কাছে ভাড়া চাইতে গেলে প্রিয়া সাহা তাকে হুমকি দিয়ে বলতো- “আমাকে বেশি ডিস্ট্রাব করলে তোমাকে জঙ্গী বলে পুলিশে ধরিয়ে দিবো।” প্রিয়া সাহা হলো ক্রিমিনাল মাইন্ডেড, এদের সাথে আপনি কিভাবে সহ অবস্থান করবেন ?
আজকে মিডিয়ায় একটা খবর খুব দেখা যাচ্ছে, সাবেক এমপি’র মেয়ে ও এসিল্যান্ডের স্ত্রী অদিতি বড়াল চর্তুথ বারের মত ছুরির আঘাতে আহত। (https://bit.ly/2Zhcyqo)
এখানে অতিদি বড়ালের আরেকটা পরিচয় আছে, সম্ভবত মোসাদ এজেন্ট শিপন কুমার বসুর সাথে অদিতির ফুপাতো-মামাতো ভাইবোন সম্পর্ক। এই মহিলার কিছুদিন পর পর একই ঘটনা ঘটে। অর্থাৎ সে বাড়িতে একা থাকে, এসময় খুনিরা এসে দরজা ধাক্কায়, সে দরজা খুলে দেয়। এরপর তাকে ছুরি দিয়ে হত্যা করতে চায়, কিন্তু ছুরিটা ঠিকমত আঘাত করতে পারে না। এরকম চারবার ঘটনা ঘটলো। চারবার খুনিরা খুন করতে চেয়েও ব্যর্থ হলো, আশ্চর্য !
আসলে দেখা যাবে, কারো সাথে তাদের ব্যক্তিগত রেশারেশি বা মামলা চলতেছে, শুধুমাত্র সেটাকে দৃঢ় করতে বা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পর পর ৪ বার একই অভিনয় করলো। এটাকেই বলে ক্রিমিনাল মাইন্ডেড। এ ধরনের ক্রিমিনাল মাইন্ডেড লোকের সাথে আপনি সহ অবস্থান করবেন কিভাবে ?
এরপর ব্যরিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলার কথাই ধরুন। ব্যারিস্টার সুমন যেহেতু প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়েছে, তাই তাকে ফাঁসাতে হবে। এজন্য তার নামে ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে, সেই ফেইক অ্যাকাউন্টের অজুহাত করে তার নামে মামলা দিয়ে দিলো। এ কথাটা মুসলমানদের বেলায় কল্পনা করুন তো। এ ধরনের রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে এমন বানোয়াট আইডি খুলে মুসলমানরা যদি মামলা দিতে যেতো, তবে অনেক মুসলমান এর প্রতিবাদ করতো। বলতো- “এভাবে মিথ্যা দিয়ে কখন সত্যের জয় আসতে পারে না।” অথচ হিন্দুরা অ্যাডভোকেটরা যখন মামলা দিলো, তখন কোন হিন্দুকে দেখেছেন, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে ? এটাই হলো ক্রিমিনাল মাইন্ডেড।
আপনাদের মনে থাকার কথা, যখন রোহিঙ্গাদের উপর বার্মীজ বাহিনী গণহত্যা শুরু করলো, তখন কিছু কিছু ফেসবুক পেইজে দেখা গেলো, রোহিঙ্গারা টুপি পড়ে নিজের বাড়িতে নিজেরাই আগুন দিচ্ছে। সেই ছবি দিয়ে প্রচার করা হলো, আসলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর হামলা হয়েছে, এটা মিথ্যা কথা। তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করার জন্য এই মিথ্যা কথা রটিয়েছে। কিন্তু পরে আবিষ্কার হলো, টুপি পড়ে যে রোহিঙ্গারা নিজ বাড়িতে আগুন দিচ্ছিলো, তারা আসলে হিন্দু রোহিঙ্গা। মুসলিম রোহিঙ্গাদের নামে মিথ্যা আরোপ করতেই তারা টুপি পড়ে বাড়িতে আগুন দিয়ে সেই ছবি ফেসবুকে প্রচার করে।
(https://bit.ly/2LFDSeL)
২০১৬ সালের বাগেটহাটে বিভিন্ন লোককে আইএস পরিচয়ে হুমকি দিয়ে ভীতি সৃষ্টি করেছিলো। পরে পুলিশ অভিজান চালিয়ে বের করলো আইএস পরিচয়ে হুমকি দাতা অসিত বরণ দাস নামক এক হিন্দু। (https://bit.ly/2Zhcyqo)। শুধু তাই নয়, গত মে মাসের ঘটনা, ভারত থেকে আস ৪ হিন্দু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ, যাদের উদ্দেশ্য ছিলো আইএস নাম দিয়ে হামলা চালাবে। (https://bit.ly/2Yq5Jp9)
এরকম আরো বহু উদাহরণ আছে, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা করছে মুসলমানদের বিরুদ্ধে, অথচ ঐ হিন্দুটি নাটক, সিনেমা, ইতিহাস এমনকি সভা মিটিং এ প্রকাশ্য মুসলমান ব্যক্তিকে দোষারোপ করছে। কিন্তু কথা বলার সময় এত নরম ভাষায়, এত কাদো কাদো ভাবে, নিরীহ ভাষায় বলছে যে মুসলমানরাই ঐ হিন্দুর পক্ষ নিয়ে নির্দোষ মুসলমানকে গালি দিচ্ছে।
আপনি যদি ভাবেন, হঠাৎ করেই কোন ব্যক্তি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এমন ক্রিমিনাল মানসিকতা প্রকাশ করবে, তবে ভুল করবেন। এই মানসিকতা একদিনে তৈরী হয়নি, এই মানসিকতা বহুদিন, বহু বছর প্রজন্মের পর প্রজন্ম শত্রুতা মনোভাব পোষণ করার ফলাফল। এবং মুসলমানদের প্রতি সেই শত্রুতা মনোভাবই তাকে শিখিয়েছে কতভাবে মুসলমানের ক্ষতি করা যায়। এবং এই ক্ষতির বিষয়ে তারা প্রায় সবাই একজোট।
দুঃখের বিষয় বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক মুসলমান গোষ্ঠী কখনই এ বিষয়টি বুঝতে চায় না এবং হিন্দুদের ইনোসেন্ট নিরীহ বলে মনে করে। এই জন্যই এত সংখ্যা হয়েও মুসলমানরা আজ সারা বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত ও নিপীড়িত গোষ্ঠী।
(ব্যক্তি জীবনে আপনি কোন হিন্দু ব্যক্তি দ্বারা নির্যাতিত হয়ে থাকলে সেটা কমেন্টে লিখতে পারেন)
একটি জরুরী সতর্কবার্তা (সব এলাকায় ছড়িয়ে দিন)। এন.সি- ২৫৯
একটি জরুরী সতর্কবার্তা (সব এলাকায় 
ছড়িয়ে দিন)

একটি জরুরী সতর্কবার্তা (সব এলাকায় ছড়িয়ে দিন)
Image result for মরুভূমিসম্প্রতি প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বক্তব্য দেয়ায় ‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ হিন্দুদের প্রতি জনসাধারণের একটি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী তৈরী হয়েছে। এ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করতে ‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ হিন্দু ও তাদের সহযোগী এনজিওগুলো নতুন কোন ফাঁদ তৈরী করতে পারে। যেমন-
১) কোন এলাকায় অজ্ঞাতভাবে মুসলিম/ইসলামবিরোধী কোন ঘটনো হবে।
২) স্বাভাবিকভাবে সেই ঘটনার বিরুদ্ধে মুসলমানরা প্রতিবাদ করবে।
৩) সেই প্রতিবাদের সামনে দেখিয়ে কয়েকটি হিন্দু বাড়ি/মন্দিরকে হামলা বা আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটানো হবে বা তারা নিজেরাই দিবে।
৪) পরে হিন্দুরাই প্রচার করবে- মিথ্যা গুজবের ভিত্তিতে হিন্দুবাড়িতে হামলা হয়েছে।
৫) পুরো ঘটনা ঘটিয়ে মুসলমানদের ইমেজ নষ্ট ও হিন্দুদের ইমেজ ফিরিয়ে আনা হবে এবং আক্রান্ত এলাকায় মুসলমানদের উপর ব্যাপক ধরপাড়ক করা হবে।
এক্ষেত্রে মুসলমানদের করণীয়-
ক) কোন এলাকায় ইসলাম/মুসলমানবিরোধী ঘটনা ঘটলে থানায় মামলা করুন, মিডিয়াতে খবর করুন। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ করুন।
খ) ইসলামবিরোধী ঘটনা ঘটলে মুসলমানরা এলাকায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ করতেই পারে, কিন্তু সেটার মধ্যে যেন পূর্ণনিয়ন্ত্রণ থাকে, কোন তৃতীয় পক্ষ ঢুকে যেন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটায় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখুন।
গ) পাশ্ববর্তী যে সব হিন্দুকে সন্দেহ হয়, তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখুন। তাদের বাড়িতে বিভিন্ন এনজিও’র লোকজন আসা যাওয়া করছে কি না, সে খবর রাখুন।
ঘ) পাশাপাশি মুসলিম কমিউনিটিগুলো এক হয়ে সরকারের প্রতি বিবৃতি দিন- ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার বক্তব্য সত্য প্রমাণ করার জন্য মুসলমানদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সরকারের উচিত- কোন এলাকায় ইসলামবিরোধী ঘটনা ঘটলে দ্রুত সেখানে প্রশাসনের লোক পাঠিয়ে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাত ব্যবস্থা নিয়ে এলাকা ঠাণ্ডা করা, কারণ প্রকৃতদোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হবে না। পাশাপাশি কোন ঘটনা ঘটানোর আগেই যেন ‘ক্রিমিনাল মাইন্ডেড’ হিন্দু ও তাদের মদদদাতা বিদেশী এনজিওগুলোকে নজরদারী বা গ্রেফতার করা হয়।
হিন্দু উগ্রবাদী চেনার লক্ষণ ‘লাল সূতা’ - ছেলেদের ডান হাতে, মেয়েদের বাম হাতে। এন.সি-২৫৮
হিন্দু উগ্রবাদী চেনার লক্ষণ ‘লাল সূতা’ - ছেলেদের ডান হাতে, মেয়েদের বাম হাতে

Related image
হিন্দু উগ্রবাদী চেনার লক্ষণ ‘লাল সূতা’ - ছেলেদের ডান হাতে, মেয়েদের বাম হাতে
গত ৫-৬ বছর যাবত হঠাৎ করে হিন্দু ছেলেদের মধ্যে ডান হাতে লাল সূতা আর মেয়েদের বাম হাতে লাল সূতা পরার সংখ্যা বাড়তে থাকে। যদি তাদের জিজ্ঞেস করেন, তবে বলবে-
(ক) একসময় দেবতা ও অসুরদের মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধ শুরু হয়,অসুরদের পরাক্রম দেখে দেবরাজ ইন্দ্র খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। স্বামীকে চিন্তিত দেখে স্ত্রী ইন্দ্রাণী তার জন্য প্রার্থনা শুরু করেন। ইন্দ্রাণী তার আধ্যাত্বিক শক্তি একত্রিত করে লাল সুতো দিয়ে একটা মালা তৈরি করেন।
তারপর দেবরাজ ইন্দ্রের মঙ্গল কামনা করে সেই লাল সুতোর মালা তার গলায় বেধে দেন যাতে অসুরেরা তাকে আঘাত করতে না পারে। এরপর দেবতা ও অসুরদের মধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধ শুরু হয়। ইন্দ্রের নেতৃত্বে দেবতারা যুদ্ধে জয় লাভ করেন। তখন থেকেই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে মন্ত্রপূত লাল সুতো বাঁধার প্রচলন হয়।
(খ) ভক্ত প্রহ্লাদের পুত্র বলিরাজ ব্রহ্মার আশীর্বাদে সর্গ, মর্ত্য ও পাতালের অধিকারী হয়েছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্রের সিংহাসন রক্ষা করতে ভগবান বিষ্ণু বামন রূপে জন্মগ্রহণ করে বলিরাজকে পাতালে পাঠিয়ে দেন। ভগবান বিষ্ণু বলিরাজকে অমরত্ব দান করেন। আশীর্বাদ স্বরূপ তিনি তার হাতে বেধে দেন লাল সুতো।
ঘটনা কিন্তু মিথ্যা নয়। হিন্দুরা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে হিন্দু যোদ্ধা হওয়ার শিক্ষা নিবে এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে আপনি মুসলমান হলে নিজেকে অসুর হিসেবে কল্পনা করুন, আর হিন্দুরা নিজেদের দেবতা হিসেবে কল্পনা করুক, তাহলেই বুঝতে পারবেন- কি উদ্দেশ্য এই লাল সূতা বাধা হচ্ছে।
তবে অনেক হিন্দু হয়ত দাবী করে বসতে পারে, বিপত্তারিণীর পুজোর সময় এই সময় এই লাল সূতা বাধা হয়।
তাহলে এখানে কথা আছে, এই পূজা তো অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে, তাহলে আগে তো এত লাল সূতা বাধা হিন্দু দেখা যেতো না, কিন্তু গত ৫-৬ বছর যাবত হঠাৎ করে দেশে হু হু করে হাতে লাল সূতা পরিহিত হিন্দু নর-নারীর সংখ্যা বাড়লো কেন ?
আমি আগেও আপনাদের বলেছি, গত ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার ২-১ বছর আগে থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের মধ্যে পলিটিকাল ওরিয়েন্টটেশন শুরু হয়েছে। তারা সংখ্যালঘু তত্ত্ব বাদ দিয়ে উগ্রবাদী মতাদর্শ গ্রহণ করেছে, আলাদা হিন্দুত্ববাদী টার্গেট নিয়ে কাজ করছে। উল্লেখ্য, ভারতের উগ্রবাদী শিবসেনা বা সমমনা উগ্র দলগুলো এভাবে হাতে লাল সূতা পরে, তাদের অনুকরণেই ৫-৬ বছর যাবত বাংলাদেশের হিন্দুদের মধ্যে লাল সূতা পরার হিড়িক পড়ে যায়।
সম্ভবত হিন্দুদের হাতে লাল সূতা পরার কারণ হতে পারে-
১) গোপন শপথ
২) গোপন এজেন্ডা
৩) গোপন কার্যক্রম
৪) মুসলিম বিরোধীতায় ঐক্য
বাংলাদেশের মুসলিমদের বলবো- ডান হাতে লাল সূতা পরিহিত হিন্দু ছেলে এবং বাম হাতে লাল সূতা পরিহিতা হিন্দু মেয়েদের প্রতি নজর রাখুন, দেখবেন তাদের অনেক গোপন এজেন্ডা সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
[আপনার এলাকায় হিন্দু ছেলেদের ডান হাতে লাল সূতা এবং হিন্দু মেয়েদের বাম হাতে লাল সূতা পরা দেখে থাকলে কমেন্টে জানান]