যারা ভাবছেন ইথোফেন ও কার্বাইড মেশানো আম বিষাক্ত। এন.সি- ৩৩৯
যারা ভাবছেন ইথোফেন ও কার্বাইড মেশানো আম বিষাক্ত
Image result for আম
যারা ভাবছেন ইথোফেন ও কার্বাইড মেশানো আম বিষাক্ত, তারা ভিডিওটি পুরোটা দেখবেন, এখানে সব উত্তর পেয়ে যাবেন।
মূলত ‘ইথোফেন বা কার্বাইড মেশানো আম বিষাক্ত’ এই গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে আমের দেশী ও বিদেশী বাজার নষ্ট হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
https://www.facebook.com/noyonchatterjee5/videos/292221885015908/?t=0
গতকাল বাংলাদেশ থেকে আগত একজন শিক্ষিত ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ হচ্ছিলো। এন.সি- ৩৩৮
গতকাল বাংলাদেশ থেকে আগত একজন 
শিক্ষিত ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ হচ্ছিলো।

Image result for পানি
গতকাল বাংলাদেশ থেকে আগত একজন শিক্ষিত ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ হচ্ছিলো।
তিনি বললেন- আপনি না বলেছিলেন- আইনজীবি মোনজিল মোরশেদ সিআইএপন্থী আর হাইকোর্টে বিচারকদের মধ্যে সিআইএ ঢুকছে।
আমি বললাম- হ্যা, তাই তো বলেছিলাম।
তিনি আরো বললেন- আপনি না স্ট্যাটাস দিছিলেন- সিআইএ বাংলাদেশের উৎপাদন খাত ধ্বংস করতে চায়, সকল ব্যবসায়ীকে পথে বসাতে চায়।
আমি বললাম- হ্যা তাই তো বলেছিলাম।
তিনি বললেন- মোনজিল মোরশেদ তো আমাদের ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মেরে রিট করছে। হাইকোর্ট সেটা এক্সসেপ্ট করছে।
আমি বললাম- কেন কি হয়েছে ?
তিনি বললেন- কেন জানেন না ? সরকার ঋণ খেলাপীদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে নতুন নীতিমালা করছিলো, সেটা মোনজিল মোরশেদ রিট করে স্টে (স্থিতিবস্থা) করে দিছে। এই সুবিধা যদি জারী হইতো, তবে বাংলাদেশের উৎপাদন খাত ঘুড়ে দাড়াইতো, ব্যাবসা বাণিজ্য চাঙ্গা হইতো, অনেক লোকের কর্মসংস্থান হইতো। চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কট দূর হইতো। কিন্তু রিট করে দেশের ব্যবসাখাতে কুড়াল মারছে এরা।
আমি বললাম- ঋণ খেলাপী মানে তো ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি নিয়ে লোপাট করা।
তিনি বললেন- দূর এগুলো মিডিয়ার অপপ্রচার। হাজার কোটি টাকা নেয়ার ব্যবসায়ীরা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে, ওদের অনেকের নিজের ব্যাংক আছে, অনেকের দেশে বিদেশে হাজার কোটি টাকা সম্পত্তি আছে। ওরা এত ক্ষমতাবান, ওদের কোন কিছু হবে না। মূল সমস্যা হবে আমাদের মত যারা মধ্য ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তারা এবার পথে বসে যাবে।
আমি বললাম- পুরোটা একটু বিস্তারিত খুলে বলুন তো।
তিনি বললেন- গত বেশ কিছুদিন যাবত দেশের ব্যবসা পরিস্থিতি খারাপ যাচ্ছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ী বর্তমানে লসের মধ্যে আছে। তারা ব্যাংকের টাকা শোধ করতে পারতেছে না, আবার খেলাপী হয়ে নতুন লোনও নিতে পারতেছে না। ধরেন কোন ব্যবসায়ী ২০ লক্ষ টাকা লোন নিছে। তাকে ৩৬ কিস্তি (৩ বছরে ৩৬ মাসে) শোধ করতে হবে। কিন্তু সেটা সে পারে নাই। তখন তাকে আরো ২ বছর সময় দেয় ২৪ কিস্তিতে লোন সুদে আসলে শোধের জন্য। কিন্তু যে ৩৬ মাসে শোধ করতে পারে না, সে ২৪ মাসে শোধ করবে কিভাবে ? যে লোক ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যবসা করে সে তো সব খরচ শেষে, সংসার চালায় লাভ থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা মাসে কিস্তি দিতে পারে না। সরকার অনেক কাজ খারাপ করে, কিন্তু এই নতুন পলিসিতে ব্যবসার পক্ষে বেশ ভালো করছিলো। এই নীতিমালায় ঋণ ১০ বছরে ছোট ছোট কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ, কিছু ক্ষেত্রে সুদ মওকুফ, আবার ঋণ নেয়ার সুযোগ। এই নতুন সিস্টেম ব্যবসায়ী মহলে বেশ সাড়া যাগাইছিলো। কারণ এখন তো ব্যবসাই হচ্ছে না। টাকা আমরা পাবো কোথায় ? এক দুইবার ব্যবসায় লস হয়ে কিস্তি না দিতে পারলেই খেলাপী হয়ে যাই। এই নতুন পলিসিতে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা করার সুযোগ পেতো। ইহুদীদের বানানো আন্তর্জাতিক বেসেল কমিটির বানানো ব্যাংকিং সিস্টেমের উপর এটা ছিলো একটা আঘাত। কিন্তু সেটা রিট করে আটকানো হইছে। ও তো রিট দেশের পক্ষে করে নাই, দেশের দারিদ্রতা আরো বাড়ানোর জন্য করছে। বর্তমান যে অবস্থা চলতেছে তা যদি চলতে থাকে, তবে খুব শিঘ্রই ক্ষুদ্র আর মাঝারি ব্যবসায়ীরা চিরতরে হারিয়ে যাবে। আপনি খোজ নিয়ে দেখেন, অনেক ব্যবসায়ীর প্রায় মৃত প্রায় অবস্থা, তারা মৃত্যুর প্রহর গুনছে মাত্র। তারা শেষ হলো, তাদের মাধ্যমে যাদের রুটি-রুচি হয়, তারাও শেষ হবে।
ঐ ব্যবসায়ীর দিকে তাকিয়ে আমি আফসোস করলাম।
কারণ আমি জানি, এ ব্যবসায়ীদের কষ্ট প্রথম আলোর বানিয়ে দেয়া বর্তমান সুশীল জনগণ বুঝবে না। এটা নিয়ে তারা কখনও প্রতিবাদও করবে না।
তাদের দৃষ্টিতে ব্যবসায়ী মানে খারাপ, নিকৃষ্ট। ব্যবসা বা ব্যবসায়ীরা শেষ হলে তাদের কি ?
তারা তো চাকুরী করবে।
অথচ এই সুশীল জনগণ জানেই না, বাংলাদেশের উৎপাদনশীল খাতের মাত্র ১% সরকারি, আর বাকি ৯৯% বেসরকারি বা ব্যবসায়ীদের হাতে। ব্যবসায়ীরা যদি মারা যায়, তবে তারা চাকুরী পাবে কোথায় ? সরকার তো আর সবার চাকুরী দেয় না। আমার জানা মতে, বর্তমানে প্রাইভেট সেক্টরে খারাপ অবস্থার কারণে অনেক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অনেকে বেশ কয়েক মাস যাবত স্ট্যাফদের বেতন দিতে পারছে না। জনগণ তো বুঝে না, এই ব্যবসায়ীরা শেষ হলে কয়েকদিন পর তারাই চাকুরী পাবে না, আবার বেকারত্ব এত বাড়বে যে ১টা পোস্টের বিপরীতে লক্ষ লক্ষ বেকার এপ্ল্যাই করবে। তাই ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের যদি ঘুরে দাড়ানোর সুযোগ না দেয়া হয়, তবে দেশকে বাচানো সত্যি কঠিন হবে।
এ সম্পর্কে খবর-
১) https://bbc.in/2HA2vGn
২) https://bit.ly/2JEoVby
Image may contain: 1 person, text that says 'ঋন খেলাপিদের বিশেষ সুযোগ আটকে দিল হাইকোর্ট คTTUTOนL রিটকারী আইনজীবি মোনজিল মোরশেদ'
মিডিয়ায় যে কোন ইস্যু পাইলে বাংলাদেশের জনগণ লাফ দিয়ে পড়ে।এন.সি- ৩৩৭
মিডিয়ায় যে কোন ইস্যু পাইলে বাংলাদেশের জনগণ লাফ দিয়ে পড়ে।
Related image
মিডিয়ায় যে কোন ইস্যু পাইলে বাংলাদেশের জনগণ লাফ দিয়ে পড়ে।
আর সে ইস্যু দিয়ে যদি আওয়ামীলীগ, প্রশাসন বা সরকারের কোন অংশের সমালোচনা করা যায় তবে তো কথাই নাই।
পাবলিক সেটা মাথায় নিয়ে নাচে।
আমি একটা সূত্র সব সময় শিক্ষা দেই-
কোন ঘটনা ঘটলে
প্রথমে দেখবেন- কে ঘটাচ্ছে ?
আর দ্বিতীয়ত দেখবেন, যে ঘটাচ্ছে তার উদ্দেশ্য কি ?
বাংলাদেশের মিডিয়া জগতে বেশিরভাগের আগমন ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফেডারেশন অথবা বাম লেখক সংগঠন লেখক শিবির থেকে। এরাই বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, পত্রিকা বা নিউজ পোর্টালের চীফ নিউজ এডিটর হিসেবে বসে আছে,
অথবা মিডিয়া যাদের পজিটিভ হাইলাইট করছে তারা ঐ সংগঠনগুলো থেকেই আগত।
সামনাসামনি বাংলাদেশের মানুষ এই বামপন্থীদের দুই চোখে দেখতে পারে না।
কিন্তু এই লোকগুলো যখন বিভিন্ন মিডিয়ার আড়ালে বসে নিউজ করে, মানবাধিকার কর্মী, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, পরিবেশবাদী কর্মী, পরিবেশবাদী আইনজীবি, দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা, গবেষনা সংস্থা, বুদ্ধিজীবি সংস্থার নাম দিয়ে আসে, তখন সেই নিউজ ও পলিসিগুলো জনগণ দেদারসে খায় এবং সেই অনুসারে মাইন্ড সেটআপ করে এবং সে অনুসারে মত প্রকাশ করে নিজেকে সুশীল দাবী করে।
প্রত্যক্ষভাবে দেখা যায়,
বাংলাদেশের বাম সংগঠনগুলো কিন্তু আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে।
সেই বাম সংগঠনগুলো যখন সরকারবিরোধী বিভিন্ন ইস্যু নেয়, তখন সেগুলো খুব একটা পাবলিক খায় না।
কিন্তু সেই সংগঠনের বিভিন্ন সদস্যরা যখন মিডিয়া বা সংগঠনের আড়ালে বসে সরকারের বিরুদ্ধে খবর করে তখন সেগুলো পাবলিক চোখ বন্ধ করে গলধঃকরণ করে।
মানুষ বুঝে না, বাংলাদেশের বাম সংগঠনগুলো (ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফেডারেশন এবং লেখক শিবিরের একাংশ) হচ্ছে মার্কিন ডেমোক্র্যাট ব্লকের আখড়া। তারা নিজেদের পরিচয় বাদ দিয়ে যখন আর্টিফিসিয়াল ফেস হিসেবে মিডিয়ায় সাংবাদিক, পরিবেশবাদী কর্মী, মানবাধীকার কর্মী, আইনজীবি, দুর্নীতিবিরোধী কর্মী হিসেবে সামনে আসে তখন খুব সহজেই জনগণ তা ভক্ষণ করে।
এক্ষেত্রে প্রতিক্ষেত্রে তারা সরকারের বিরোধীতার সুরকে কাজে লাগায়।
বিষয়টি অনেকটা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মত, প্রত্যেক ক্রিয়ার বিপরীত সমান প্রতিক্রিয়া আছে।
মানে ডেমোক্র্যাটরা তাদের ইস্যুগুলোকে সরকারবিরোধীতার রূপ দিয়ে জনগণের সরকারবিরোধীর সমর্থনকে তাদের পক্ষে নিয়ে আসে।
জনগণ তখন ভাবে, সরকারবিরোধীতা হচ্ছে, তাহলেই হবে।
কিন্তু কথা হচ্ছে, সরকারবিরোধী ইস্যু হলেও তার নিয়ন্ত্রণ কিন্তু ডেমোক্র্যাটদের হাতে।
সরকার যদি গোপনে ডেমোক্র্যাটদের চাহিদাপূরণ করে দেয়, তখন কিন্তু তারা ঐ ইস্যুতে চুপ হয়ে যায়।
মাঝখান দিয়ে জনগনের সমর্থন ডেমোক্র্যাটরা ফাউ লাভ করে, কিন্তু আলটিমেটলি জনগণের কোন উপকার হয় না।
এই যে মিডিয়াতে যত ইস্যু দেখেন- আম নষ্টের ইস্যু, খেলাপী ঋণীদের বিশেষ সুবিধা বন্ধের ইস্যু, ‍নুসরাত-তনু ইস্যু, সিপিডি বা টিআইবি’র দুর্নীতি ইস্যু, পবা-বেলা-পিআইবি’র পরিবেশ সংক্রান্ত ইস্যু এগুলো সব হলো ডেমোক্র্যাটদের বানানো ইস্যু। এগুলো উপর দিয়ে প্রকাশ পায় সরকারবিরোধীতা, সরকারের বিভিন্ন ফার্মের গাফেলতি প্রকাশ, দুর্নীতি চিহ্নিতকরণ।
বাস্তবতা হলো- এগুলো হলেও সরকারের কখন পতন হয় না বা সরকারের দুর্নীতি কমে না। কারণ এগুলোর কোনটার আসল উদ্দেশ্য জনকল্যান নয়, সরকারের বিরোধীতা নাম দিয়ে ডেমোক্র্যাটদের গোপন উদ্দেশ্য হাসিল করা।
এর বিনিয়মও কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা পাচ্ছে, তারা প্রতিনিয়ত ডালপালা বিস্তৃতি করে শক্তিশালী হচ্ছে। ২০০৮ এ ক্ষমতা পায়নি, ২০১৮ তেও চেষ্টা করেছে। হয়ত ডাইরেক্ট ক্ষমতা পায়নি, এটা ঠিক। কিন্তু জনগণের মন-মগজে কারা অবিরাম ঢুকে পড়ছে। সরকারের পলিসির মধ্যে ডুকে পড়েছে। শিক্ষা সিলেবাসে ঢুকে পড়েছে। আইন ও বিচারবিভাগে ঢুকে পড়েছে, নিউজ মিডিয়ায় একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করেছে। শিল্প সংস্কৃতিতে তাদের পুরাতন প্রভাব আগেও ছিলো, এখনও আছে।
এতগুলো কথা বললাম-
‘জনগনের ব্লক’ তৈরী হওয়ার আগে প্রয়োজন বাংলাদেশের কতগুলো ব্লক সক্রিয় আছে তার সংখ্যা জানা, তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানা। শুধু সরকারবিরোধীতার প্রলেপ দেখলেই লাফ দিয়ে পড়ে, অন্য কোন দলের শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে কি না, সেটাও নিরূপন করা জরুরী।
হয়ত ভাবতে পারেন, সাধারণ জনগণ এসব বুঝবে না।
না বুঝুক। আমি তো প্রথমেই বলেছিলাম- মাত্র ১০০ জন ‘জনগণের ব্লক’র পক্ষে এ্যানালিস্ট লিস্ট তৈরী হোক। তাহলেই যথেষ্ট।
কোন আইনের ভিত্তিতে আম নষ্ট করা হচ্ছে ?এন.সি- ৩৩৬
কোন আইনের ভিত্তিতে আম নষ্ট করা 
হচ্ছে ?

কোন আইনের ভিত্তিতে আম নষ্ট করা হচ্ছে ?
Image result for আমপ্রতিদিন-ই ধ্বংস করা হচ্ছে আম।
-গত পরশু মিরপুরে ধ্বংস করা হয়েছে ২ হাজার কেজি আম(https://bit.ly/2VTrgRE)
-গতকাল আশুলিয়ায় ধ্বংস করা হলো ১৬শ’ কেজি আম। (https://bit.ly/2EwbHd2)
-এছাড়া নওগাতে আমে ফরমালিন (!) মেশানোর অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমান আদালত । (https://bit.ly/2HCweyk)
বর্তমানে এমন অবস্থা হয়ে গেছে, ঝড়ে অনেক এলাকায় আম পড়ে যাচ্ছে, কিন্তু সেই আম পচে নষ্ট হয়ে গেলেও কেউ হাত দিচ্ছে না। কারণ- কাচা আমে হাত দিলে পুলিশে ধরে নিয়ে যাবে। নওগাতে ঝড়ে আম পড়ে যাওয়ার পর সেই আম ১ টাকা কেজিতেও কেউ কিনতে চাইছে না। (https://bit.ly/2MoHUtd)
বাজারে আসলে প্রশাসন ধরবে, এই ভয়ে বাগানগুলোতে কত আম নষ্ট হচ্ছে তার সঠিক হিসেব কারো কাছে নেই।
যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন- আমে কার্বাইড বা ইথোফেন মেশালে আম বিষাক্ত হয় না । (https://bit.ly/30JAq6S)
কিন্তু তারপরও অভিজান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্টেটরা বলছেন ভিন্ন করা। যেমন-
দৈনিক প্রথম আলোর খবরে-
“ মিরপুরে ২ হাজার কেজি আম ধ্বংস করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‍্যাবের নির্বাহী হাকিম নিজাম উদ্দিন আহমেদ। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের জন্য অপরিপক্ব ল্যাংড়া আম নির্ধারিত সময়ের আগেই পেড়ে রাসায়নিকে পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। রাসায়নিকে পাকানো এই আম মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।” (https://bit.ly/2VTrgRE)
জাগো নিউজের খবর-
“আশুলিয়ায় ১৬০০ কেজি আম ধ্বংস করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজোয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ জানান, এ আমগুলো দেখতে পরিপূর্ণ পাকা হলেও এগুলো ভেতরে পুরোপুরিভাবে কাঁচা। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হয়েছে। যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।” (https://bit.ly/2EwbHd2)
পাঠক !
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেউ ফল বিশেষজ্ঞ নয়। বিজ্ঞানীও নয়।
সবাই বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে এডমিন ক্যাডারে আসছে।
তারা বলছে রাসায়নিক পাকানো আম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
অথচ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গবেষকরা বলছে- কেমিকেল দিয়ে পাকানো আম বিষাক্ত নয়। (https://bit.ly/30JAq6S)
এই যে একটা গ্যাপ- এটা কেন ? এটা আগে দূর করা দরকার।
কারণ আমরা সারা দিন বিজ্ঞান বিজ্ঞান করে লাফাই।
কিন্তু নিজেরাই বিজ্ঞান মানি না, অবৈজ্ঞানিকভাবে হাজার হাজার কেজি আম বুলডোজার দিয়ে পিশে ফেলা হচ্ছে, এটা কেমন কথা ?
একটা আম যদি অপরিপক্ক হয়, সেটা তো বিষাক্ত নয়।
তবে সেটা বুল ডোজার দিয়ে কেন পিষে ফেলতে হবে ?
খাবার নষ্ট করার অধিকার তো কাউকে দেয়া হয়নি।
দেশের বহু মানুষ খাদ্যে অভাবে কষ্ট পাচ্ছে, সেখানে বুলডোজার দিয়ে টনকে টন খাবার নষ্ট করা হচ্ছে, এটা কেমন কথা ?
অনেক সময় প্রশাসন জাটকা মাছ আটক করে, জাটকা মাছ তো অপরিপক্ক,
সেটা তো বুল ডোজার দিয়ে পিষে ফেলে না,
তাহলে আমকে কেন পিষে ফেলতে হবে ?
আসলে এই যে আমগুলো ধ্বংষ করা হচ্ছে, তার পেছনের দুটি আইন সব সময় দেখানে হয়।
১) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪২ ধারা। যেখানে বলা আছে-
“মানুষের জীবন বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোন দ্রব্য, কোন খাদ্য পণ্যের সহিত যাহার মিশ্রণ কোন আইন বা বিধির অধীন নিষিদ্ধ করা হইয়াছে, কোন ব্যক্তি উক্তরূপ দ্রব্য কোন খাদ্য পণ্যের সহিত মিশ্রিত করিলে তিনি অনূর্ধ্ব তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।” (https://bit.ly/2HBsKw1)
২) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৫ ধারা। যেখানে বলা আছে-
“কোন ব্যক্তি প্রদত্ত মূল্যের বিনিময়ে প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।” (https://bit.ly/30NLOyy)
প্রথম আইনটি দেখিয়ে দাবী করা হয়, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আম। এই আম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাই ধ্বংস করা হচ্ছে।
এবং দ্বিতীয় আইনটি দেখিয়ে দাবী করা হয়, এই আমগুলো অপরিপক্ক। অপরিপক্ক আম পাকানো হয়েছে, তাই সেটা ধ্বংস করা হচ্ছে।
বর্তমানে র‌্যাব বা ভ্রাম্যমান আদালত যারাই এই আইনের দোহাই দিয়ে আম ধ্বংস করতেছে, আইন অনুসারেই সেটা শুদ্ধ হচ্ছে না। আবার এই আইনের (৪২ ধারা) মধ্যেই ফাক আছে। যদি বাংলাদেশের হাইকোর্ট নিজেই পলুটেড না হতো, তবে সেখানে রিট করে এইসব অভিজান বন্ধ করে দেয়া সম্ভব ছিলো।
বিশেষ করে ৪২ ধারার মধ্যে আছে ‘ক্ষতিকারক পন্য মিশ্রণ খাদ্যের সাথে’।
অথচ খাদ্য উপযোগী যে কোন পণ্য বানাতে ক্ষতিকারক বা বিষাক্ত কেমিকেল প্রয়োজন লাগতেই পারে। প্রায় সব ওষুধ তৈরী করতে সালফিউরিক এসিড লাগে। এখন সালাফিউরিক এসিড এমনি খেলে তো একজন মানুষ সাথে সাথে মারা যাবে।
আবার ফসলে কিটনাশক স্প্রে করা হয়। অথচ কীটনাশক এক ধরনের বিষ, কেউ খেলে সে সাথে সাথে মারা যাবে। কিন্তু তারপরও পোকা মাকড় দমনে সেটা ব্যবহার সিদ্ধ।
কথা হলো, ঐ কেমিকেল ব্যবহার করার পর ফলটি নিজে বিষাক্ত হলো কি না ?
যদি হয়, তবে ঠিক আছে। কিন্তু ঐ কেমিকেল প্রয়োগের পর ফল যদি বিষাক্ত না হয়, তবে ঐ ফল ধ্বংসের কোন অধিকার থাকতে পারে না।
আম ধ্বংসে অভিজানগুলো কিভাবে পরিচালিত হয় ?
প্রথমে প্রশাসনের লোকরা একটি আড়তে গিয়ে আম বাহ্যিক পরীক্ষা করে। যদি আমের ছিলকা হালকা হলুদ হয়, কিন্তু ভেতরে আটি নরম থাকে তখন তারা ব্যবসায়ীকে র‌্যাব-পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট মিলে ঘিরে ধরে। এবং জোর করে মৌখিক স্বীকৃতি আদায় করে- “সে এই আমে অমুক অমুক রাসায়নিক মিশিয়েছে”। এরপর সেই স্বীকৃতি মিডিয়ার লোককে ডেকে এনে ক্যামেরার সামনে দিতে বাধ্য করে। এবং এই স্বীকৃতির ভিত্তি করেই ঐ আম ব্যবসায়ীর ফসল ধ্বংস করা হয় এবং জেল-জরিমানা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে কেমিক্যাল মেশানোর দৃশ্য তারা সরাসরি দেখে না এবং ফলগুলো পরীক্ষা করার কোন সিস্টেম তাদের কাছে নেই যে, আদৌ ফলগুলো বিষাক্ত না পুষ্টিকর। (১১:৩০ থেকে শুনুন-https://bit.ly/2X8tv4X)
কথা হলো, যদি ঐ ফলের মধ্যে বিষাক্ত কিছু পরীক্ষা তারা নাই করে, তবে কোন যুক্তিতে তারা ফলগুলো ধ্বংস করে এবং মিডিয়ার সামনে কিভাবে বলে, এ ফলগুলো বিষাক্ত ? যদি সম্ভব হয়, তারা একটি ভ্রাম্যমান ল্যাব সাথে নিয়ে যাক, বা সেখান থেকে কিছু নমুনা এনে পরীক্ষা করে দেখুক, সেখানে বিষাক্ত কিছু আছে না ? সেটা না করে তাৎক্ষণিক কয়েক মিনিটের পরীক্ষায় এভাবে ফল ধ্বংস করে দেশ-বিদেশে আমাদের আম শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ফেলছে খোদ সরকার ও প্রশাসনই।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রতিদিন ৬ লক্ষ কেজি শুধু আপেল আমদানি করা হয়। এছাড়া আঙ্গুর, কমলা, মাল্টা প্রচুর পরিমাণে আমদানি করা হয়। ২০১৭ সালের হিসেবে এই আমদানি করা ফলের আর্থিক মূল্য ছিলো প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। (https://bit.ly/2WnniFn)
এই সব আমদানি করা ফলের উপর দৃশ্যতই কিন্তু ওয়াক্স (মোম পলিশ) দেখা যায়। ওয়াক্সের কারণে আপেল-আঙ্গুর চক চক করে এবং এগুলো ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা পায়। রাসায়নিক দিক বিবেচনা করলে ওয়াক্স বা মোম কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং দীর্ঘদিন এই ওয়াক্স সমৃদ্ধ ফল খেলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে। যদিও ফলগুলো ধুলে খেলে ওয়াক্স দূরীভূত হয়। কিন্তু কথা হলো, যেই ভোক্তা আইনের ৪২ ধারা মোতাবেক দেশী ফলগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে, সেই ৪২ ধারা দিয়েই কিন্তু বিদেশী ফলগুলো ধ্বংস করা যায়, যদিও সেটা কখনই করা হয় না।
পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৫ ধারা দেখিয়ে অপরিপক্ক দাবী করে আমগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এখানেও আইন ও তার প্রয়োগের মধ্যে গ্যাপ আছে। যেমন আইনে বলা আছে ‘প্রদত্ত মূল্য’। এখানে মূল্যটা কিন্তু ফ্যাক্টর। আমের মূল্য কি ফিক্সড থাকে নাকি দরদাম করে কমবেশি করা যায় ? যদি ফিক্সড থাকতো, তবে ৪৫ ধারা অনুসারে এটাকে বিতর্কিত করা যেতো, কিন্তু আমের মূল্য তো ফিক্সড নয়, কোন গ্রাহক আম বাহ্যিক চোখ দিয়ে (প্রয়োজনে দুই একটা আম কেটে) পরীক্ষা করার সুযোগ পান। এখানে অভিজান যারা পরিচালনা করতেছে আর গ্রাহকের মধ্যে তফাৎ তো খুব একটা বেশি না। যদি আম খারাপ হয়, তবে সে কমমূল্য দিবে, সে সুযোগ তো অবশ্যই আছে।
আমি দেখলাম- ভোক্তা অধিকার আইন শুধু গরীব ব্যবসায়ীদের জন্য।
কিন্তু রাঘব বোয়াল ব্যবসায়ীদের কখনই এই ভোক্তা অধিকার আইন দিয়ে ধরা হয় না।
যেমন- ভোক্তা আইনের ৪৪ ধারায় বলা আছে- “ কোন ব্যক্তি কোন পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অসত্য বা মিথ্যা বিজ্ঞাপন দ্বারা ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।” (https://bit.ly/2K3t0FL)
অথচ লাক্সে বিজ্ঞাপনে প্রতিনিয়ত দেখাচ্ছে- লাক্স সাবান ব্যবহার করে মেয়েরা ফর্সা হয়, বিশ্বসুন্দরী হয়, চাকুরী পায়, আরো কতকিছু।
কোথায় ? তখন লাক্স বা ইউনিলিভারকে জরিমানা বা লাক্স সাবান ধ্বংস করতে কেউ দেখেছেন ?
মিডিয়াগুলো সেই অসত্য নিউজ প্রচার করে টাকা লুটছে, অথচ তারা কখনই লাক্সের বিরুদ্ধে নিউজ করছে না।
এই জন্যই বলে, আইন শুধু গরীবের জন্য, বড়লোকের জন্য আইন নেই।
আম বিষাক্ত না হলেও হাজার হাজার কেজি আম ধ্বংস করে সেটাই প্রমাণ হয়।
Image may contain: text that says 'কোন আইনের ভিত্তিতে আম নষ্ট করা হচ্ছে ?'
পশ্চিমাপন্থী মিডিয়ার খুব পরিবেশবাদী, সে ইটভাটাকে দেখে, কিন্তু বিষাক্ত ইউক্যালিপটাসকে দেখে না। এন.সি-৩৩৫
পশ্চিমাপন্থী মিডিয়ার খুব পরিবেশবাদী, 
সে ইটভাটাকে দেখে, কিন্তু বিষাক্ত ইউক্যালিপটাসকে দেখে না

Image result for পানি
পশ্চিমাপন্থী মিডিয়ার খুব পরিবেশবাদী, সে ইটভাটাকে দেখে, কিন্তু বিষাক্ত ইউক্যালিপটাসকে দেখে না
আজকে সময় টিভির খবর-
দিনাজপুরে ইটভাটার ধোঁয়ায় নষ্ট কয়েকশ একর ফসল
(https://bit.ly/2wn5P1h)
ছবির দিকে তাকান, একটা ইটের চুল্লি দেখা যাচ্ছে। এবং মিডিয়া সেটাই হাইলাইট করতেছে।
অথচ সেই ইটভাটা চুল্লির চারপাশে অসংখ্য ক্ষতিকারক ইউক্যালিপটাস গাছ দেখা যাচ্ছে, সেগুলো একেকটা ইট চুল্লির থেকে বেশিক্ষতিকর, সেটা কিন্তু মিডিয়া দেখতে পাচ্ছে না, দেখাচ্ছেও না।
বাংলাদেশকে গাছ লাগিয়ে মরুভূমি বানানোর ষড়যন্ত্র করে প্রথম বিশ্বব্যাংক। সে অনুদান ও বুদ্ধি দেয়- এই গাছ লাগালে অনেক উপকার। পরবর্তীতে ব্র্যাক এর জন্য ঋণ দেয়। এছাড়া পশ্চিমাপন্থী মিডিয়া ‘বনায়ন করলে ভালো’ – এই কথা ছড়িয়ে সেই ইউক্যালিপটাস প্রতি এলাকায় ছড়িয়ে দেয়। ২০১২-১৪ এর দিকে বের হয় হয়, এই গাছ দিয়ে আসলে আমাদেরকে ধোঁকা দেয়া হয়েছে, এই গাছ আসলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সরকারও এক সময় তা নিষিদ্ধ করে। কিন্তু ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এখনও যদি কেউ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে যান, তবে অবাক হবেন, শত শত মাইল জুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু ইউক্যালিপটাস গাছ আর গাছ। কত কোটি ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো হয়েছে তার কোন হিসেব নেই। এমন অনেক এলাকা পাওয়া যায়, যেখানে ইউক্যালিপটাস ছাড়া অন্য গাছ পাওয়া অসম্ভব।
বিষাক্ত ইউক্যালিপটাস গাছে ক্ষতি-
১) অক্সিজেন শোষণ করে বেশি
২) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে
৩) এর চারপাশে ১০ ফুট এলাকার পানি শুষে নেয়
৪) জমির উর্বরতা হ্রাস করে, ফসল উৎপাদনও হ্রাস পায়
৫) এ গাছে পাখি সহজে বসে না। বাসাও বাঁধে না।
৬) এ গাছের আশপাশে অন্যগাছও জন্মাতে পারে না।
৭) এর রেণু ও ধূলিকণা মানুষের হাঁপানি রোগ সৃষ্টির সহায়ক।
(https://bit.ly/2Md4J2J)
কথা হলো, সব দোষ হচ্ছে ইটভাটার। অথচ এই ইটভাটা যে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত করবে, সেটা তো গাছগুলোর শুষে নেয়ার দায়িত্ব ছিলো । কিন্তু সেটা না করে ইউক্যালিপটাস নিজেই অক্সিজেন চুষে নিয়ে, কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে তা উত্তপ্ত হয়ে পড়ছে, ফসল নষ্ট হচ্ছে। । ইউক্যালিপটাস নিজেই ভেতর থেকে প্রচুর পানি শোষন ফসল নষ্ট করছে, কিন্তু দোষ পড়ছে ইটভাটার। অর্থাৎ মানুষ ও তার সৃষ্ট জিসিন পরিবেশ দূষিত করবে, কিন্তু গাছ সেটার ভারসাম্য ঠিক করে দিবে। কিন্তু গাছ যখন নিজেই পরিবেশ দূষণ করতে নামে তখন ভারসাম্য রক্ষা পাবে কিভাবে ?
কথা হলো- পশ্চিমাপন্থী মিডিয়া খুব পরিবেশবাদী, ইটভাটার বিরুদ্ধে লাগছে,
কিন্তু তারা ইউক্যালিপটাসের বিরুদ্ধে কেন বলছে না ?
কেন বলছে না, এই ইউক্যালিপটাস বাংলাদেলে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তাদের পোষক বিশ্বব্যাংক বা সমগোত্রীয় ব্র্যাক জড়িত।
যদি ১ হাজার ইটভাটা থাকে, তবে ইউক্যালিপটাস গাছ আছে ১০ কোটি। ইটভাটার থেকে ইউক্যালিপটাস গাছগুলো পরিবেশে বহুগুন বেশি ক্ষতি করতেছে, তাই সেটা আগে কাটা জরুরী।
কিন্তু পশ্চিমাবপন্থী মিডিয়ার চোখ বেশি ইটভাটার দিকে, কারণ ইটভাটার সাথে পুকুর খনন ও মাছ চাষ বৃদ্ধি জড়িত, ইটভাটা আইনের মধ্যে পর্যন্ত পুকুর খননকে ঢুকিয়ে দিয়েছে । পশ্চিমাপন্থী মিডিয়ার টার্গেট ইটভাটার নাম করে বাংলাদেশের মাছ চাষের লাগাম টেনে ধরা। সাগর-নদীতে তো মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা দিছে, পুকুরের ক্ষেত্রে এখন অন্য পলিসি।
ইটভাটা নিয়ে আমার লেখাটিতে বিস্তারিত আছে-https://bit.ly/2VRfzv1
Image may contain: text
ছোট বেলায় ইশপের গল্প শুনেছিলাম- বোকা কাক ও চতুর শেয়ালের গল্প।এন.সি- ৩৩৪
ছোট বেলায় ইশপের গল্প শুনেছিলাম- বোকা কাক ও চতুর শেয়ালের গল্প।
ছোট বেলায় ইশপের গল্প শুনেছিলাম- বোকা কাক ও চতুর শেয়ালের গল্প।
গাছের ডালে বসে থাকা কাকের মুখে থাকে মাংশের টুকরা, আর নিচে বসে চতুর শেয়াল সেটা খেতে চায়।
তখন শেয়াল কাককে বলে, তুমি একটু কা কা ডাক শোনাও না, তোমার ডাকটা কত মধুর। এটা শুনে কাক যেই না কা কা করতে থাকে, সাথে সাথে মুখ থেকে মাংশের টুকরা পরে যায়। আর অমনি সেটা খেয়ে ফেলে শেয়াল।
Image result for পানিবাংলাদেশেল বহু যায়গা পড়ে আছে, শহর উপশহর বানানোর জন্য। কিন্তু সেটা কেন ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্ষুদ্র শিল্পের এলাকা হিসেব গড়ে ওঠা কামরাঙ্গীরচর, সূত্রাপুর, নয়াবাজার, গুলিস্তানে-ই বানাতে হবে ? বাংলাদেশে কি উপশহর বানানোর যায়গার অভাব পড়ছে ?
অথচ বিশ্ব ব্যাংকের চোখ ঐ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও শিল্পএলাকাগুলো ভেঙ্গে সে নতুন শহর বানাবে। আহ কত ভালো। এজন্য সে ঋণ দেবে ১০০ মিলিয়ন ডলার। (https://tinyurl.com/yy2lhdro)
১০০ মিলিয়ন ডলার খুব বেশি টাকা না, বাংলাদেশী টাকায় ৮০০ কোটি টাকার মত।
কামরাঙ্গীরচর, সূত্রাপুর, নয়াবাজার, গুলিস্তানে যে ব্যবসা-বান্যিজ্য ও শিল্পগুলো গড়ে উঠছে তার মূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকার হবে।
কিন্তু সমস্যা হলো টাকাটা দেয়া হবে সিটি কর্পোরেশনকে (সাঈদ খোকনকে)।
তাদের জন্য ৮০০ কোটি টাকা অনেক বেশি। কারণ বিদেশী প্রজেক্ট মানেই ‘বালিশ’ কেনা। যত বিদেশী প্রজেক্ট তত বালিশ বানানোর সুযোগ।
এজন্য ৮০০ কোটি টাকা হাতানোর লোভে তারা জনগণের ৮০ হাজার কোটি টাকা নষ্ট করতে তারা দ্বিধা করবে না।
এজনই পুরান ঢাকায় কেমিক্যালের নামে আগুন ধরার পর আমি বলেছিলাম- এখানে বিদেশী কোন প্রজেক্ট আসছে, আপনার খবর নিয়ে দেখুন। তখন অনেকে হয়ত বুঝতে পারেননি, কিন্তু এখন দেখছেন তো বিদেশী প্রজেক্ট।
এত জায়গা থাকতে, বাবার পকেটের মধ্যে তারা বল ভরবে, থাকবে না মানিব্যাগ। সন্তানরা বল খেলে খুশি হবে, কিন্তু দিন শেষে না খেয়ে মরবে।
পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের বলছি- আপনারা এক হয়ে মাঠে নামুন-
বিশ্বব্যাংক আর এদেশীয় দালাল সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে।
বিদেশীদের টাকা খেয়ে আপনাদের ব্যবসা ধ্বংস করার পরিকল্পনায় নেমেছে সাঈদ খোকন
যদি এখনই আন্দালনে না নামেন, তবে কিন্তু আপনাদের পস্তাতে হবে।
No photo description available.
উন্নয়ন দুই প্রকার-এন.সি-৩৩৩
উন্নয়ন দুই প্রকার-
Image result for পানি
উন্নয়ন দুই প্রকার-
১) দেশের উৎপাদন খাতের মাধ্যমে ইনকাম করে, সেই টাকা দিয়ে উন্নয়ন। এতে দেশ সকল জনগণকে সাথে নিয়ে উপরে উঠতে থাকে।
২) বিদেশ থেকে ঋণ এনে কথিত উন্নয়ন। এক্ষেত্রে বিদেশীদের দেয়া কথিত আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করতে হবে। কিন্তু এতে সমস্যা হলো দেশের মাত্র ৫% এলিট ক্লাস টিকে থাকবে (ক্ষমতাসীন ও অতি উচ্চ ধনী), কিন্তু বাকি ৯৫%কে মৃত্যুবরণ করতে হবে। দেশটা খুব সুন্দর, স্বাস্থ্য সম্মত, ঝামেলামুক্ত হবে, রাস্তায় কোন হকার থাকবে না, খাবারে কোন ভেজাল থাকবে না, কোন পণ্যের নকল হবে না, সব বিদেশী ব্র্যান্ড প্রশাসনী পাওয়া যাবে। দেশটা খুব সুন্দর হবে, এটা নিশ্চিত, কিন্তু সেখানে ৯৫% জনগণ অনুপস্থিত থাকবে, সেই সমাজের জন্য ৯৫% জনগণ হবে অচল। দেশটা সুন্দর করে সাজানো হবে ৫% এলিট ক্লাসের এর জন্য। এছাড়া আসবে বিদেশীরা। সাবেক অর্থমন্ত্রী মাল মুহিত যে বলেছিলো- ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে কোন গরীব থাকবে না, এটা কিন্তু খুব তাতপর্যপূর্ণ একটা কথা। ২০২৪ সালের মধ্যে দেশের কোন গরীব থাকবে না অর্থ হলো- ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে গরীব নিধন শেষ হবে।
আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশ কিন্তু এক সময় অনেক ধনী এলাকা ছিলো। ইউরোপীয়ান এখানে এসেছিলো দস্যু হয়ে লুট করতে। প্রথমে তারা শেষ করেছিলো মসলিনের উৎপাদন। এছাড়া চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে যাদের হাতে জমির মালিকানাগুলো ছিলো সেগুলো কেড়ে নিয়েছিলো। অর্থাৎ ধনীক ও ব্যবসায়ী শ্রেণীকে প্রথমে শেষ করেছিলো, কারণ তারা হলো সমাজের পৃষ্ঠপোষক। একজন ব্যবসায়ীর আন্ডারে যদি ১০ জন কর্মচারি থাকে, তবে ১০ জনের পরিবারকে চালায় ঐ ব্যবসায়ী। এছাড়া ব্যবসায়ী নিজের পরিবার চালায়, তার ঘরের বুয়া-দারোয়ান এমন অনেক লোক ঐ ব্যবসায়ীর উপর নির্ভরশীল। খোজ নিলে দেখা যাবে, ঐ ব্যবসায়ীর অনেক গরীব আত্মীয় স্বজনকে ঐ ব্যবসায়ী চালায়। এছাড়া স্থানীয় মসজিদ-মাদ্রাসা বা ধর্মীয় উপাসনালয়ে অনুদান দেয় ঐ ব্যবসায়ী। আপনি পুরো সমাজকে একবারে ধ্বংস না করে যদি শুধু উৎপাদক আর ব্যবসায়ীদের শেষ করে দেন, তাহলেই তো পুরো সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিলেন। আর্থিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেলে ঐ সমাজ আর দাড়াতে পারবে না।
বিদেশ থেকে ঋণ আনার বদলে দেশী উৎপাদন খাত বৃদ্ধির দিকে মন দেন।
বাংলাদেশে ১ গার্মেন্টস সেক্টর দাড়াইছে, এরকম আরো ২০টা সেক্টর দাড় করায় দেন।
সুযোগ সুবিধা দিয়ে জনগণকে দেশের মার্কেট ছাড়াইয়ে বিদেশের মার্কেটে ব্যবসা করে বিদেশী টাকা ঘরে আনতে দেন।
পুরান ঢাকায় নকল বলে যে প্রশাধনীগুলো ধ্বংস করতেছেন, সেগুলো সরকারী অনুমোদন দিয়ে দেন, আরো ভালো কি করে করা যায় সে বুদ্ধি দেন। তারপর সেই প্রশাসধানীগুলো সারা বিশ্বে রফতানি করে বাইরের টাকা দেশে নিয়ে আসেন। চাল, আম, কাঠাল, সবজী, চামড়া, মাছ, জুতা, পাট এরকম সব সেক্টরকে দেশ থেকে বিদেশে হাত প্রসারিত করে দেন। পাবলিকের হাতে টাকা আসলে দেশ অটোমেটিক উন্নত হয়ে যাবে।
কিন্তু আপনারা শাসক শ্রেনী করতেছেন কি ? আরো ধরপাকড় করে জনগণের বহু কষ্টে গড়ে তোলা ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি-শিল্প মাটির সাথে মিশায় দিতেছেন। আর বিদেশে গিয়ে দুই হাত পেতে ঋণ ভিক্ষা চাইছেতেনে।
কিন্তু এই ভিক্ষা দিয়ে কি হবে ?
কতগুলো বালিশ হবে, আর কতগুলো ইট-সিমেন্টের রাস্তা-ফ্লাইওভার হবে, এই তো। কিন্তু জনগণের কোন উপকারে লাগবে না বরং ঋণের বোঝা বাড়তে থাকায় জনগণের ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাবে।
এই যে বিদেশ থেকে (বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাপান, চীন, রাশিয়া, ভারত) ভুরি ভুরি ঋণ আনা হচ্ছে, এটা নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে কখন কিছু বলতে শুনি না। অথচ তরুণ প্রজন্ম ক্রিকেট খেলা নিয়ে যে পরিমাণ সময় অপচয় করে তা লজ্জাকর। ঋণের মাধ্যমে দেশটাকে ধ্বংস করা হচ্ছে, তার প্রাথমিক শিকার হবে এই তরুণ প্রজন্মই, কারণ বৃদ্ধদের দিন শেষ, সামনে তরুণদের দিন।
ব্রিটিশ দস্যু রবার্ট ক্লাইভ পলাশীর প্রান্তর সম্পর্কে বলেছিলো- যখন সিরাজ-উদ-দৌল্লাহ আর ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ হয়, তখন দুই পাশে অসংখ্য মানুষ এসেছিলো যুদ্ধ দেখতে। তারা যদি শুধু ১টা করে ঢিল মারতো, তবে ব্রিটিশ বাহিনী নিশ্চিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সাধারণ মানুষের নির্লিপ্ত থাকার কারণে ২০০ বছর এ অঞ্চলের মানুষকে গোলামির শিকলে আবদ্ধ হতে হয়।
আজকেও একই অবস্থা। দেশটাকে বিদেশী ঋণ নিয়ে আর দেশী ব্যবসা শিল্প ও উৎপাদন ধ্বংস করে পুনরায় বিদেশীদের গোলামির শিকলে আবদ্ধ করার প্রক্রিয়া চলছে, কিন্তু তরুণ সমাজ আছে ‘একটা বলকে লাঠি দিয়ে বারি’ দেয়ার মত একটি অপ্রয়োজনীয় কাজ নিয়ে। এভাবেই একটা জাতির পতন হয়, দেখতে থাকুন।
Image may contain: 1 person, standing and text
আমরা সরকারের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখছি, সেটা যেন জনগণের জন্য হয়।এন.সি-৩৩২
আমরা সরকারের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখছি, সেটা যেন জনগণের জন্য হয়।
Image result for পানিআমি একটা কথা সব সময় বলি
আমরা সরকারের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখছি, সেটা যেন জনগণের জন্য হয়।
কিন্তু উন্নয়নগুলো যদি দেশের জন্য না হয়ে বিদেশীদের জন্য হয়,
তখন জনগণের উচিত সেই উন্নয়নের বিরোধীতা করা।
যেমন-এই যে নদীর আশেপাশে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙ্গা হচ্ছে,
এটা কি জনস্বার্থে ভাঙ্গা হচ্ছে কি না ?
যদি জনস্বার্থে ভাঙ্গা হয়, তাহলে সমস্যা নেই।
কিন্তু বাস্তবতা হলো- নদীর আশেপাশের স্থাপনাগুলো ভাঙ্গা হচ্ছে-
ক) ভারতীয় অর্থায়নে
খ) ভারতীয় বুদ্ধিতে
গ) ভারতের সুবিধার জন্য
নদীর আশেপাশে যে হাজার হাজার স্থাপনাগুলো ছিলো, সেখানে অনেক শিল্প বানিজ্য ছিলো
অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছিলো, কিন্তু সেগুলো জোর করে ভাঙ্গা হলো।
উপর দিয়ে প্রকাশ করা হলো- এরমধ্যে জনগণের উন্নয়ন আছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো সেটা ছিলো বিদেশী কল্যান, অর্থায়ন ও বুদ্ধিতে।
গত ১৬ই মে, দৈনিক আমাদের সময়ের খবর-
“নদী দূষণমুক্ত করতে ভারত আগ্রহ প্রকাশ করেছে : নৌপ্রতিমন্ত্রী”
খবরের ভেতরে-
ঢাকার আশপাশে ও অভ্যন্তরীণ নদী-খালগুলো দূষণমুক্ত করতে ভারত আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর নিজ কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার ভেতরে ও আশপাশে যে নৌরুট রয়েছে তা দূষণের ফলে যাত্রীদের আগ্রহ কম। এজন্য রুটগুলোকে দূষণমুক্ত করতে ভারত আগ্রহী।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। দুই দেশের মধ্যে অনেক নৌপথ ও স্থলপথ রয়েছে। আবার অনেক পথ ভারতের অর্থায়নে তৈরিও হচ্ছে। আজ আমরা আলোচনা করেছি রাজশাহীর গোমতী নদীতে একটি নতুন করে নৌরুট ও গোদাগাড়ী স্থলবন্দর নির্মাণের বিষয়ে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে সার্ভে হয়ে গেছে। পরবর্তীতে টেকনিক্যাল পর্যায়ে আরও আলোচনা হবে। এ ছাড়া ঢাকার ভেতরের নদীগুলোর দূষণ কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।’
খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে নদী ও স্থলবন্দর নির্মাণ হলে দু’দেশের মধ্যে যোগাযাগ বৃদ্ধিসহ বাণিজ্য বাড়বে। এজন্য আমাদের অবকাঠামো দুর্বলতা কমাতে হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্প্রতি যে পর্যটনবাহী জাহাজ চালু হয়েছে তা পর্যটন শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে পর্যটন জাহাজের ধারণ ক্ষমতা ৫০০ থাকলে যাত্রী যায় সাত থেকে ১০ জন, এটা স্বাভাবিক বিষয়। পর্যটন খাতে সবসময় আর্থিক বিবেচনা করলে চলবে না। এখন মানুষের মধ্যে আগ্রহ অনেক বেড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটন বাড়াতে হলে আমাদের আগে অবকাঠামো বাড়াতে হবে। নৌপথে পর্যটকরা যেখানে নামতে চায়, সেসব স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।’” (https://bit.ly/2EINFv8)
এগুলো অবশ্য আমি অনেক আগেই প্রকাশ করেছি-
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আমি এক স্ট্যাটাসে বলেছিলাম- ভারতের সবচেয়ে জনবহুল এলাকা উত্তরাঞ্চলে কোন নৌ-রুট নেই যেটা ভারতীয় কোন সমুদ্র বন্দর থেকে ঢুকেছে। একমাত্র বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর হয়ে নদীপথ ভারতের উত্তর প্রদেশ পর্যন্ত পৌছেছে। এটা ভারত ব্যবহার করতে চাইছে। (https://bit.ly/2JN3rJD)
এছাড়া ১৩ই মার্চ বলেছিলাম- বুড়িগঙ্গার তীরে তৈরী হওয়া পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে বিশ্বব্যাংক কেন সেখানে ইনভেস্ট করছে।,( https://bit.ly/30ROECN)
এটা কিন্তু বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি বড় দিক। আমেরিকা-চীনের বাণিজ্য যু্দ্ধ শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকা চাইছে চীনের বিকল্প একটি পণ্য সমৃদ্ধ দেশ দাড় করানোর জন্য। এজন্য সে মোদির ভারতকে (রিপাবলিকান ব্লক) দাড় করাচ্ছে। কিন্তু পণ্যের দাম কমানোর জন্য দরকার পরিবহণ খরচ বাচানো। কিন্তু ভারতের সবচেয়ে জনবহুল উত্তরাঞ্চলে কোন নৌ-রুট না থাকায় ভারতীয় পণ্যের খরচ কমছে না। এজন্য ভারত বাংলাদেশের চট্ট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ইনভেস্ট করেছে্ এবং নদীগুলো পলিমুক্ত ও বড় জাহাজ পারাপারের উপযোগী করে তোলার জন্য ঋণ দিচ্ছে।
তবে জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভারত যাওয়া বা সেভেন সিস্টার্সে যাওয়ার আগে ঢাকাকে একটি কেন্দ্র করে সার্কেল বানাতে চায়, এজন্য ঢাকার চারপাশের নদীগুলোও তারা দখলমুক্ত ও খনন করছে। তবে ঢাকাকে তারা ব্যবসায়ীক এলাকা নয় বরং রিসোর্ট বা বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিবে। এখানে তাদের ব্যবসায়ীরা বিশ্রাম করবে, বিনোদন করবে। কিন্তু ভারতের ব্যবসায়ীদের বিনোদন দেয়ার জন্য যে ৪০০ বছর ধরে বুড়িগঙ্গার তীরে গড়ে ওঠা ব্যবসায়ীক কেন্দ্রকে তুলে দিতে হবে, এটাও জোর করে বাংলাদেশকে স্বীকার করানো হচ্ছে। এজন্য তারা সরকারকে প্রচুর ঋণ নামক উৎকোচ দিচ্ছে এবং এখানে সেখানে আগুন লাগায় পুরান ঢাকার ব্যবসা ও শিল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এছাড়া বুড়িগঙ্গার তীরে রিসোর্ট বানানো এবং পুরান ঢাকায় ‍পুরাতন ভবন ভেঙ্গে সেখানে আধুনিক শহর বানানো সব সেই পলিসির অংশ বিশেষ। এজন্য রিপাবলিকান ব্লকের ভারতের মোদি সরকার, মার্কিন থার্ডপার্টি সংস্থা বিশ্বব্যাংক অগ্রগণ্য।
বাংলাদেশে এখনও অনেক সুশীল শ্রেণী আছে, যারা সরকারের এইসব ভাংচুর/উচ্ছেদ দেখে বাহবা দেয়।
কিন্তু আমি এগুলো কখন সমর্থন করি না, কারণ যে কথিত উন্নয়ন জনগণের জন্য না হয়ে বিদেশীদের জন্য হয়,
সেটা দেখতে যত সুন্দর হোক, সেই উন্নয়ন আমি চাই না।