আমরা সবাই ভর্তুকি চাই, সরকারের কাছে দাবী জানাই-এন.সি-৪
আমরা সবাই ভর্তুকি চাই, সরকারের কাছে দাবী জানাই-
আমাদের অমুক অমুক খাতে ভর্তুকি দেয়া হোক।
কিন্তু সরকার সেই ভর্তুকির টাকা কোথা থেকে পাবে? সেটা কিন্তু জানতে চাই না।
আমাদের দাবী সাপেক্ষে সরকার সেই ভর্তুকির টাকা তুলতে গিয়ে ১০ টাকার যায়গায় জনগনের থেকে ১০০ টাকা চাদাবাজি করে, আবার জনগণের জন্য ১০ টাকা খরচ করতে গিয়ে ৯ টাকা মেরে দেয়। ফলে জনগনের থেকে তোলা ১০০ টাকা ফিল্ডে পৌছাতে পৌছাতে ১ টাকায় পরিণত হয়।
সরকারের ভর্তুকির টাকা তুলতে গিয়ে জনগণের যে চাদা দিতে হয়, তাদের জনগনের জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যায়। আপনার বাচ্চার স্কুলের বেতন ৩০০ বাচাতে গিয়ে আপনার জীবনযাত্রা ব্যয় ৫০০০ টাকা বেড়ে যাচ্ছে, আপনি ৩০০ বাচিয়ে নিজেকে খুব লাভবান ভাবছেন, কিন্তু আপনার পকেট থেকে যে ৫০০০ টাকা অন্যদিকে থেকে কেটে নেয়া হচ্ছে, সেই হিসেব আপনার কাছে নেই।
আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করবেন- যে সেক্টরে ভর্তুকি সে সেক্টরেই অনিয়ম ও স্থবিরতা। সারা বিশ্ব যেসব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের ভালো ভালো সেক্টর শুধু ভর্তুকির খাওয়ার কারণে পিছিয়ে আছে। মানে যেখানে ফ্রি খাবার ঢুকছে সেটাই পিছায় পড়ছে। আপনি কোন নির্দ্দিষ্ট সরকারের দোষ দিয়ে পারবেন না, সব সরকারের আমলেই ভর্তুকি খাওয়া সেক্টরগুলো পিছিয়ে আছে। বরং যেসব সেক্টরে ভর্তুকি ঢুকে নাই, মানে বেসরকারী সেগুলো কিছুটা হলেও আন্তর্জাতিকভাবে মান পাইছে। বিশ্বাস না হয়, নিজে মিলিয়েই দেখুন।
আমার তো মনে হয়, ভর্তুকি সিস্টেমটাই তুলে দেয়া উচিত । এতে জনগনের থেকে সরকার বাধ্যতামূলক কোন টাকা নিতে পারবে না। তখন দেখা যাবে, মানুষের জীবনযাত্রা ব্যয় অনেক কমে গেছে।
তবে হ্যা, কোন কোন সেক্টরকে হয়ত ফ্রি সার্ভিস দিতে লাগতে পারে, সেই টাকা ঐ সেক্টরকেই অন্য উপায়ে ইনকাম করে নিতে হবে।
ঢাকাস্থ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বানাতে মোট ২১টি মসজিদ ভাঙ্গা হবে। এন.সি -৩
Related imageঢাকাস্থ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বানাতে মোট ২১টি মসজিদ ভাঙ্গা হবে। এর মধ্যে একটি মসজিদ হচ্ছে নাখালপাড়া জামে (বড়) মসজিদ। মসজিদটি রাজধানী তেজগাও থানার রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
উল্লেখ্য,
-হাতিরঝিল রাস্তা বানাতে মন্দির না ভেঙ্গে রাস্তা বাকা করে দেয়া,
-কামাল স্মরনী রোড নষ্ট করে গির্জা রক্ষা করা
-হিন্দুদের ঘর বাচাতে চট্টগ্রামের পুটিয়ার ইন্দ্রপুর মহাসড়ক বাকা করে দেয়া,
-হিন্দু বাউলদের বাড়িঘর বাচাতে নরসিংদীর শহর রক্ষার বাধের কাজ ৯ বছর আটকে রাখা,
-সিলেটে গির্জার দেয়াল বাচাতে রাস্তার উন্নয়ন বন্ধ রাখা হলেও
কথিত উন্নয়নের নামে ওয়াকফকৃত মসজিদ ভাঙ্গা এখন খুবই সাধারণ বিষয় হয়ে গেছে বাংলাদেশে।
মজা লাগে যখন দেখি,
বাংলাদেশের হুজুররা ইসরাইলের মসজিদ নিয়ে আন্দোলন করে, কিন্তু বাংলাদেশের মসজিদ ভাঙ্গলে মুখে কুলুপ এটে মজা করে দেখে। সত্যিই দারুণ......
ঢাকাস্থ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বানাতে মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে আমার আরো পোস্ট - https://goo.gl/pkmfHe
দেশের অর্থনীতি বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আগে নিজের পরিবারের অর্থনীতি বোঝা। এন.সি -২
Related imageদেশের অর্থনীতি বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আগে নিজের পরিবারের অর্থনীতি বোঝা।
নিজের বাড়ির অর্থনীতি বুঝতে পারলে দেশের অর্থনীাতি বোঝা সহজ হবে। বাড়ির কর্তা হিসেবে- আপনার মাথায় সব সময় দুটি জিনিস রাখতে হয়-
১. প্রয়োজন
২.সামর্থ্য
প্রতিনিয়ত এই প্রয়োজন ও সামর্থকে ব্যালেন্স করে কিন্তু চলছেন, সেটা আপনি বুঝেন আর না বুঝেন।
যেমন- আপনার মায়ের জন্য ওষুধ লাগবে, স্ত্রী বললো- চাল-ডাল লাগবে, ছেলে বললো- তার খেলার ব্যাট লাগবে, মেয়ে বললো- ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে, শালা বললো- তারা বন্ধু বান্ধব মিলে পার্টি করবে, চাদা দিতে হবে।
আপনি সবগুলো কথা কিন্তু শুনে যাচ্ছেন, মনের অযান্তেই ক্যালকুলেশন করে ফেলছেন কোন চাহিদাটি আগে প্রয়োজন। এই প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে আপনি ডিসিশন নিচ্ছেন, কোথায় আগে টাকা দিতে হবে। কথা হলো- গার্জিয়ান হিসেবে আপনাকে পুরো ফ্যামিলির বিষয়টি বুঝতে হবে, তালগোল পাকিয়ে ফেললে হবে না। যেমন- মায়ের ওষুধ খেলেও শরীর ভালো হয়, আবার ঘুরা-ফিরি করলে শরীর ভালো লাগতে পারে। কিন্তু ওষুধের টাকা পরে দিয়ে ঘুরাফিরির টাকা আগে খরচ করলে হবে না। আবার স্ত্রী ঘরের চাল-ডাল চেয়েছে, আর শালা চেয়েছে বন্ধু বান্ধবের পার্টির জন্য। একটা ঘরের, অন্যটা পরের। আগে ঘরকে আপনাকে খাওয়াতে হবে, বাইরের লোকের মোজমাস্তির করবে সেই খরচ পরে। যদিও আপনি এই প্রয়োজনটা বুঝতে ভুল করেন, তবে কিন্তু আপনি তৎক্ষণাত সবার কাছে খারাপও হবেন না। আপনি যদি মায়ের ওষুধ না কিনে মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে যান, তবে মা আপনাকে খারাপ জানবে, কিন্তু মেয়ে কিন্তু আপনাকে আদর্শ পিতা ভাববে। আপনি যদি স্ত্রীর বাজার না করে দেন, কিন্তু শালাকে বন্ধু বান্ধবের পার্টির খরচ দেন, তবে ঘরের মানুষ আপনাকে খারাপ জানবে, কিন্তু বাইরের মানুষ আপনাকে খুব উদার ভাববে।
একইভাবে আপনি যখন রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন হলেন, তখন আপনাকে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল হিসেবে বুঝতে হবে কোন প্রয়োজনটা আগে। আপনার রাষ্ট্রের টাকাটা আগে কোথায় খরচ করতে হবে সেটা বুঝতে হবে। হাতিয়া দ্বীপে প্রচুর মাছ হয়। বরফ আর যাতায়াতের অভাবে সেই মাছগুলো নষ্ট হয়ে যায়। সেই যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না করে আপনি যদি ভারত-মিয়ানমার যে রাস্তাগুলো ব্যবসায়ীক করিডর হিসেবে ব্যবহার করবে সেগুলো ফোর-লেনের রাস্তা করে দিলেন, তবে কিন্তু হবে না। আপনার প্রচুর খাদ্যসশ্য হচ্ছে, হিমাগারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে অনেক। আপনি হিমাগার না করে, প্রতি জেলায় জেলায় খেলার স্টেডিয়াম বানানো শুরু করলেন তাহলে কিন্তু হবে না। আপনার দেশের বেকার সমস্যা প্রচুর। অর্থনীতির অবস্থা সুবিধার না। এ অবস্থায় দেশের কলকারাখানাকে বাচাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী। কিন্তু সেটা না করে আপনার মাথায় পর্যটনের ভুত চাপলো। আপনি চিন্তা করলেন, নদীর তীরে পরিবেশ সুন্দর, তাই সেখানে কলকারখানাগুলো সরিয়ে পর্যটন কেন্দ্র করি, তাহলে কিন্তু হবে না।
এবার আসি সামর্থ নিয়ে। আপনার সামর্থ কতটুকু, সেটা আপনাকে পুরোপুরি বুঝতে হবে। আপনার সামর্থ হলো ব্রয়লার মুরগী, আপনার দেশী মুরগীর দিকে তাকালে হবে না। আপনার সামর্থ হলো- তেলাপিয়া মাছ কেনার, আপনি যদি রুপচাদা মাছের দিকে তাকান, তাহলে হবে না। আপনার বাসায় লোক অসুস্থ, আপনার সামর্থ ঢাকা মেডিকেল নিয়ে যাবেন। আপনি যদি স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করেন তাহলে কিন্তু হবে না। আপনার সামর্থ বাচ্চাকে শিশুপার্কে নিয়ে যাবেন, আপনি ফ্যান্টাসি কিংডমে গেলে হবে না। অর্থাৎ আগে প্রয়োজন ঠিক করুন, তারপর সামর্থ অনুসারে বণ্টন করুন। হ্যা আপনি বেশিমূল্যের জিনিস কিনবেন না কেন ? অবশ্যই কিনবেন, কিন্তু সেজন্য আগে নিজের ইনকাম বাড়ান, সেই ইনকাম থেকে নগদে বা কিস্তি কিনুন। কিন্তু নিজের সামর্থ ঠিক হওয়ার আগে অধিকমূল্যের জিনিসে হাত দেয়া কখন ভালো লক্ষণ নয়। আমাদের সমাজে এমন অনেক লোক দেখা যায়, যাদের সামর্থ ১০ টাকা, কিন্তু ফুটানি দেখাচ্ছে ১০০ টাকা। খবর নিয়ে দেখুন- সে অন্যকোন টাকা ভাঙ্গতেছে। হয় সে অসৎ উপায়ে ভাঙ্গতেছে, অথবা প্রয়োজনীয় কোন ফান্ড নষ্ট করতেছে অথবা ধার করে ফুটানি করতেছে। এ ধরনের লোকের ফুটানি বেশি দিন চলে না। দুইদিন পর ঠিকই তলিতল্পা গুটিয়ে পালাতে হয়।
একইভাবে রাষ্ট চালানোর সময় আপনাকে আপনার সামর্থ দিকে তাকিয়েই কথা বলতে হবে, আজগুবি কথা বললে হবে না। আপনার সামর্থ সাধারণ রাস্তা, কিন্তু আপনি ফ্লাইওভারের কথা চিন্তা করলে হবে না। আপনার সামর্থ ১০০ কোটি টাকা প্রজেক্টের আপনি ৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রজেক্ট নিলে হবে না। একটা রাস্তা বানিয়েছেন, সেটা আগে কাজ শুরু করতে দেন, তার আগেই উপর দিয়ে আরো ২-৩টা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বানাচ্ছেন। দেশে টাকা নাই, সমস্যা কি, বিদেশ থেকে লোন নেন।
বাংলাদেশে বর্তমানে যে অর্থনৈতিক দুর্যোগ শুরু হয়েছে এবং আরো বড় দুযোর্গ হাতছানি নিচ্ছে, তার মূল কারণ সরকার প্রয়োজন ও সামর্থ বহির্ভূত কাজ করেছে। যেটা প্রয়োজন সেটা করেনি, করেছে অন্যটা। আবার যতটুকু সামর্থ সে অনুসারে কাজ না করে অতি উচ্চমূল্যের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এতে কিছু লোক আনন্দিত হচ্ছে, ঠিক যেভাবে পরিবারের ক্ষেত্রেও হয়। কিন্তু সবদিক বিবেচনায় রাষ্ট্র ফাকা করে দিয়েছে সরকার।
আমাদের জনগণের সমস্যা হলো- আমরা বড় কিছু দেখলেই খুশি। বড় রাস্তা, বড় ফ্লাইওভার, বড় মেট্রোরেল, বড় পর্যটন কেন্দ্র। অথচ প্রয়োজন আর সামর্থের ইমব্যালেন্সের কারণে যে আমাদের কলকারখানাসহ সকল উৎপাদনের খাতের পতন হচ্ছে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে জীবন ওষ্ঠাগত সে খবর আমারা বুঝতে পারছি না।
আপনি যত কিছু নিয়েই কথা বলেন আর আন্দোলন করেন, ক্ষমতায় থাকার লোকগুলোর আলটিমেট টার্গেট আর্থিক লাভবান হওয়া। সেটাই তার রিয়েল ফেস। তাই সরকারের রিয়েল ফেসে আঘাত করতে হলে অর্থনীতির বিষয়গুলো বুঝতে হবে এবং সরকারের ভুল অর্থনৈতিক পলিসির বিরুদ্ধচারণ করতে হবে। তবে আপনি সেটা করতে চান না, কারণ ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, বড় বড় রাস্তা আর পর্যটন কেন্দ্র হলে আপনারাও খারাপ লাগে না, বরং খুশি খুশি লাগে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিদেশী সম্রাজ্যবাদী সংস্থাগুলো বলছে- এন.সি-১
বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিদেশী সম্রাজ্যবাদী সংস্থাগুলো বলছে-
Image result for রেটিনা১) বাংলাদেশের অর্থনীতি লাফিয়ে লাফিয়ে এগোচ্ছে : ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ব্লগপোস্ট
(https://bit.ly/2SZ21zt)
২) এশিয়া প্যাসিফিকে সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের: এডিবি
(https://bit.ly/2N0Wyo2)
৩) বিশ্বব্যাংক: ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
(https://bit.ly/39JE9Gj)
৪) বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখবে: বিশ্বব্যাংক
(https://bit.ly/2QuE2qy)
৫) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্বব্যাংকের
(https://bit.ly/2N1whpL)
৬) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা ডাব্লিউআইইএফ ও এসইএসিওর
(https://bit.ly/2SZZFjZ)
৭) যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘দ্য ব্যাংকার’র ঘোষনা-
বিশ্বের সেরা অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের মুস্তফা কামাল
(https://bit.ly/2Qu6icJ)
বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিদেশী সংস্থাগুলোর মন্তব্য সত্যিই নজরকাড়া। বিদেশীরা ভালো বললেও বাংলাদেশের মানুষ কিনতু বলছে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো নেই। এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে মন্দাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বেকারত্ব বাড়ছে, অনেকের চাকুরী থাকলেও বেতন ঠিকমত পাচ্ছে না, দিন দিন বাড়ন্ত দ্রব্যমূল্যে জনগণের জীবন অতিষ্ঠ, ব্যবসায়ীদের যায় যায় অবস্থা, অনেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করতেছে।
কথা হলো- বাংলাদেশের মানুষ যখন বলছে দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, সেখানে বিদেশীরা কেন বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ?
গতকালকে একটা পোস্টে আমি বলেছিলাম- আপনি যদি ঘরে বাজার না করে, বাইরের ছেলেপেলের মোজমাস্তির পার্টির চাদা দেন, তবে ঘরের মানুষ খারাপ বললেও বাইরের ছেলেপেলে কিন্তু আপনার ভূয়সী প্রশংসাই করবে।
বাংলাদেশ সরকারের অবস্থা হয়েছে ঠিক সে রকম।
সরকার দেশের জনগনের টাকা জনগনের জন্য খরচ না করে বিদেশী স্বার্থে খরচ করতেছে,
এজন্য দেশের মানুষ খারাপ বললেও বিদেশীরা ঠিকই তার প্রশংসা করতেছে।
হয়ত বলতে পারেন, কিভাবে বিদেশীদের জন্য খরচ করতেছে ?
এই যে বড় বড় রাস্তাঘাট, ফ্লাইওভার, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পর্যটন কেন্দ্র, বিমানবন্দর এগুলো সব করা হচ্ছে বিদেশীদের জন্য,
কিন্তু এগুলো বানানোর খরচ নেয়া হচ্ছে জনগনের চাল-ডাল-তেল-নূনের খরচ থেকে। বিদেশীদের জন্য বানানো এসব আন্তর্জাতিকমানের উচ্চমূল্যের অবকাঠামোর খরচ জোগাতে গিয়ে পথের ভিকারী হয়ে পড়ছে জনগণ। এ কারণেই কিছুদিন আগে একটা স্ট্যাটাসে আমি বলেছিলাম- এত সুন্দর সুন্দর চারলেনের রাস্তা দেখে আপনি খুশি হইয়েন না, কারণ এই চারলেনের রাস্তায় আপনি গাড়ি ছুটিয়ে যাবেন, নাকি রাস্তার ধারে বসে ভিক্ষা করবেন, সেই হিসেব করে রাইখেন।
তাদের পক্ষে কাজ করার কারণেই- বিদেশী সংস্থাগুলো দেখাচ্ছে- বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, জিডিপি বাড়তেছে। মানে দেশে খরচ হচ্ছে।
কিন্তু কে খরচ করতেছে ? জনগণের টাকা নিয়ে সরকার খরচ করতেছে, জনগণ তো কিছু পাচ্ছে না।
অথচ বিদেশী সংস্থাগুলো সরকার ও জনগণের হিসেব এক করেই দেখাচ্ছে প্রবৃদ্ধি হিসেবে।
এই কথাটাই অর্থনৈতিক ঘাতক জন পার্কিন্স তার এক অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারক্তি বইয়ের মধ্যে সুন্দর করে উল্লেখ করেছিলো-বিশ্বব্যাংকআইএমএফের মত সম্র্যাজ্যবাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে মানুষকে ধোকা দেয়। জিডিপির মত এসব আর্থিক প্রশংসার পেছনের উদ্দেশ্য হলো ধোকা তৈরী করা্
মূল কথা হলো-
সম্রাজ্যবাদী বিদেশী সংস্থাগুলোর এত এত প্রশংসাই বলে দিচ্ছে, জনগণের সম্পদ কেড়ে নিয়ে বিদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করছে সরকার। এ কারণে জনগনের অবস্থা দিনে দিনে করুণ হলেও বিদেশীদের প্রশংসায় ভেসেই চলেছে সরকার।
সম্পূর্ণ পৃথিবীর ওয়াহাবি দেওবন্দীদের আসল চরিত্র ছবি সহ।

সম্পূর্ণ পৃথিবীর ওয়াহাবি দেওবন্দীদের আসল চরিত্র ছবি সহ।




একটা রাজনৈতিক সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছে দেওবন্দী গুরু, বাংলাদেশের দেওবন্দী দের শায়খুল হদস আজিজুল হক।
একটা রাজনৈতিক সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছে দেওবন্দী গুরু, বাংলাদেশের দেওবন্দী দের শায়খুল হদস আজিজুল হক।
ছবিতে একটা রাজনৈতিক সম্মেলনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছে দেওবন্দী গুরু, বাংলাদেশের দেওবন্দী দের শায়খুল হদস আজিজুল হক। দেখেন এই আজিজুল হক ১৯৯৯ সালে তার একটি বইতে লিখেছেলো–> “রং বেরংয়ের পোশাক, লিপিস্টিক লাগানো, পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা, থিয়েটার নাটক করা, সভা সমিতি করা, রাজনৈতিক আসরে নামা, প্রকাশ্য সভা সমিতিতে বক্তৃতা দেয়া আর বেশ্যাবৃত্তি করা। শুধু পেশাদার বেশ্যা নয় অপেশাদার বেশ্যাবৃত্তি করা।”
দলীল – √ আল কোরআনের দৃষ্টিতে মহিলাদের পর্দা ১৩৪ পৃষ্ঠা ।
পরবর্তীতে হালুয়া রুটির লোভে নিজের ফতোয়ার বিপরীতে চলে আসে এই আজিজুল হক । দেখুন তার প্রতি কি গজব নাজিল হয়েছে…… আজিজুল হক নিজেই রাজনৈতিক আসরে নেমে, সভা সমিতি করে, মহিলাদের সাথে মেলামেশা করে নিজের ফতোয়ায় নিজেই ফাঁইসা গেছে। দেওবন্দী আজিজুল হকের এ ফতোয়া অনুযায়ী এই পোস্টের ছবিতে যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে বেশ্যবৃত্তি। আর তার সংঙ্গা অনুযায়ী উক্ত বেশ্যার প্রধান কাস্টোমার হচ্ছে দেওবন্দী শায়খুল হদস আজিজুল হক নিজেই। কি ভাই কথা ঠিক ?????
দেওবন্দী গুরুদের সাথে বেপর্দা হিন্দু মহিলা সোনীয়া গান্ধীর কানেকশন দেখিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম।
দেওবন্দী গুরুদের সাথে বেপর্দা হিন্দু মহিলা সোনীয়া গান্ধীর কানেকশন।
দেওবন্দী গুরুদের সাথে বেপর্দা হিন্দু মহিলা সোনীয়া গান্ধীর কানেকশন সোনীয়া গান্ধীর সাথে পাশাপাশি বসে আলোচনাকারী দেওবন্দের মুহতামিম। [পোস্টের ছবিতে সোনীয়া গান্ধীর কাছে থেকে তালিম নিচ্ছে জমিয়তে ওলামার প্রেসিডেন্ট আসাদ মদনী]
তেতুল শফির কিছু মূল্যবান উক্তি
তেতুল শফির কিছু মূল্যবান উক্তি
তেতুল শফির কিছু মূল্যবান উক্তি, লালা বাবার বাণী…… তেঁতুল দেখলে লালা ঝড়ে।
দেওবন্দীদের জঘন্য আক্বীদা দেখুন
দেওবন্দীদের জঘন্য আক্বীদা দেখুন
দেওবন্দিরা নিজেই পূজা করে আর মানুষকে বলে কবর পূজারি মাযার পূজারি
দেওবন্দিরা নিজেই পূজা করে আর মানুষকে বলে কবর পূজারি মাযার পূজারি
দেওবন্দিরা নিজেই পূজা করে আর মানুষকে বলে কবর পূজারি মাযার পূজারি ।
মালাউনের কাছে তোমরা ওহাবীরা যাও ইয়াহুদীদের টিকেট মিলবে
মালাউনের কাছে তোমরা ওহাবীরা যাও ইয়াহুদীদের টিকেট মিলবে
মালাউনের কাছে তোমরা ওহাবীরা যাও ইয়াহুদীদের টিকেট মিলবে
দেওবন্দিদের গুরুর মাযারে কুকুর এভাবেই পস্রাব করে।
দেওবন্দিদের গুরুর মাযারে কুকুর এভাবেই পস্রাব করে।
দেওবন্দিদের গুরুর মাযারে কুকুর এভাবেই পস্রাব করে।
দেওবন্দি ওয়াহাবিরা যখন জিয়ারাত করে তখন শিরক বেদাত আর কুফুর কি হয়না?
দেওবন্দি ওয়াহাবিরা যখন জিয়ারাত করে তখন শিরক বেদাত আর কুফুর কি হয়না?
দেওবন্দি ওয়াহাবিরা যখন জিয়ারাত করে তখন শিরক বেদাত আর কুফুর কি হয়না?।
দেওবন্দি তারিক জামিল বেপর্দা নারিদের সাথে
দেওবন্দি তারিক জামিল বেপর্দা নারিদের সাথে
দেওবন্দিদের নারি পূজা
দেওবন্দিদের নারি পূজা
দেওবন্দিদের নারি পূজা
দেওবন্দিদের নারি পূজা
দেওবন্দি তারিক জামিল বেপর্দা নারিদের সাথে অথছ আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরাআন উল কারিমে বলতেছেন (মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙের হেফাযত করে । এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে । নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন । (সুরাহ আন নুর : ৩০ )
 দেওবন্দী ওহাবীরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের মাজার পুজারী বলে মিথ্য অপবাদ দেয়। অথচ তারা নিজেরাই শিরক কুফরি নাফরমানিতে লিপ্ত।

দেওবন্দী ওহাবীরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের মাজার পুজারী বলে মিথ্য অপবাদ দেয়। অথচ তারা নিজেরাই শিরক কুফরি নাফরমানিতে লিপ্ত।
দেওবন্দী ওহাবীরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের মাজার পুজারী বলে মিথ্য অপবাদ দেয়। অথচ তারা নিজেরাই শিরক কুফরি নাফরমানিতে লিপ্ত। মূলত পুজারী হচ্ছে, দেওবন্দী ওহাবীরাই। তারাই চব্বিশ ঘন্টা হিন্দুদের পুজা করে। দেওবন্দ মাদ্রাসায় তারা সোনীয়া গান্ধীকে প্রধান অতিথি বানিয়ে সোনীয়ার গান্ধীর পুজা করে। প্রমান–>
http://www.facebook.com/photo.php?fbid=1474141252804919&id=100006271751511&set=a.1381446318741080.1073741825.100006271751511
হিন্দু যোগী রামদেবকে প্রধান অতিথি বানিয়ে তার পুজা করে। প্রমান-http://www.facebook.com/photo.php?fbid=547682608633954&id=545307258871489&set=a.545816158820599.1073741827.545307258871489
হিন্দু রবিশংকরকে অতিথি বানিয়ে তার পুজা করে। প্রমান- দারুল উলুম দেওবন্দের ২৯ তম বার্ষিক সভার প্রধান অতিধি হয় মুসলিম বিদ্বেষী রবি শঙ্কর।
তথ্যসূত্র– http://www.youtube.com/watch?v=cYm4sUmvmtw
নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন দিয়ে দেওবন্দীরা মোদীর পুজা করে। প্রমান-http://www.facebook.com/545307258871489/photos/a.545816158820599.1073741827.545307258871489/643909792344568/?type=1&refid=17
হিন্দুদের মন্দিরে গিয়ে দেওবন্দীরা শিব লিংঙ্গও হয়তো পুজা করে হিন্দুদের খুশি করতে। সেকারনে মূল পুজারী হলো দেওবন্দী ওহাবীরা। তারাই হচ্ছে, হিন্দু পুজারী তারাই শিব লিঙ্গ পুজারী। মালাউন পুজারী …চরম বিদয়াতি।
ইহুদি, ওয়াহাবি, বাজ পাখি
ইহুদি, ওয়াহাবি, বাজ পাখি
ইহুদি প্রিতি
ইহুদি প্রিতি
পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমের সাথে মশকরা ঠাট্টা বেয়াদবি।
পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমের সাথে মশকরা ঠাট্টা বেয়াদবি।
পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমের সাথে মশকরা ঠাট্টা বেয়াদবি।
What a romantic moments of daubondi peoples>>>
What a romantic moments of daubondi peoples>>>
Wahhabi Deobondi Way To Reciting Qu'ran
Wahhabi Deobondi Way To Reciting Qu’ran

18
সমকামি ওয়াহাবি দেওবন্দি নাসারা
সমকামি ওয়াহাবি দেওবন্দি নাসারা
দেওবন্দি ওয়াহাবি নাসারা তারা করলে কি পূজা হয়না?
দেওবন্দি ওয়াহাবি নাসারা তারা করলে কি পূজা হয়না?
দেওবন্দি ওয়াহাবি নাসারা তারা করলে কি পূজা হয়না?
Ore dance.. daubondi dewana mastana with bush >>>watching bally dance>>>
daubondi dewana mastana with bush watching bally dance>>>
Ore dance.. daubondi dewana mastana with bush >>>watching bally dance>>>
সৌদি প্রিঞ্চ তালাল আর তাঁর মেয়ে
সৌদি প্রিঞ্চ তালাল আর তাঁর মেয়ে
23242526272829303132333435363738