২০০৮ সালে বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রেডকাউ, ডানো, নিডো, এ্যানলিন ও ডিপ্লোমা গুড়া দুধ পরীক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ কি সমস্যায় পড়েছিলো ? এন.সি-২৪৪
২০০৮ সালে বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রেডকাউ, ডানো, নিডো, এ্যানলিন ও ডিপ্লোমা গুড়া দুধ পরীক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ 
কি সমস্যায় পড়েছিলো ?

Image result for জাহাজ
২০০৮ সালে বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রেডকাউ, ডানো, নিডো, এ্যানলিন ও ডিপ্লোমা গুড়া দুধ পরীক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ কি সমস্যায় পড়েছিলো ?
২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে ‘দুধ’ নিয়ে এক ভয়াবহ সংবাদ শোনা যায়। দুধের মধ্যে নাকি বিষাক্ত মেলামাইন মেশানো হয়। মেলামাইন এক ধরনের নাইট্রোজেন যৌগ, ভেজাল দুধে এটা মেশালে দুধ পরীক্ষার সময় তা প্রোটিন সমৃদ্ধ বলে যানান দেয়। অধিক লাভের আশায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এই অপকর্ম করে বসে। এতে চীনে কিছুদিনের মধ্যে প্রায় ৬৩ হাজার শিশু দুধে মেলামাইনে আক্রান্ত হয়ে কিডনী জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়, অনেকে মারা যায়।
২০০৮ সালে বাংলাদেশে তখন বিতর্কিত সেনা শাসন নির্ভর তত্ত্বাবাধয়ক সরকারের শেষ পর্যায়। বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া বিদেশী গুড়া দুধগুলোতে মেলামাইন আছে না নাই, তা পরীক্ষায় জোরালো দাবী উঠে। এক পর্যায়ে সরকার ৮টি বিদেশী কোম্পানির গুড়া দুধ (ডানো ফুলক্রীম, নিডো ফর্টিফায়েড, রেডকাউ, ডিপ্লোমা, এনলিন, এবং চীনের ৩টি কোম্পানি য়াশলী-১ , ইয়াশলী-২ এবং সুইট বেবী) পরীক্ষা করতে সাইন্সল্যাব, বিএসটিআই, আনবিক শক্তি কমিশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে পাঠায়। এই পরীক্ষায় ঢাকার রসায়ন বিভাগের টেস্টে বিদেশী গুড়া দুধগুলোর মধ্যে অতি উচ্চমাত্রায় মেলামাইন পাওয়া যায়। বিশেষ করে রেড কাউয়ে সহনীয় মাত্রা (0.1mg/kg) এর ২৩০০ গুন, ডিপ্লোমায় ৩০০০ গুন, ডানোতে ৪০০ গুন, নিডোতে ৪৫০০ গুন পর্যন্ত পাওয়া যায়। আনবিক শক্তি কমিশনের পরীক্ষায় রসায়ন বিভাগের পরীক্ষার তুলনায় তুলনামূলক কম হলেও মেলাইমানের দূষণের অস্তিত্ব মিলে। যার পরিমাণ যথাক্রমে নিডোতে ১৭০০ গুন, ডিপ্লোমায় ২৮৭০ গুন এবং ডানোতে ৭৪০ গুন সহনীয় মাত্রার বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু সাইন্সল্যাব ও বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় তা নির্ণন করা যায় নাই।
সে সময় রসায়ন বিভাগের অনেকেই দাবী করেন, তাদের মেলাইন পরীক্ষার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ছিলো যা অন্য ল্যাবরেটরিগুলোতে ছিলো না।
বিশেষ করে রসায়ন বিভাগে জাপানি সরকারের সহযোগিতায় প্রাপ্ত High Performance Liquid Chromatography(HPLC) এবং Atomic Absorption Spectroscopy(AAS) এবং Sweden Upsala University -র সহযোগিতায় প্রাপ্ত Gas Chromatography Mass Spectroscopy (GCMS) (যা ঐ সময় Compound Detection Related সর্বাধুনিক প্রযুক্তি) নামের কোটি টাকার প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কোন Element কে খুব সহজেই disintegrate করা যায়।
কিন্তু এই পরীক্ষার পরই ঢাবির রাসায়ন বিভাগের উপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাপ আসতে থাকে। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের খাদ্য ও স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এএমএম শওকত আলী রসায়ন বিভাগের পরীক্ষা অস্বীকার করে করে বলেন, “ঢাবির রসায়ন বিভাগের পরীক্ষাগার অনুমোদিত নয়, তাই গুড়া দুধের মেলামাইন পাওয়ার তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়।”
উপদেষ্টার বক্তব্যের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুধে মেলামাইন পরীক্ষা কমিটির গবেষক ড. নিলুফার নাহার বলেন- “সরকার যে অনুমোদনের কথা বলছে, বিএসটিআই ছাড়া সে রকম কোন অনুমোদিত ল্যাবরেটরি নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সরকার অনুমোদিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু আমাদের গবেষণার ফলাফলের ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। আর আমাদের ল্যাবরেটরি যদি অনুমোদিত নাই হয়, তবে আমাদের কাছে পরীক্ষার জন্য সেম্পল পাঠানো হলো কেন?”
সরকার দেশীয় পরীক্ষা অস্বীকার করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (ফাও) মাধ্যম হয়ে জার্মানির হামবুর্গের ইয়রোফিন্স জিএমবিএইচ পরীক্ষাগারে ৮টি দুধের সেম্পল পরীক্ষার জন্য পাঠায়। তারা দাবী করে, চীনা ৩টি কোম্পানির দুধে ক্ষতিকর মাত্রায় মেলামাইন আছে, কিন্তু অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আর ডেনমার্কের ৫টি গুড়া দুধের মধ্যে কোন সমস্যা নেই।
তাদের রিপোর্ট অনুসারে সরকার ও হাইকোর্ট চীনা ৩টি কোম্পানি নিষিদ্ধ করে, কিন্তু ডানো, রেডকাউ, নিডো, ডিপ্লোমা এবং এনলিন গুড়া দুধের খাওয়াতে কোন সমস্যা নেই বলে রাষ্ট্রীয় ঘোষণা দেয়।
এক্ষেত্রে ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কোম্পানিগুলোর পক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ফাও)কে নিকৃষ্ট দালালি করতে দেখা যায়। আর এভাবে করেই আন্তর্জাতিক বিশেষ শক্তিবলে বেচে যায় রেডকাউ, ডানো, নিডো, এ্যানলিন ও ডিপ্লোমা গুড়া দুধ। এরপর থেকে বিদেশী গুড়া দুধের শুদ্ধতা যাচাই নিয়ে কোন সরকারকে আর শক্ত অবস্থানে যেতে দেখা যায় নাই।
ছবি: ২০০৮ সালে দেশের বিভিন্ন ল্যাবে ৮টি বিদেশী গুড়া দুধে মেলামাইন পরীক্ষার রিপোর্ট।
ডেনমার্কের জিল্যান-পোস্টেন পত্রিকায় মুসলমানদের শেষ নবীর ব্যঙ্গ কার্টুনের কথা মনে আছে ? এন.সি-২৪৩
ডেনমার্কের জিল্যান-পোস্টেন পত্রিকায় মুসলমানদের শেষ নবীর ব্যঙ্গ কার্টুনের কথা মনে আছে ?
Image result for জাহাজ
ডেনমার্কের জিল্যান-পোস্টেন পত্রিকায় মুসলমানদের শেষ নবীর ব্যঙ্গ কার্টুনের কথা মনে আছে ?
২০০৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ১২টি কার্টুন ছাপা হয়েছিলো মুসলমানদের নবীকে ব্যঙ্গ করে।
সম্ভবত ২০০১ এর আমেরিকান সম্রাজ্যবাদের ‘ওয়্যার অন টেরর’ শুরুর পর এটাই মুসলমানদের ধর্মকে ব্যঙ্গ করার সূচনা। সেই ডেনমার্কের হাত ধরে একে একে অন্যান্য অমুসলিম রাষ্ট্রগুলো (নেদারল্যান্ডের গ্রিট উইল্ডারর্স, ফ্রান্সের শার্লি হেবদো, অস্ট্রেলিয়ার ‘দ্য উইকঅ্যান্ড অস্ট্রেলিয়া’) মুসলমানদের শেষ নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ ছবি ও মুভি তৈরী শুরু করে।
আমার মনে আছে, সে সময় সারা বিশ্বের মুসলমানরা এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেছিলো। কিন্তু তারপরও মন গলেনি ডেনমার্ক সরকারের। এ ঘটনায় তারা কাউকে শাস্তি দেয়নি। সারা বিশ্বজুড়ে ডেনমার্কের দূতাবাসের সামনে মুসলমানরা প্রতিবাদ করে। পুরো বিশ্বে এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে কমপক্ষে ২০০ মুসলমান নিহত হয়।
এ ঘটনায় সারা বিশ্ব জুড়ে মুসলমানদের মধ্যে ড্যানিশ পণ্য বর্জনের ডাক উঠে। ডানো (অরলা ফুড), নভো নরডিস্ক (ওষুধ কোম্পানি) ও ড্যানিস্কো বর্জনের ডাক দেয় মুসলমানরা। এ কারণে ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারী থেকে জুনের মধ্যে ডেনমার্কের মোট রফতানি ১৫.৫% শতাংশ নেমে যায়। কয়েক মাসের মধ্যে ডেনমার্কের ক্ষতি হয় প্রায় ১৩৪ মিলিয়ন ইউরো বা ১৩শ’ কোটি টাকা। আমার মনে আছে, ঐ সময় বাংলাদেশের মুসলমানরাও ড্যানিশ পন্য বর্জনের ডাক দিয়েছিলো।
কিন্তু আজকে আমার অবাক লাগে, যখন দেখি বাংলাদেশের তরল দুধ নিয়ে এত বড় একটা ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটে গেলো, যা পেছন থেকে কলকাঠি নাড়লো ডেনমার্কের ডানো (অরলা ফুড)। অথচ হুজুগে মাতাল মানুষ সেই ডেনমার্কের ডানো (অরলা ফুড) ষড়যন্ত্রকেই সমর্থন দিলো !!
এই অরলা (ডানো) বেশ কয়েক মাস যাবত দৈনিক প্রথম আলো, কিছু ভার্সিটির শিক্ষক এবং নিরাপদ খাদ্যের কিছু সদস্য নিয়ে দেশী দুগ্ধ শিল্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিলো, মিটিং সেমিনার করছিলো। সর্বশেষ দেশী দুগ্ধ খামারীরা প্রতিবাদ করে সরকারকে চাপ দিয়ে বিদেশী গুড়া দুধের উপর ট্যাক্স ৫ থেকে ১০% করার পর থেকেই তাদের ষড়যন্ত্র তুঙ্গে উঠে। তারা হাইকার্টের মাধ্যম দিয়ে দেশী দুগ্ধ শিল্পকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র চালায়। যার ফল আপনারা দেখেছেন হাইকোর্টের অর্ডারে দেশী দুগ্ধ কোম্পানি বন্ধের কারণে ৩ দিনে খামারীদের ক্ষতি হয়ে গেছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা (সূত্র: সময় নিউজ)।
ভাবতেই অবাক লাগে, ২০০৫ সালে নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করার কারণে ডেনমার্কের অরলা (ডানো)কে যে মুসলমানরা নাকানি চুবানি খাওয়ালো, সেই ডানো কি না গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের ১ কোটি লোকের শিল্পকে ধ্বংস করে দিতে চায়, দেশী দুধ বিক্রি বন্ধ করে তাদের ডানোর বিক্রি বাড়াতে চায়!
এখন তো খুব ভালো হলো- মুসলমানরা বেশি করে ডানো কিনবে, আর সেই ডানোর বিক্রির লভ্যাংশ দিয়ে ডেনমার্ক আরো বেশি করে ব্যঙ্গ কাটুর্ন আর সিনেমা বানাবে। মুসলমানরাই হবে নবীর ব্যঙ্গ কার্টন ছাপানোর আর্থিক যোগানাদাতা। উফ ! ভাবতেই ভালো লাগে। একটা শ্লোগান হবে-
“এক গ্লাস ডানো দুধ খাও, নবীর একটা ব্যঙ্গ কার্টুনের সওয়াব নাও।”
এবার ডেঙ্গু যেন হাটি হাটি করে ‘নির্ধারিত স্থানে কোরবানী’ করতে হবে- এই বক্তব্যে না পৌছায়। এন.সি-২৪২
এবার ডেঙ্গু যেন হাটি হাটি করে ‘নির্ধারিত স্থানে কোরবানী’ করতে হবে- এই বক্তব্যে না পৌছায়।

Image result for জাহাজ
সরকারকে বলে দিচ্ছি-
এবার ডেঙ্গু যেন হাটি হাটি করে ‘নির্ধারিত স্থানে কোরবানী’ করতে হবে- এই বক্তব্যে না পৌছায়।
কারণ ডেঙ্গু এক জিনিস, আর ‘কোরবানীর স্পষ্ট’ অন্য জিনিস,
দুইটা এক করার চেষ্টা করলে সরকার নিজেকে প্রতি বছরের মত এবারও হাসির খোরাকে পরিণত করবে।
আর বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে নির্ধারিত স্থানে কোরবানী দেয়া কখনই সম্ভব না এবং সরকারের পক্ষেই সেই পরিস্থিতি সামাল দেয়াও সম্ভব না। কারণ-
১) সরকার যতগুলো কোরবানীর স্পষ্ট নির্ধারণ করবে, গড়ে প্রতি স্পটে ৩ থেকে ৫ হাজার কোরবানি করতে হবে। কিন্তু ছবিতে দেখতে পাচ্ছে, সরকারের নির্ধারিত স্থানে ৫টার বেশি কোরবানি করা সম্ভব না।
২) সরকারের শ্লোগান- “রাস্তায় কোরবানী করবেন না, নির্ধারিত স্থানে কোরবানী করবেন।” এটা একটা ভুয়া শ্লোগান। কারণ সিটি কর্পেরেশন থেকে নির্ধারিত স্পটগুলো দেখুন(https://bit.ly/2Yl9gpj), ৯৯% স্পটই হচ্ছে রাস্তা। এর কারণ ঢাকা শহরে আছেই কেবল রাস্তা, খালি যায়গা পাবেন কোথায়?
৩) কোরবানী কেন সরকার নির্ধারিত স্থানে দেয়া সম্ভব না, তার ব্যাখ্যা-(https://bit.ly/2SXTrz0)
৪) বাংলাদেশে কোরবানীর হাট ও পশু জবাইয়ের স্থান নিয়ে প্রথম প্রকাশ্য ষড়যন্ত্র হয় ২০০৫ সালে। বাংলাদেশে মার্কিনপন্থী উকিল মনজিল মোর্শেদ প্রথম হাইকোর্টে একটি রিট করে, হাটের সংখ্যা হ্রাস ও কোরবানীর স্থান নির্দ্দিষ্ট করতে। (https://bit.ly/2zLndkQ) ২০০৫ সালে করা রিটে কোর্ট থেকে রুল পায় ২০০৯ সালে। এরপর সেই রুলের দোহাই দিয়ে সিআইএপন্থী মিডিয়া দৈনিক প্রথম আলো থেকে শুরু করে অন্যান্য মিডিয়াগুলো নিউজ করতে থাকে। সাথে থাকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন) এর মত সিআইএপন্থী এনজিওগুলো।
কথা হলো- জনগণ এখন এগুলো বুঝে, তাই নতুন করে সেই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন না।
৫) দূর্গা পূজার সময় সারা দেশের রাস্তা বন্ধ করে ৩০ হাজার পূজা মণ্ডপ হয়। (https://bit.ly/2Kkppl8) সরকার কিন্তু সেখানে বাধা দেয় না, কিন্তু কোরবানী আসলে সেটা নিয়ে চুলকানি শুরু হয়ে যায়।
বলাবাহুল্য এ বছর এমনিতেই পাবলিক হিন্দুদের উপর চরম ক্ষেপে আছে। এর মধ্যে সরকার যদি কোরবানীর স্পট নিয়ে টানাটানি করে, তবে কিছুদিন পরই দূর্গা পূজা, তখন কিন্তু পাবলিক দূর্গা মণ্ডপ নিয়েও টানাটানি করবে। তাই বিষয়টি নিয়ে যেন সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির তৈরী না হয়, সে জন্য সরকারকে আগে থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের কথা মাথায় রাখতে হবে।
৬) কোরবানীতে পরিবেশ দূষণ হয় না, বরং পরিবেশ শুদ্ধ হয়। কারণ কোরবানীর বর্জ্য্ বলতে আমরা যে অংশগুলো বুঝি সবগুলোই প্রাকৃতিক জৈব বর্জ্য্, যা কখন পরিবেশ দূষণ করে না। পাশাপাশি কোরবানীর রক্ত পানিতে মিশে পানিতে মাছের খাদ্য তৈরী করে। (https://bit.ly/2MzA7XC)
অপরদিকে দূর্গা পূজার সময় ৩০ হাজার পূর্জা মণ্ডপে প্রায় ১০-১২ লক্ষ মূর্তি হয়, যা পানিতে ডুবানোর সময় পানি মারাত্মক দূষণের শিকার হয়। অথচ মিডিয়া, প্রশাসান বা হাইকোর্ট তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না। (https://bit.ly/317T3AT)
তাই সরকার বর্জ্য্ অপসারনে নিজের সামর্থ্য্ বৃদ্ধি করুক, সমস্যা নাই, কিন্তু জনগণের কোরবানি নিয়ে যেন টানাহেচরা না করে।
হঠাৎ দেখলাম জাতীয় সংগীত নিয়ে বেশ তর্ক হচ্ছে। এন.সি- ২৪১
হঠাৎ দেখলাম জাতীয় সংগীত নিয়ে বেশ তর্ক হচ্ছে।
Image result for জাহাজ
হঠাৎ দেখলাম জাতীয় সংগীত নিয়ে বেশ তর্ক হচ্ছে। এগুলো নিয়ে লেখালেখি অনেক আগেই শেষ করেছি। তারপরও নতুনদের উদ্দেশ্য করে এ লেখাটা লিখলাম-
আমি কেন বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় সংগীত পরিবর্তন চাই
১) বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় সংগীত ভারতীয় জাতীয় কবির লেখা। বাংলাদেশে কি জাতীয় কবি নেই? বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাংলাদেশের জাতীয় কবির লেখা হওয়া উচিত।
২) পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা সব সময় একটা কথা বলে, “দাও দুই বাংলা এক করে দাও”। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের বিশ্বাস অবশ্যই কখন না কখনও আবার ভারতের (হিন্দুত্ববাদদের) ছায়াতলে দুই বাংলা এক হবে। এই বিশ্বাসটা ততদিন আমাদের বিশ্বাসের মধ্যে থাকবে যতদিন রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ থাকবে। কারণ এই গানের মূল থিউরী হলো- “দাও দুই বাংলা এক করে দাও”।
৩) রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি মোট ২৫ লাইনের। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে প্রথম ১০ লাইন। তারমানে বাকি ১৫ লাইনের মধ্যে এমন কোন ঝামেলা আছে, যার কারণে তা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। এর ঝামেলাগুলো হলো-
--ক) “তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে”
মন্তব্য: হিন্দু ধর্মে সন্ধাকালে ঘরে দীপ জ্বালানো ধর্মীয় পূজার অংশ।
--খ) “ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে”
মন্তব্য: হিন্দু ও মুসলিম ধর্মের বিশ্বাসে একটা পার্থক্য আছে। হিন্দু ধর্মে তারা স্বদেশকে দেবী দূর্গা, কালী বা অন্নপূর্ণা হিসেবে কল্পনা করে। রবীন্দ্রনাথ তার “আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে” হতে কবিতায় বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। অপরদিকে মুসলমানরা মাতৃভূমি বলতে মায়ের ভূমি বোঝায়, কোন ব্যক্তি বা দেবতা হিসেব কল্পনা করে না। অর্থাৎ স্বদেশ নিয়ে হিন্দু ও মুসলিম বিশ্বাস এক নয়। সেই হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই রবীন্দ্রনাথ মায়ের চরনে মাথা পেতে দেয়ার কথা লিখেছে, যা মুসলিম ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে যায় না।
--গ) “ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে”
মন্তব্য: এটাও হিন্দুদের ধর্মীয় পূজার অংশ। অর্থাৎ দেবীর পায়ের নিচে সম্পদ ভোগে দেয়া হয়, এখানে সেটাই বলা আছে।
--ঘ) “ মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি”
মন্তব্য: দূর্গা বা কালীর গলায় বিভিন্ন ‘মালা’ দেয়া হয়, এগুলো ‘ভূষণ’ বলে। হিন্দুত্ববাদীরা এই ভূষণ বা মালাকে গলার ফাঁসি দেয়ার জন্য ব্যবহার করে পূণ্য পেতে চায়।
৪) একটা দেশের জাতীয় সংগীতের সাথে ঐ জাতির চেতনা নির্ভর করে। বাংলাদেশীরা এমন এক জাতি, যারা কখন বহিঃশত্রুকে মেনে নেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বিতাড়িত করেছে। তাই তাদের জাতীয় সংগীত সেই চেতনার বহিঃপ্রকাশে হওয়া দরকার ছিলো। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয়, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এমন একটা গান নির্ধারণ করা হয়েছে, যাকে “ঘুম পাড়ানির মাসি পিসির গান” বললে ভুল হবে না। এই গান শুনলে চেতনা জাগ্রহ হওয়া তো দূরের কথা, উল্টা সবাই ঘুমিয়ে যাবে। আমেরিকা জাতীয় সংগীত শুনেন, সেখানে আছে যুদ্ধের ডাক, শুনলেই গা গরম হয়ে যাবে। ফ্রান্সের জাতীয় সংগীত শুনেন, সেখানে শত্রুর মাথা কেটে নেয়ার আহবান আছে। অথচ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত শুনলে ঘুম আসে, তাই এ গান দিয়ে আমাদের মূল জাতীয় চেতনা জাগ্রত হওয়া দূরের কথা, ঘুমিয়ে যাবে।
৫) ভারতের জাতীয় সংগীতও রবীন্দ্রনাথের লেখা। সম্প্রতি ভারতের কথা উঠেছে- “রবীন্দ্রনাথ ছিলো ব্রিটিশ দালাল। ভারতের জন্য লেখা জাতীয় সংগীতে ব্রিটিশ প্রভুত্ব ষ্পষ্ট করে ফুটে উঠেছে। তাই ভারতীয়দের মধ্যে অনেকে বলেছে-একটা বহিঃশত্রুর দালালের লেখা জাতীয় সংগীত কিভাবে ভারতের জাতীয় সংগীত হতে পারে?” তাই অনেক ভারতী তাদের জাতীয় সংগীতের পরিবর্তন চায়। লিঙ্কের ভিডিওতে দেখুন- ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সদস্যরা রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সংগীত শুনে সংসদ ভবন থেকে ওয়াক আউট করছে। (https://youtu.be/XPLMvzcrZ-g)
ভারতে যদি রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের ডাক আসতে পারে, তবে বাংলাদেশে উঠলে সমস্যা কোথায় ?
৬) রবীন্দ্রনাথ ছিলো ফ্রি মেসনের সদস্য। এই লিঙ্কে ফ্রি মেসন সদস্যদের লিস্টে গেলে T অক্ষরে গেলে ৩ নম্বরে রবীন্দ্রনাথের নাম পাবেন (https://bit.ly/31eFijN)।
কথা হলো- একজন ফ্রি মেসন সদস্যের লেখা জাতীয় সংগীত কিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হতে পারে?
৭) রবীন্দ্রনাথের পারিবারিক ব্যবসা ছিলো পতিতালয়ের ব্যবসা। রবীন্দ্রনাথ পরিবারের পতিতালয়ের ঠিকানা ২৩৫-২৩৬ বউবাজার স্ট্রিট, কলকাতা। সেখানে ছিলো ৪৩টি ঘর, যার ভাড়া ১৪০ রুপি।
এছাড়া কলকাতার সোনাগাছি পতিতাপল্লীতে তাদের দুইটি ঘর ছিলো বলে ইতিহাসে উল্লেখ পাওয়া যায় ।
(Calcutta: Myths and History, S N Mukherjee, page-101; Under the Raj: Prostitution in Colonial Bengal, Sumanta Banerjee Page 72)
এখন হয়ত জোরজবরদস্তি করে রবীন্দ্রনাথের গান জাতীয় সংগীত হিসেবে চালিয়ে দিলেন। কিন্তু ভবিষ্যত প্রজন্ম কিন্তু এটা নিয়ে হাসবে। বলবে একটা পতিতা ব্যবসায়ীর লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত করা হয়েছে। হিঃ হিঃ।
৮) বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ যেহেতু মুসলমান, তাই জাতীয় সংগীত কে লিখেছে তা একটা বড় ফ্যাক্টর। রবীন্দ্রনাথ অনেক সাহিত্য লিখেছে, সেটা ঠিক, কিন্তু সেগুলোর অনেকগুলোর মধ্যে মুসলমানদের উদ্দেশ্যে করে যাচ্ছেতাই বলে গালাগালি করেছে। যবন, জারজ, চোর, খুনি ও অবৈধ প্রণয় আকাঙ্খিণী এমন কোন গালি নেই, যা রবীন্দ্রনাথ মুসলমানদের উদ্দেশ্যে করে সাহিত্য রচনার নাম করে দেয়নি। আবার মুসলমানের শেষ নবী সম্পর্কেও রবীন্দ্রনাথের উক্তি ভালো নয়। যেমন- মোতাহের হোসেন চৌধুরী শান্তি নিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করেছিল “আপনার লেখায় ইসলাম ও বিশ্বনবী সম্পর্কে কোন লেখা নেই কেন? উত্তরে কবি বলেছিল, “কুরআন পড়তে শুরু করেছিলুম, কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারিনি, আর তোমাদের রসুলের জীবন চরিতও ভাল লাগেনি”। (দ্র: বিতণ্ডা : সৈয়দ মুজিব উল্লাহ, পৃ. ২২৯)।
৯) বাংলাদেশের ভাষা যেহেতু ‘বাংলা’, তাই বাংলাকে ভালোবাসেন, এমন কবির জাতীয় সংগীত নির্বাচন করা উচিত। ইতিহাস বলছে- রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষাকে নয়, হিন্দি ভাষাকে বেশি ভালোবাসতো। ১৯১৮ সালে বিশ্বভারতী’তে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে “ভারতের জাতীয় ভাষা কি হবে” এই বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় হিন্দি ভাষার পক্ষে ওকালতি করে রবীন্দ্রনাথ। তখন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছিলেন, ‘ভাষাতাত্ত্বিক দিক থেকে বাংলা ভাষা হিন্দি অপেক্ষা উন্নততর এবং বাংলাকেই ভারতের সাধারণ ভাষায় পরিণত করা উচিত।
স্বাধীনতা পেলে ভারতবর্ষের জাতীয় ভাষা বা রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ সম্পর্কে জানতে চেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে একটা পত্র লিখেছিলো গান্ধী।
তখন গান্ধীর পত্রের জবাবে হিন্দির পক্ষে অভিমত দিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন:
The only possible national language for inter-provincial intercourse is Hindi in India. অর্থাৎ, আন্তঃ প্রাদেশিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারতের একমাত্র সম্ভাব্য জাতীয় ভাষা হতে পারে হিন্দি। (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্র বর্ষপঞ্জী, কলকাতা, ১৯৬৮, পৃষ্ঠা-৭৮)।
১০) গত কয়েকদিন ধরে দেখতেছি- বাংলাদেশী একটা ছেলে কলকাতায় গিয়ে জাতীয় সংগীতের বিরোধীতা করায় কেউ কেউ ছেলেটার বিরুদ্ধে বলছে। তাদের অধিকাংশের অভিযোগ হলো – ছেলেটা নাকি নকলবাজ।
অথচ ঐ গ্রুপটি ভুলেই যায়, যে রবীন্দ্রনাথের পক্ষ তারা নিচ্ছে, সেই রবীন্দ্রনাথ ছিলো সবচেয়ে বড় নকলবাজ। তার অনেক সাহিত্য আরবি, ফারসী ও ইংরেজী সাহিত্য থেকে চুরি করা। রবীন্দ্রনাথ যে কবিতার জন্য নোবেল পায়, সেই গীতাঞ্জলি নিয়ে আছে অনেক নকলবাজির অভিযোগ আছে। তাঁর "দ্য সং অফারিংস" (গীতাঞ্জলী) এর ২৬ নং কবিতা ও ইংরেজী বাইবেলের "সং অফ সলোমন" এর ৫:২৬ নং শ্লোক এবং গীতাঞ্জলীর ৮৬ নং কবিতা ও খ্রীষ্টিও গান "Canticle" এর হুবহু মিল দেখা যায়।
রবীন্দ্রনাথের প্রমাণিত একটি নকল কবিতা হলো "ভারত তীর্থ"। যা ফারসী কবি "জালালুদ্দিন রুমি"র একটি কবিতার হুবহু নকল।
জালালুদ্দিন রুমি’র লেখা কবিতা-
বায্ আঁ,বায্ আঁ
হর আচে হাস্তী বায্ আঁ।
গর কাফির হর গবরওয়া
বোত পরস্তি বায্ আঁ।
ই দরগাহ মা দরগাহে
ন-উম্মিদ নীস্ত
শতবার গর তাওবাহ শিকস্তী বায্ আঁ
-জালালুদ্দিন রুমি
যার অর্থ-
“ফিরে আসো। ফিরে আসো।
তুমি ‘কাফির’ হও কিংবা অগ্নিউপাসক হও,
কিংবা মূর্তিপূজারীও যদি হও, তুমি আল্লাহ’র দরবারে ফিরে এসো।
এই দরবার আশার দরবার, এখানে কেউ আশ্রয়হীন নয়।
যদি শতবার গুনাহ কর তারপরও তওবা করে ফিরে এসো।”
এই কবিতার (ভাব) নকল করে রবীন্দ্রনাথের কবিতাটি হলো-
এসো হে আর্য,এসো হে অনার্য-
হিন্দু মুসলমান,
এসো এসো আজ তুমি ইংরাজ
এসো এসো খ্রীষ্টান।
মা'র অভিষেকে এসো এসো ত্বরা
মঙ্গলঘট হয়নি যে ভরা-
সবার পরশে পবিত্র করা তীর্থ নীরে
এই ভারতের সাগরতীরে।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন- “ইতিহাস কখন লুকিয়ে রাখা যায় না”
এক দিন না একদিন সত্য প্রকাশিত হবেই।
আজকে রবীন্দ্রনাথকে ভালো সাজিয়ে হয়ত রবীন্দ্রনাথের গান বাংলাদেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দিলেন।
কিন্তু সত্য ইতিহাসটা একদিন না একদিন প্রকাশ হবেই। তখন আপনাদের সবাই ছিঃ ছি বলে ধিক্কার দিবে।
তখন ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবেন না।
না এই ছবি দেখে, কেউ চীনের ‘স্ট্রিং অব পালর্স’ ভেবে ভুল করবেন না। এন.সি-২৪০
না এই ছবি দেখে, কেউ চীনের ‘স্ট্রিং অব পালর্স’ ভেবে ভুল করবেন না।
না এই ছবি দেখে, কেউ চীনের ‘স্ট্রিং অব পালর্স’ ভেবে ভুল করবেন না।
এটা এ বছর যে সব দেশে ডেঙ্গু জ্বর মহামারি আকারে ছড়িয়েছে তাদের চিহ্নিত করণ।
Image result for জাহাজআমি ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন ডাক্তারের সাথে আলাপ করলাম,
তাদের কারো কারো বক্তব্য, গত ৩ মাস যাবত বাংলাদেশে ব্যতিক্রম ধর্মী জ্বরের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে।
অনেকের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু বলা হচ্ছে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ ভাইরাস জ্বর হিসেবে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।
তবে সবার বক্তব্য হলো, অনেক ভাইরাস জ্বর বা ডেঙ্গু রোগি আমরা দেখেছি,
কিন্তু এবারের জ্বরের লক্ষণগুলো সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম, যা আগের সাথে মিলছে না।
হয়ত এখন ‘ডেঙ্গু’ নামে মিডিয়াতে খবর ছড়ানোর পর হাসপাতালে মানুষ আসছে,
কিন্তু গত তিন মাসে এই ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ বাসায় ট্রিটমেন্ট নিয়েছে।
তাদের সবার অভিজ্ঞতা- এবারে ভাইরাস জ্বরের লক্ষণগুলো ভিন্নতর।
আমি জানি না, এখানে অন্য কোন বিষয় আছে কি না,
তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখার দরকার-
বাংলাদেশের ভিআইপিরা বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন কি না।
কারণ অনেকের কাছে হয়ত নতুন আগত ভাইরাসটির খবর থাকতে পারে।
এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের কাছে জানতে চাই,
গত ৩ মাসে ডেঙ্গু হোক বা অন্য ভাইরাস জ্বর হোক,
ব্যতিক্রমধর্মী কোন জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কি না ?
ডেঙ্গু মোকাবেলায় ভারত থেকে বিশেষজ্ঞ আনবে বাংলাদেশ। এন.সি-২৩৯
ডেঙ্গু মোকাবেলায় ভারত থেকে বিশেষজ্ঞ আনবে বাংলাদেশ।
Related image
ডেঙ্গু মোকাবেলায় ভারত থেকে বিশেষজ্ঞ আনবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের দুধ পরীক্ষা করতে ভারতের ল্যাবরেটরিতে পাঠালো সরকার।
কেন ভাই ?
স্বাধীনতার ৪৮ বছর হয়ে গেলো,
দেশ উন্নয়নের চরম শিখরে পৌছালো,
মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চললো,
দেশ প্যারিস লস অ্যাঞ্জেলস হলো,
কিন্তু এতদিনেও একটা ভালো ল্যাবরেটরি বানাতে পারলো না বাংলাদেশ ?
তাহলে এত এত বড় স্থাপনা করে কি লাভ?
যদি একটা সামান্য মশার কাছে আপনারা কুপোকাত হতে হয়?
সত্যিই বলতে, আমার মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে বড় মাপের কোন জীবাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে কেউ ।
সেই জীবাণুর কারণে বাংলাদেশে অধিকাংশ জনগণ ব্যতিক্রমধর্মী জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে, যা আগে কখন দেখা যায় নাই।
অনেকে ডেঙ্গু ডেঙ্গু বলে ভীত হচ্ছে, কিন্তু আমার মনে হয় শুধু ডেঙ্গুর কথা বললে পুরো জিনিসটা আড়াল হয়ে যাবে।
কারণ ডেঙ্গু্ এর আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে।
মূল কথা হলো- শুধু ডেঙ্গু নয়, বরং আরো বেশ কয়েকটি ভাইরাস এ্যাটাক হতে পারে।
এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে (সেটা ডেঙ্গু হোক অন্য ভাইরাস জ্বর হোক) পুরোটাই ব্যতিক্রমধর্মী, যার লক্ষণগুলো আগে কখন দেখা যায় নি।
এবং সম্ভবত তিন থেকে সাড়ে তিন মাস ধরে এর আক্রমণ চলছে বাংলাদেশ জুড়ে।
((বিস্তারিত জানতে কমেন্টসহ পড়ুন- https://bit.ly/2KsVszE))
গত পরশু পশ্চিমবঙ্গের মমতাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো- পশ্চিমবঙ্গের ডেঙ্গু সম্পর্কে, সে নির্দ্দিধায় বলে দিলো- এটা বাংলাদেশী মশা। বাংলাদেশ থেকে এসেছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, ভারতেও তো এর আগেও ডেঙ্গু হয়েছে, কিন্তু এবারের ডেঙ্গু বাংলাদেশের মশার দ্বারাই হয়েছে, এটা কেন বললো মমতা ?
নাকি তার জানাই ছিলো বাংলাদেশে এবার জীবাণু অস্ত্র ছড়ানো হয়েছে,
যা হয়ত কোনভাবে পৌছে গেছে কলকাতা।তাই এ কথা বললো মমতা।
কিছুদিন আগে দেখলাম, “ডেঙ্গু জ্বর জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হয়েছে” এই মর্মে বাংলাদেশের এক আইনজীবি স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় এবং সিটি কর্পোরেশনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে। নোটিশে আইনজীবি মাহমুদুল হাসান বলেন, শত্রুভাবাপন্ন কোনো দেশ বা গোষ্ঠী ডেঙ্গু জ্বরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, প্রয়োগ কিংবা পরীক্ষা চালাতে পারে। এ কাজে মশাকে রোগ ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। একটি গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে এ আইনজীবী নোটিসে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অপারেশনের (পিএক্স) নামে জাপান ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগের ভাইরাসকে জীবাণু অস্ত্রে রূপান্তর করে আমেরিকা আক্রমণ করে। ”( https://bit.ly/2YnO2ak)
আমার কাছে মনে হয়, “বাংলাদেশে কোন জীবাণু অস্ত্রের আক্রমণ হয়েছ “, এমন সন্দেহ হলেই আগে মহাখালীর আইসিডিডিআরবি’কে ধরা উচিত। এই সংস্থাটা বিদেশী টাকায় চলা এক ইহুদী সংস্থা। এরাই বাংলাদেশে জীবাণু নিয়ে ব্যাপক পর্যায়ে গবেষণা চালায়। বাইরে থেকে যদি কোন জীবাণু বাংলাদেশে ঢুকাতেই চায়, তবে আইসিসিডিডিআরবি’র সমন্বয় ছাড়া ঢুকাতে পারবে না। বাংলাদেশে কিভাবে এই নতুন জীবাণু ঢুকলো, তার ব্যাখ্যা আইসিডিডিআরবি’র কাছে চাওয়া উচিত।
আরেকটি কথা,
যেহেতু বাংলাদেশ আমেরিকা ও চীনের প্রক্সি ওয়ার জোনের মধ্যে পড়ে গেছে,
চীন চাচ্ছে বেল্ট রোড ইনেশিয়েটিভ বা স্ট্রিং অব পালর্স করে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে,
আর আমেরিকা-ভারত চাইছে কোন মতেই যেন চীন দাড়াতে না পারে।
তাই চীন যে দেশগুলোর মাধ্যম দিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে, সে দেশগুলোর উপর আঘাত আসা খুব স্বাভাবিক। যেহেতু বাংলাদেশ চীনের প্রজেক্ট সহযোগী, তাই বাংলাদেশ যে নতুন নতুন সম্রাজ্যবাদী ঝামেলায় পড়বে, তা আমাদের জনগণকে মেনে নিতে হবে। এবং কিভাবে সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা যায়, সেটা নিজেদেরকেই চিন্তা করে বের করতে হবে। বিশেষ করে জীবাণুগুলো বাংলাদেশে যত উপায়ে ঢুকতে পারে, সবগুলোর মধ্যে বাধা তৈরী করতে হবে।
যেমন- গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে একজন জানাচ্ছে- কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নাকি বিশাল পরিমাণ ভারতীয় গরু ঢোকার প্রস্তুতি হচ্ছে, যে কোন সময় ভারতীয় গরু জোয়ারের মত প্রবেশ করবে।। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে বাংলাদেশ মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয় কোরবানী উপলক্ষে ভারত থেকে সমস্ত গরু প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। (সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ১৬ই জুলাই, ২০১৯)
কিন্তু সরকার মুখে মুখে এ আইন করলেও ঈদের ঠিক আগ মুহুর্তে সীমান্ত খুলে দেয়ার একটা প্ল্যান তাদের আছে। এ ক্ষেত্রে যতক্ষণ সিমান্ত উন্মুক্ত থাকবে, ততক্ষন ঘণ্টা হিসেবে টাকা দিতে হবে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের। বিজিবিসহ সরকারের কয়েকটি মন্ত্রনালয় এর ভাগ পাবে।
আরো উল্লেখ্য, ভারতীয় গরুগুলো যেহেতু রাজস্থানসহ বিভিন্ন দূরদূরান্ত এলাকা থেকে আসে, তাই এসব গরুকে বাচিয়ে রাখতে বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এই ওষুধের কারণে স্বল্প সময়ের মধ্যে জবাই করা ভারতীয় গরুর মাংশে ক্ষতিকর পদার্থ থেকে যায়, যার দরুণ, কিডনী, লিভার ফেইলরসহ বিভিন্ন ক্রোনিক ডিজিজের সম্ভবনা তৈরী হয়। তখন বাংলাদেশীদেরকে চিকিৎসা নিতে দৌড়াতে হবে ভারতে।
তাছাড়া ভারতীয়রা শত্রুতা করে যদি গরুর শরীরে বিভিন্ন ইনফেকসাস জীবাণু পুশ করিয়েই দেয়, তবে তা বাংলাদেশীদের শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়াও অস্বাভাবিক নয়। এবং সেটাই প্রস্তুতি চলছে।
আমি আবার বলছি,
বাংলাদেশের জনগণকে এই জীবাণু অস্ত্রের ব্যাপারে ভীতি নয়, বরং সচেতন হতে হবে। এবং বিদেশী যত মাধ্যম হয়ে তা বাংলাদেশে প্রবেশ ঘটতে পারে, তার সবগুলো আগেই আটকে দিতে হবে।
কয়েকটি তথ্য শেয়ার করতেছি, তবে এটা স্ট্যাটাস নয়।এন.সি-২৩৮
কয়েকটি তথ্য শেয়ার করতেছি, তবে এটা স্ট্যাটাস নয়।
Image result for জাহাজ
কয়েকটি তথ্য শেয়ার করতেছি, তবে এটা স্ট্যাটাস নয়।
আপনাদের কারো কাছে যদি এ বিষয়ে আরো কোন তথ্য থাকে, বা আরো বিস্তারিত থাকে, কিংবা আমার কোন তথ্য ভুল মনে হয়, তবে সেই তথ্য দয়া করে কমেন্টে শেয়ার করবেন।
১)
ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন, তার নাম সার্জ ওয়েইনবার্গ,
সে ফেঞ্চ ইহুদী ব্যবসায়ী। তার অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে।
তবে বহুজাতিক ওষধ কোম্পানি সানোফি’র চেয়ারম্যান সে।
বাংলাদেশেও সানোফি’র শাখা আছে।
ডেঙ্গুর একমাত্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ভ্যাক্সিন ডেঙ্গভ্যাকসিয়া (Dengvaxia) এই কোম্পানির ঔষধ।
২)
২০১৬ সালে ১১টি দেশ সানোফি’র ডেঙ্গভ্যাকসিয়াকে অনুমোদন দেয় বলে খবর বের হয়। দেশগুলো হলো- মেক্সিকো, ফিলিপাইন, ব্রাজিল, এল সালভাদোর, কোস্টারিকা, প্যারাগুয়ে, গুয়াতেমালা, পেরু, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর। (https://bit.ly/2T0VimM)
৩)
সমস্যা বাধে ২০১৭ সালে। ডেংভেক্সিয়া নিয়ে তোলপাড় ঘটে যায় ফিলিপাইনে। ৮ লাখেরও বেশি স্কুল শিশুকে দেয়া হয় এই ভ্যাকসিন। কিন্তু রোগ প্রতিরোধের বদলে, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেকে। এরইমধ্যে মারা যায় ১৬ জন। এ ঘটনায় ভ্যাকসিনটির উৎপাদক, ফরাসি কোম্পানি- সানোফিকে জরিমানা করে ফিলিপাইন সরকার। বন্ধ করে দেয়া হয় ডেংভেক্সিয়ার কার্যক্রমও।
সানোফি কর্তৃপক্ষ জানায়, যাদের ডেঙ্গু নেই তাদের শরীরে ডেংভ্যাক্সিয়া দেয়া হলে, গুরুতর অসুস্থ হতে পারে, ঐ ব্যাক্তি। এরপরই তোলপাড় শুরু হয়, ফিলিপাইনজুড়ে। টিকা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। টিকা দেয়ার পর দেশটিতে মারা যাওয়া ১৪ শিশুর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়, ১০ সদস্যের তদন্ত কমিটিও। শেষমেষ ঐ কমিটি জানায়, এই ওষুধ প্রয়োগে রোগ প্রতিরোধের বদলে, উল্টো গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেক শিশু। পন্যের নিবন্ধন ও বিপননজনিত কারনে, ফরাসি কোম্পানি সানোফিকে, ২ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করে, ফিলিপাইন সরকার। (https://bit.ly/2GIGxAc)
৪)
তবে ২০১৯ সালে ফিলিপাইনে যখন আবার ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করে প্রায় ৪৫০ জন মারা যায়, তখন সানোফি’র ডেংভ্যাক্সিয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে তার ফের ব্যবহার করার অনুমতি দেয় দেশটির সরকার। সানোফি’র বক্তব্য- ফিলিপাইন সরকারের উচিত হু’ এর নির্দেশনা মেনে চলা। (https://bit.ly/2YA0qDJ)
(৫)
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা দিয়েছে তারা সানোফির ডেঙ্গু ভ্যাক্সিন ‘ডেঙ্গভ্যাকসিয়া’ আমদানি করার কথা ভাবছে। তারা ইতিমধ্যে সানোফির পরিচালকদের সাথে মিটিং করেছে। ওষুধটির দাম পড়বে জনপ্রতি ৫-৬ হাজার টাকা। তবে ওষুধটি তাদের উপর প্রয়োগ করা যাবে, যাদের দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হয়েছে। প্রথম বার ডেঙ্গু হয়েছে, এমন লোকের উপর প্রয়োগ করলে ঐ ওষুধ রিয়্যাকশন তৈরী করে তাকে অসুস্থ করে দিতে পারে। (https://bit.ly/2ZwCuy6)
আমি ঐ খবরগুলো পড়ে আমি এতটুকু বুঝেছি-
এবার ডেঙ্গুর পর বাংলাদেশে সানোফির ব্যয়বহুল ডেঙ্গু ভ্যাক্সিন ‘ডেঙ্গভ্যাকসিয়া’ আসতেছে।
তবে এর পরেও যদি আপনাদের কাছে এ বিষয়ে নতুন কোন তথ্য থাকে, তবে দয়া করে কমেন্টে জানাবেন।
Image may contain: 1 person, smiling, standing, suit and indoor, text that says 'SANOFI'
বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা। এন.সি-২৩৭
বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর 
খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা

বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা
Related imageগতকাল (৩রা আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানীর নিকটে ধামরাইয়ে একটি ভোজ্যতেল তৈরীর কারখানায় অভিজান চালিয়ে র‌্যাব ৩ হাজার মেট্রিক টন শুকরের মাংশ, হাড়, চর্বি জব্দ করে। ঐ প্রতিষ্ঠানটি শুকরের মাংশ দিয়ে ভোজ্য সয়াবিন তেল, মাছ-মুরগীর ফিড তৈরী করছিলো। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিজান চালিয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন শুকরের চর্বি, মাংস ও হাড় আমদানির চালান ফরম জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির নাম কেবিসি এগ্রো (প্রাঃ) লিমিটেড, তারা হেলথ কেয়ার নামক সয়াবিন তেল, রাইস ব্যান ওয়েল ও মাছ মুরগীর ফিড তৈরী করতো।
কেবিসি এগ্রো (প্রাঃ) লিমিটেড নামক কোম্পানির মালিকের নাম ‘রাজকুমার আগরওয়াল’, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নাম সুধীর চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপকের নাম তাপস দেবনাথ। ‘রাজকুমার আগরওয়াল’ লোকটা ভারতীয় ব্যবসায়ী। পশ্চিমবঙ্গে তার ‘বনসল অয়েল’ নামক একটি ভোজ্যতেল কোম্পানি ছিলো, যা কয়েক বছর আগে আর্থিক দৈন্যতায় বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশে উত্তরবঙ্গে ‘রাজকুমার আগরওয়াল এন্ড কোং – এর নাম শোনা যায়।
উল্লেখ্য ভারতীয় ব্যবসায়ী রাজকুমার আগরওয়াল ঢাকার পার্শ্ববর্তী ধামরাইয়ে বেশ কয়েক বছর আগে প্রায় ৪ একর যায়গার উপর এই কেবিসি এগ্রো নামক ফ্যাক্টরি তৈরী করে। ফ্যাক্টরির দৈনিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১০০ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল।
পাঠক ! লক্ষ্য করুণ-
ধামরাইয়ে কেবিসি এগ্রো থেকে জব্দ হয়েছে ৩ হাজার মেট্রিক টন শুকরের মাংশ, হাড় ও চর্বি। পরিমাণটা বুঝতে পারছেন ?
একটা বড় ট্রাকে যদি ৫ মেট্রিক টন আটে, তবে ৩ হাজার টন মানে ৬০০ ট্রাক শুকরের মাংশ, চর্বি ও হাড় রেডি রাখা হয়েছিলো এসব খাদ্য বানানোর জন্য।
এছাড়া পূর্বের চালান উদ্ধার করা হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন শুকরের চর্বি, মাংস ও হাড় আমদানির হিসেব। ট্রাক দিয়ে হিসেব করলে যার পরিমাণ দাড়ায় ৬০ হাজার ট্রাক শুকর পণ্য। যা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মুসলমানরা খাদ্যের মাধ্যমে সাবার করে ফেলেছে !
যাই হোক, স্ট্যাটাসের শেষে একটা কথা বলতে চাই।
কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট ও শাহজালাল ভার্সিটিতে পৃথক ঘটনায় হিন্দুদের বিরিয়ানীর মধ্যে গরুর মাংশ দেয়ায় হিন্দুরা তীব্র প্রতিবাদ জানায়। যে ক্যান্টিন থেকে খাবার দেয়া হয়েছিলো তার মালিককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠায়। আমার কথা হলো- মুসলমানরা হিন্দুদের ২ টুকরা গরুর মাংশ খাওয়ালে যদি হিন্দুরা এত প্রতিবাদ করতে পারে, তবে হিন্দুরা যে মুসলমানদের খাবারের মধ্যে ৬০ হাজার ট্রাক শুকর মাংশ-হাড়-চর্বি ঢুকায় দিছে, তার প্রতিবাদ কি মুসলমানরা করবে ??
আরেকটিক কথা, অন্য ধর্মের লোকরা মুসলমানদের কোন খাবার দিলে তারা গোগ্রাসে গিলে ফেলে, ভাবে- আহারে কত ভালো মানুষ।
কিন্তু সেই খাবারের মধ্যে কি লুকিয়ে আছে সেটা বিচার করে না। এক রাজকুমার আগারওয়াল যদি বাংলাদেশের মুসলমানদের ৬০ হাজার ট্রাক শুকর খাওয়াতে পারে, তবে বাকি সব অমুসলিম মুসলমানদের কি খাওয়াবে, তার হিসেব মুসলমানরাই করে দেখুক।
Image may contain: one or more people and text
আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ? এন.সি-২৩৬
আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে 
বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ?

আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ভেতর জমি চাওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ?
Image result for জাহাজঅনেকভাবে চিন্তা করলাম, দু’টি কারণ হতে পারে। প্রথমটির সম্ভবনা জোড়ালো, দ্বিতীয়টি জোড়ালো না হলেও হতে পারে-
প্রথম কারণ:
বাংলাদেশের হিন্দুদের ঢাকা এয়ারপোর্ট এভয়েড করানো। বাংলাদেশের যেসব হিন্দুরা বিমান চলাচলে অভ্যস্ত, তারা ঢাকা এয়ারপোর্টের মাধ্যমে যাতায়াতে নিজেদের গোপনিয়তার লঙ্ঘন বলে মনে করছে। হয়ত তারা এমন জিনিস বহন করছে, যা ঢাকা এয়ারপোর্টের মাধ্যম হয়ে গেলে একদিন না একদিন ফাঁস হয়ে যেতে যেতে পারে। যেমন ধরুন, কয়েকদিন আগে কারাগারের প্রিজন পার্থ গোপাল বণিক গ্রেফতার হলো টাকার বস্তা নিয়ে। তার সম্পর্কে পাওয়া তথ্য বলছে তার দৈনিক ইনকাম ছিলো ১০ লক্ষ টাকা। এরকম লক্ষ লক্ষ হিন্দু আছে, যারা বাংলাদেশকে বিভিন্ন সেক্টরে চুষে দৈনিক লক্ষ কোটি টাকা ইনকাম করছে। এরা সাধারণত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা রাখে না কিংবা কোন সম্পদও ক্রয় করে না। এরা ঘরের ভেতর বস্তায় ভরে টাকা রাখে এবং যেহেতু তারা বাংলাদেশকে সেকেন্ড হোম ভাবে, ভারতকে ভাবে ফার্স্ট হোম, সেহেতু তারা টাকার বস্তাটা কোন ভাবে ভারতে নিয়ে যেতে যায়। এতদিন হয়ত কোন না কোন সিস্টেম করে চলে এসেছে, কিন্তু অতি সম্প্রতি দুদকের নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সরকারের সাথে উগ্রহিন্দুদের দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকায়, তারা অনুভব করছে, হয়ত অদূর ভবিষ্যতে তাদের ভারত যাওয়ার উপর বিশেষ নজরদারি হতে পারে। আর এতেই ফাঁস হয়ে যেতে পারে বড় ধরনের টাকা পাচারের ঘটনা। এ বিষয়গুলো এড়ানোর জন্য তারা দেশের মধ্যে তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে একটা বিমান বন্দর চায়, যার মাধ্যমে কোন বাধা ছাড়াই তারা ভারতের উদ্দেশ্যে ‘টেক অফ’ করতে পারে।
দ্বিতীয় কারণ (হতেও পারে):
বিমানবন্দরের যায়গা চাওয়া হয়েছে আগরতলার সীমান্ত ঘেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। ঐ এলাকার আশেপাশে অনেকগুলো গ্যাসফিল্ড আছে। তিতাসগ্যাস ফিল্ড, সাহজিবাজার গ্যাস ফিল্ড, হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড। ঐ গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকেই দেশের গ্যাসের একটা বড় অংশ সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমানা ঘেষে এমন আরো স্থান থাকতে পারে, যেখানে বড় ধরনের গ্যাস মজুদ থাকতে পারেবলে ভারতের কাছে খবর আছে। দেখা যাবে, ভারত বাংলাদেশের ভেতর সেরকম কোন স্থান পছন্দ করেছে, যার নিচে আছে বড় গাসের মজুদ। ঐ স্থানে বিমানবন্দর হলে সেই গ্যাস মজুদের স্থানটি এমনিতেই ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।
এ দুটি কারণ ছাড়া আরো যদি কোন কারণ থাকতে পারে বলে আপনাদের কাছে মনে হয়, তবে কমেন্টে লিখতে পারেন।