মুসলমানদের শেষ নবীকে নিয়ে ফের ব্যঙ্গচিত্র আকার প্রতিযোগীতার ঘোষণা দিয়েছে নেদারল্যান্ডের এমপি গ্রিট উইল্ডার্স। এন.সি-১৪
মুসলমানদের শেষ নবীকে নিয়ে ফের ব্যঙ্গচিত্র আকার প্রতিযোগীতার ঘোষণা দিয়েছে নেদারল্যান্ডের এমপি গ্রিট উইল্ডার্স। গত বছর এই প্রতিযোগীতার ঘোষণার দেয়ার পর মুসলমানদের তীব্র বিরোধীতা ও নেদারল্যান্ডের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণার আসলে গ্রিট উইল্ডার্স তার ঘোষণা থেকে সরে আসে। কিন্তু এবার সে নতুন করে ঘোষণা দিয়েছে, সে আবারও ব্যঙ্গচিত্র আকার প্রতিযোগীতা করবে। উল্লেখ্য ২০০৮ সালে সে ইসলামবিদ্বেষী সিনেমা ‘ফিতনা’ তৈরীর মাধ্যমে আলোচনায় আসে। (https://bit.ly/2QxmvwJ)
এক্ষেত্রে মুসলমান বা তাদের দেশগুলোর উচিত ফের নেদারল্যান্ডের সাথে সম্পন্ন ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়া এবং গ্রিট উইল্ডার্সকে আইনত শাস্তি দিতে নেদারল্যান্ডকে বাধ্য করা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার খানেক বছর আগে ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ নামক একটি ৩ লক্ষ কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়েছে, এই প্রজেক্টের মাধ্যমে নেদাল্যান্ডের আদলে বাংলাদেশে নদী ও উপকূলীয় এলাকা গড়ে তোলা হবে (https://bit.ly/2u1ut9I)। এই প্রজেক্ট নিয়ে অনেক বির্তক আছে, কারণ নেদারল্যান্ডের পরিবেশ, জীবন ও জীবিকার সাথে বাংলাদেশের বিন্দুমাত্র মিল নেই, এ অবস্থায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার একটি বড় প্রজেক্ট অপ্রয়োজনীয় অপচয় তো বটেই বরং ক্ষেত্রে বিশেষে হিতে বিপরীত হয়ে বাংলাদেশে কৃষি, নদ-নদী ও উপকূল ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। (https://bit.ly/39jcEmx)
এই অপ্রয়োজনীয় ও জনগণের টাকা নষ্ট করা প্রজেক্টের সাথে যুক্ত আছে নেদারল্যান্ডের কোম্পানি Twynstra Gudde। (https://bit.ly/2SA22Kf)
গ্রিট উইল্ডার্সের বার বার এই নিঃকৃষ্ট উদ্যোগে ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০ নামক প্রজেক্ট বাতিল করার দাবী তোলা উচিত। বাংলাদেশের মুসলমানদের বলা দরকার- যে দেশ আমদের নবীকে নিয়ে বার বার ব্যঙ্গচিত্র বানায় বা সিনেমা করে আমরা তাদের মত হতে চাই না।

-হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক বানানো। এন.সি-১৩
-হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক বানানো,
-১৮/২১ বছরের আগে বিয়ে আটকে রাখা,
-২টি সন্তান নেয়া, ১টি হলে ভালো হয় বলে প্রচার করা,
-লিভ-টুগেদারকে প্রমোট করা,
-নারী সার্ফিং প্রমোট করা,
-নারীকে পুরুষের সাথে একত্রে কর্মক্ষেত্রে নামিয়ে দেয়া,
-মেয়েকে বাবার কাছে, মাকে পুত্রের কাছে মাসিকের কথা বলার অভ্যাস করা,
-পোষাকের সাথে সমাজের অস্থিতিশীলতার তৈরীর কথাকে মিথ্যা দাবী করা,
-ছোট বাচ্চাদের স্কুলে সেক্স কার্যকলার সম্পর্কে ট্রেনিং/শিক্ষা দেয়া,
-সমকামীতা প্রমোট করা,
-মানুষকে কুকুর বানিয়ে রাস্তায় ঘুড়ানো
-ভাই তার আপন বোনকে সেক্সি বলে স্ট্যাটাস দেয়া (সম্প্রতি হুমায়ুন অজাতের ছেলে করছে),
এগুলো সব এক জিনিস, তাদের ভাষায়- সমাজের প্রথাভাঙ্গা।
অর্থাৎ দীর্ঘদিন সমাজে যে প্রথা-নিয়ম-কানুন আছে, এগুলো তারা ভেঙ্গে নতুন করে গড়তে চায়।
তাদের দাবী, সমাজে একটা শ্রেণী তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই প্রথাগুলো চালু করেছে,
এগুলো ভেঙ্গে দিলে সাধারণ মানুষের উপকার হবে, এবং ঐ বিশেষ শ্রেণীর স্বার্থ হারাবে।
যদিও এই ব্যাখ্যা ভুল। সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলা, এই নিয়ম প্রথাগুলো অনেক যাচাই বাছাই করে,
সবার একমত ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিকে তা গ্রহণ করা হয়েছে,
এবং অনেকগুলো আইন হিসেবে রূপান্তর হয়েছে,
আইনের সবচেয়ে বড় উৎস হলো, সামাজে দীর্ঘদিন ধরে চলা নিয়ম প্রথা,
দেখা যাবে, ১০০টা বিষয় মাথায় রেখে এই নিয়ম প্রথাগুলো সমাজে তৈরী হয়েছে,
কিন্তু যে ১০০টি বিষয় মাথায় রেখে, নিয়ম প্রথাগুলো তৈরী হয়েছে,
সেগুলো হয়ত লিখিত নেই, তাই অনেক বছর পর সেই সুযোগটি নিচ্ছে, এই বিশেষ কমিউনিটি।
তারা নতুন প্রজন্মের না-জানার সুযোগ নিয়ে তারা নতুন নিয়ম-প্রথাগুলো চাপিয়ে দিচ্ছে,
বলছে- এগুলো পুরাতন নিয়ম, এগুলো ভেঙ্গে নতুন গুলো গ্রহণ করে।
কিন্তু পুরাতনরা কেন এগুলো মানেনি, কেন তারা প্রথা-নিয়মগুলো তৈরী করেছিলো,
সেটা কিন্তু এক কথায় এড়িয়ে যায়।
কথা হলো- নতুন নিয়মগুলো যখন চালু করবো, তখন সমাজে কি হবে ?
পুরাতন নিয়ম ভাঙ্গলে কি কি সমস্যা তৈরী হতে পারে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন কি ?
নতুন নিয়মের কি সাইড ইফেক্ট আছে ?
যদি থাকে, তবে সেগুলো কি ?? আমরা কি সেই সাইড ইফেক্টগুলো সামাল দেয়ার জন্য প্রস্তুত ??
আসলে সমাজে প্রথাভাঙ্গাকে একটা বিশেষ শ্রেণী যতই মানবিক ও নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করুন,
আসলে এটা একটি শ্রেণী তাদের স্বার্থ উদ্ধারেই প্রমোট করছে।
তাদের ভাষায় এটা হলো- কাউন্টার কালচার।
হাঙ্গেরীয়ান-মার্কিন সম্রাজ্যাবাদী ইহুদী জর্জ সরোস বর্তমানে এই কাউন্টার কালচারের পেছনে আছে।
সে তার ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কাউন্টার কালচার প্রমোট করতে ৩২ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেছে।
তাদের কথা হলো- সমাজে যত নিয়ম কানুন দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত- সবগুলো ভেঙ্গে দাও।
কিন্তু এই ভেঙ্গে দেয়ার পেছনে বাস্তবে সমাজের জনগোষ্ঠীর কোন উপকার নেই, উপকার আছে, জর্জ সরোসের মত ইহুদীদের সম্রাজ্যাবাদ বিস্তারে।

তুরাগ পাড়ে ৮টি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলবে বলে সরকারই উদ্বোধন করলো বিশাল শ্মশানঘাট ও মন্দির কমপ্লেক্স। এন.সি-১২
তুরাগ পাড়ে ৮টি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলবে বলে সরকারই উদ্বোধন করলো বিশাল শ্মশানঘাট ও মন্দির কমপ্লেক্স
তুরাগ পাড়ে ৮টি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার ঘোষণার দেয়ার পর সরকার নিজেই আড়াই কোটি টাকার শ্মশানঘাট কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় হরিরামপুর শ্মশানঘাট কমপ্লেক্সের সাথে আছে কালী মন্দির। হরিরামপুর শ্মশানঘাট ও মন্দির কমপ্লেক্সের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আছে শহীদুল্লাহ এন্ড এ্যাসেসিয়েটস এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম- মেসার্স নির্মাণ প্রকৌশলী।
উল্লেখ্য, সরকার নদীর পাড়ের নিকটবর্তী মসজিদগুলো ভাঙ্গার জন্য মসজিদ কমিটিকে নিয়মিত ওয়ার্নিং দিয়ে আসছে। কিন্তু ঠিক সেই মুহুর্তে সরকারীভাবে নদীর তীর ঘেষে শ্মশানঘাট না ভেঙ্গে আরো বড় করার উদ্যোগ দেয়ায় স্থানীয় জনগণের তীব্র অসন্তোষ তৈরী হয়েছে।
তুরাগ পাড়ে যে মসজিদগুলো ভাঙ্গার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার-
১) ব্রীজঘাট শাহী মসজিদ
২) মিরপুর বড় বাজার জামে মসজিদ
৩) জাহানবাদ জামে মসজিদ
৪) রশীদ দেওয়ান সিনাবাড়ি শাহী জামে মসজিদ
৫) জান্নাতুল ফেরদাউস জামে মসজিদ
৬) তামান্না জামে মসজিদ
৭) বায়তুল আমান হামিদিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা
৮) বায়তুন নূর জামে মসজিদ
শীতলক্ষা ব্রীজের নামে ভাঙ্গা হচ্ছে মসজিদ। এন.সি-১১
শীতলক্ষা ব্রীজের নামে ভাঙ্গা হচ্ছে মসজিদ
মসজিদের নাম বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, স্থান- সৈয়দপুর, পাকারোড, নারায়নগঞ্জ।
ইচ্ছা করলে ব্রীজের গাড়ি যাওয়ার রাস্তা মসজিদের দুই দিক দিয়ে হতে পারতো,
কিন্তু সেই কাজটি ইচ্ছা করে উড়িয়ে দিয়ে অনেকটা গায়ের জোরেই ভাঙ্গা হচ্ছে মসজিদটি।
মসজিদটির আগের সভাপতি এই পরিকল্পনার প্রচণ্ড বিরোধী ছিলেন।
তার কঠোর বিরোধীতার কারণে অনেক দিন ধরে এই মসজিদটি ভাঙ্গা সম্ভব হচ্ছিলো না,
ফলে এক পর্যায়ে আগের সভাপতি সরিয়ে নতুন সুবিধাজনক সভাপতি বসিয়ে অতঃপর ভাঙ্গা হলো মসজিদটি।
বাংলাদেশে রাস্তাঘাট-ব্রীজ নামক অনেক উন্নয়ন (!) হচ্ছে,
কিন্তু এই উন্নয়নের নামে প্রতিস্থানেই ভাঙ্গা হচ্ছে অসংখ্য মসজিদ।
আচ্ছা ! এই ‘মসজিদ ভাঙ্গা উন্নয়ন’ কি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের জন্য সত্যিই ভালো কিছু বয়ে আনবে ? কি বলেন আপনারা ??
বাংলাদেশের সংবিধানিক নাম হলো- People's Republic of Bangladesh অর্থাৎ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।এন.সি-১০
বাংলাদেশের সংবিধানিক নাম হলো- People's Republic of Bangladesh অর্থাৎ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
এ সিস্টেমে রাষ্ট্রের মালিক হলো জনগণ, আর জনগণ ৫ বছরের জন্য ‘সরকার’কে নিয়োগ দেয় ঐ রাষ্ট্র দেখাশোনার জন্য।
অনেককে বলতে দেখি- সরকারী যায়গায় মসজিদ কেন ?
তাদের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই- সরকারী যায়গা বলে বাংলাদেশে কোন যায়গা নাই।
সরকার হলো চৌকিদারের মত, তাদের একটা নির্দ্দিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জনগণের সম্পদ দেখাশোনার জন্য, আর চৌকিদারকে নিশ্চয়ই কেউ মালিকানা দেয় না।
সংবিধান মতে বাংলাদেশে যদি কোন খাস জমি থাকে তবে সেটার মালিকানা জনগণেরই হবে।
এখন জনগণ যদি জনস্বার্থে জনগণের যায়গায় কোন মসজিদ বানায় তবে সেটা ধর্মমতে অবৈধ হওয়ার কোন কারণ নেই। বরং শতভাগ বৈধ। আর সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম ইসলাম অনুসারেই মসজিদ একবার হয়ে গেলে সেটা সেখান থেকে সরানো যায় না কিংবা মসজিদের উন্নয়ন ব্যতিত ভিন্ন কোন কারণে ভাঙ্গা যায় না। (তবে ব্যক্তি মালিকানার জমি অনুমতি ছাড়া মসজিদ বানানো বৈধ নয়)
কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়, সরকার ইফা’র দ্বারা এমন একটি ‘ভুল ফতওয়া’ তৈরী করে মসজিদে মসজিদে প্রচার করছে- সরকারী যায়গায় মসজিদ করা অবৈধ এবং সেটা ভেঙ্গে ফেলা বা সরিয়ে ফেলা বৈধ।
এই ‘ভুল ফতওয়া’ প্রচার করে বাংলাদেশে শত শত জনগণের মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং সেই শত শত মসজিদের অজুহাতে আরো হাজার হাজার ব্যক্তি মালিকানা থেকে ওয়াকফকৃত মসজিদকেও সেই একই ট্যাগ দিয়ে ভাঙ্গার নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়- এ বিষয়গুলো জানা থাকলেও বাংলাদেশে হাজার হাজার আলেম-ওলামা, ওয়ায়েজ ও ইসলামী দল এখনও চুপ করে আছে, তারা বিশেষ কোন কারণে কথা বলছে না।
বিনামূল্যে বই বিতরণ না বিনামূল্যে বিষ বিতরণ ?এন.সি- ৯
Image result for রেটিনা

বিনামূল্যে বই বিতরণ না বিনামূল্যে বিষ বিতরণ ?
প্রতি বছর ইংরেজী বছরের শেষের দিন আসলেই সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ কর্মসূচি করে। এরপর সেই বই বিতরণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশু বাচ্চাদের খেলাধূলা করে। বিষয়টি দেখতে সত্যিই খুব সুন্দর লাগে। কিন্তু এই বিনামূল্যে বই বিতরণ, তার টাকা আসতেছে কোথা থেকে ?
এখন সরকার যে বিনামূলেই বই দিচ্ছে, তা হলো- ‘প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি(পিইডিপি-৪)’ আওতায়। এই কর্মসূচিতে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি ঋণ দিচ্ছে ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা (https://bit.ly/37nvtmX)। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের মত মার্কিন সম্র্যাজ্যবাদীদের স্বার্থরক্ষাকারী সংস্থাগুলো শুধু ঋণই দেয় না, বরং অনেক শর্ত জুড়ে দেয়। এজন্য সরকারীভাবে বিনামূল্যে বই বিতরণে বিশ্বব্যাংকের টাকা থেকে সরে আসার কথা উঠেছিলো ২০১৭ সালে (https://bit.ly/2QCDeyp)।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই একটা উক্তি করেছিলেন, বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ ও অর্থে বাংলাদেশের পাটশিল্প ধ্বংস হয়েছে। (https://bit.ly/2MMV40N) প্রধানমন্ত্রীপুত্র জয়ও একই কথা বলেছে, বিশ্বব্যাংক হলো ষড়যন্ত্রকারী (https://bit.ly/2MHOb0A)।
কথা হলো- যে বিশ্বব্যাংক প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রের অর্থনীতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারে, সে কি শিশুদের বিনামূল্যে বই দেয়ার পেছনে ষড়যন্ত্র করতে পারে না ?
তাহলে তাদের দেয়া অর্থে তৈরী করা এই সব ফ্রি বই কি করে আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য ভালো বয়ে আনতে পারে ? আর শিশুদের দেয়া ফ্রি বইয়ের কনটেন্টে তাদের শর্ত শারায়েতগুলো কি, সেটা জনসম্মুক্ষে প্রকাশ করা হোক। কেন বইয়ের মধ্যে ‘ও তে ওড়না’ লিখলে তাদের সমগোত্রীয়রা চিল্লাচিল্লা করে ? কেন পাঠ্যবই থেকে ‘জিহাদ’ নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যেতে বলে ? কেন শিশুদের মধ্যে যৌন আলোচনা বাধ্যতামূলক করতে বলে ? কেন পাঠ্যবইয়ে বাউলধর্মকে প্রমোট করা হয়, কেন সংখ্যাগরিষ্ঠী মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের পূজা করতে শেখানো হয়? এগুলো কি সেই বিশ্বব্যাংক আর এডিবি’র অর্থায়নের সাইডইফেক্ট ??
আমি সব সময় একটা কথা বলি, বিশ্বস্বাস্থ্যসংস্থা’র (হু) দেয়া ফ্রি ভিটামিন ক্যাপসুল আপনার সন্তানকে খাওয়ায়েন না, কারণ তাদের ফ্রি দেয়ার পেছনে অবশ্যই খারাপ কোন উদ্দেশ্য আছে। ঠিক একইভাবে বলছি, বিশ্বব্যাংক আর এডিবি অর্থায়নে এই সব ফ্রি বইয়ের পেছনে অবশ্যই কোন কারণ আছে। ফ্রি ওষুধ দিয়ে তারা যেমন আমাদের শিশু সন্তানদের ফিজিক্যালী ডেস্ট্রয় করতে পারে, ঠিক একইভাবে এইসব ফ্রি বই দিয়ে তারা আমাদের নতুন প্রজন্মকে সাইকোলজিক্যালী ডেস্ট্রয় করতে পারে। সুতরাং সাবধান।
নারায়নগঞ্জে মসজিদ ভাঙ্গার পেছনে চীনা কোম্পানি। এন.সি- ৮
Related imageনারায়নগঞ্জে মসজিদ ভাঙ্গার পেছনে চীনা কোম্পানি
নারায়নগঞ্জে সৈয়দপুর এলাকায় একটি মসজিদ ভাঙ্গার পেছনে চীনা কোম্পানিকে দায়ী করেছে স্থানীয় অধিবাসীরা। চীনা কোম্পানিটির নাম সিনো-হাইড্রো। এই কোম্পানিটি পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের সাথেও আংশিক সংযুক্ত আছে।
জানা যায়, তৃতীয় শীতলক্ষা সেতু তৈরীর সময় সৈয়দপুর এলাকার পাকা রোডে অবস্থিত বায়তুল মামুর জামে মসজিদটি না ভাঙ্গলেও চলতো। ইচ্ছা করলেই মসজিদ না ভেঙ্গেও সেতুর রাস্তা তৈরী করা সম্ভব ছিলো। কিন্তু চীনা কোম্পানি ইচ্ছা করেই সেতুর রাস্তা মসজিদের সাথে সংঘর্ষ বলে দাবী করে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার দাবী করে। চীনা কোম্পানির ইচ্ছা পূরণে কাজ করছে বর্তমান নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন। বর্তমানে মসজিদটি আংশিক ভাঙ্গা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য এই মসজিদটি ব্যক্তি মালিকানায় ওয়াফকৃত যায়গার উপর অবস্থিত। মসজিদটির পুরাতন সভাপতি পেয়ার আলী এই মসজিদটি বাচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করলেও একপর্যায়ে প্রশাসনের মাধ্যমে চাপ দিয়ে বৃদ্ধ পেয়ার আলীকে সরিয়ে নতুন কমিটিকে নিয়োগ দেয়া হয় এবং টাকার দিয়ে ম্যানেজ করে মসজিদটি ভাঙ্গা শুরু হয়।
বলাবাহুল্য, চীনরা তাদের দেশে উইঘুর মুসলিমদের উপর অনেক নির্যাতন চালাচ্ছে। তারা অনেক মসজিদ ভাঙ্গছে, এমনকি সম্প্রতি তারা সমাজতন্ত্রের আদলে মুসলমানদের ধর্মীয়গ্রন্থ কোরআনকে ইডিট করবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে। চীনাদের ধর্মবিদ্বেষী এই মানসিকতার প্রতিফলন এই বায়তুল মামুর মাসজিদ ভাঙ্গার পেছনে দায়ী বলে মনে করছে অনেকে ।
একটু আগে একজন মাওলানা সাহেবের সাথে ইনবক্সে কথা হলো,। এন.সি- ৭
Related imageএকটু আগে একজন মাওলানা সাহেবের সাথে ইনবক্সে কথা হলো,
তিনি জানালেন, ইসলাম ধর্মীয় বিধান হলো, কোন বিশেষ দুর্ঘটনার কারণেও (নদী ভাঙ্গন, ভূমিধস) যদি মসজিদের যায়গার বিলীন ঘটে, তবে মসজিদের স্থানটি দেয়াল/বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখতে হবে, যেন সেই স্থানে সবাই (ধর্মীয় বিধানমতে যারা পবিত্র নয়) প্রবেশ করতে না পারে।
তার বক্তব্য হলো- কিন্তু মসজিদ স্থানাস্তর করে মসজিদের স্থানে রাস্তা/সেতু হলে সেখানে অবাধ যাতায়াত হবে, যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এতে সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ নষ্ট হয়ে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা আরো বাড়বে।
এ সম্পর্কে আপনাদের ধর্মীয় মতামত আশা করছি।
ছোটবেলায় একটা কার্টুন দেখতাম, নাম ছিলো ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট।এন.সি-৬
Related image
ছোটবেলায় একটা কার্টুন দেখতাম, নাম ছিলো ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট। এই কার্টুনগুলো তৈরী করা হয়ছিলো, একটা বাচ্চাকে ছোটবেলা থেকে উগ্র পরিবেশবাদী হিসেবে বানানোর জন্য। অর্থাৎ ধোয়া দেখলেই ভাঙ্গতে হবে, কল-কারাখানা দেখলেই গুড়িয়ে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ বাচতেও যে ধোয়া আর কল-কারখানার দরকার আছে, সেটা এই কার্টুনগুলো এড়িয়ে যায়। অনেকেই জানে, এই উগ্র পরিবেশবাদীদের পেছনে রয়েছে ভিন্ন রাজনৈতিক ও তাদের নিজস্ব ব্যবসার উদ্দেশ্য।
যাই হোক,সম্প্রতি আমাদের সরকারের মাথায় পর্যটনের ভুত চেপেছে। সে নদী ভিত্তিক পর্যটন করবে। নদীর পাড়ে ৫০ মিটার এলাকা খালি করবে, সেখানে মসজিদ থাকুক, কারখানা থাকুক, বাড়িঘর থাকুক সব ভেঙ্গে গুড়িয়ে হাটার রাস্তা করবে, মানুষ নির্মল বায়ু সেবন করবে। কিন্তু গাধার বাচ্চাগুলো এটা বুঝে না, শুধু নির্মল বায়ু সেবন করলেই হয় না, মানুষের পেট ভরার জন্য ইনকামেরও দরকার আছে। আর নদীর তীরে গড়ে ওঠা কলকারখানাগুলো হলো সেই সোর্স অব ইনকাম।
সম্প্রতি এক বৈঠকে মাথামোটা নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ইটিপি চালু না থাকলে শিল্প কারখানা বন্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছে। কথা হলো, এই মাথামোট লোকটা ইটিপি কাকে বলে, তার খরচ কতো, কারখানাগুলোর সেটার ব্যয়বহন করতে পারবে কি না, কিংবা ইটিপি কেন জরুরী এগুলো বুঝে বলে আমার মনে হয় না।
পাশাপাশি এই কারখানাগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কতটুকু বাচিয়ে রেখেছে, কারখানাগুলো বন্ধ হলে কতলোক বেকার হবে, সেই ধারণাও তার নেই।
ইটিপি হলো ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। একটি সাধারণ মানের ইটিপি তৈরীতে খরচ হয় ৪০-৮০ লক্ষ টাকা, আর একটি বায়োলজিক্যাল ইটিপি স্থাপনে ব্যয় হয় ২-৩ কোটি টাকারও বেশি, যা ছোট ছোট কারখানার পক্ষে করা একেবারেই সম্ভব না। তবে শুধু এককালীন খরচ করলেই হয় না, এই সিস্টেম রানিং করতে যে হিউজ পরিমাণ বিদ্যুৎ ও আনুসাঙ্গিক ব্যয় হয়, তাতে অনেক বড় কারখানার ইটিপি থাকলেও তারা সেটা রানিং করতে চায় না, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির উদ্দেশ্য।
ইটিপি কেন দরকার ?
কারখানা থেকে যে তরল বর্জ্য নির্গত হয়, সেটাকে ইটিপি রিসাইক্লিং করে আবার পুনরায় বিশুদ্ধ পানিতে রুপান্তর করে। যেসব দেশে পানির সংকট, বছরে সব সময় পানি পাওয়া যায় না, পানির মূল্য অনেক বেশি তাদের জন্য ইটিপি দরকার বেশি, কারণ তারা ইটিপি মাধ্যমে রিসাইক্লিং করে বিশুদ্ধ পানি ফিরে পেতে পারে।
ঘটনা হলো, আমাদের সদ্য আধুনিক একটি মহলের একটা রোগ আছে, তারা ইউরোপ-আমেরিকায় কোন কিছু দেখলেই সেটাকে মর্ডান কিছু ভেবে বাংলাদেশে তার কপি বসাতে চান। আর তাতেই সমস্যা তৈরী হয়। তারা এটা বুঝতে চায় না, সব কিছুর কপি হয় না। বাংলাদেশের পরিবেশ, পরিস্থিতি, আর্থ সামাজিক অবস্থা ইউরোপ-আমেরিকা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, এটা তারা ভুলে যান। বাংলাদেশে তো পানি’র মূল্য এত বেশি নয় এবং বছরে ১২ মাস পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়। তাছাড়া আমাদের আর্থ সামাজিক অবস্থা এত উন্নত নয় যে আমরা তাদের মত ইটিপির খরচ বহন করতে পারবো। এখন জোর করে সরকার চাপিয়ে দিতে পারবে, কিন্তু আমাদের কলকারখানাগুলো সেটা বহণ করতে পারবে না, ফলে আলটিমেটলি সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।
এখানে একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে আসে, আচ্ছা সরকার নিজেই কি ইটিপি চালু করতে পেরেছে কোথাও ?
উল্লেখ্য, এর আগে এই ইটিপির নাম করে হাজারীবাগে সম্ভবনাময় চামড়া শিল্প পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। তারা নাকি সাভারে ইটিপি চালু করে দিবে। অথচ সরকার নিজেই বেশ কয়েক বছর পার হরেও ইটিপি সিস্টেম সেখানে এখনও দাড় করাতে পারেনি।
আমার মনে হয়, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পশ্চিমা ইটিপি সিস্টেমের কপির কোন দরকার নাই।
আমাদের অবশ্যই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকবে, কিন্তু সেটা হবে, আমাদের দেশের পরিবেশ, পরিস্থিতি ও আর্থ সামাজিক অবস্থা বিবেচনায়। এক্ষেত্রে যেটা করতে পারে, কলকারখানাগুলোর দায়িত্ব হবে তারা জৈব বর্জ্য ও অজৈব বর্জ্য পার্থক্য করবে। এরপর যে জৈব বর্জ্য আছে সেগুলো নির্দিষ্ট নদীতে ফেলতে পারবে, কিন্তু অজৈব বর্জে্র জন্য সরকার একটি পৃথক সুয়োরেজ সিস্টেম দাড় করাবে, যা দেশের ম্যাপের উপর থেকে নিচে পাইপের মাধ্যম দিয়ে সমুদ্র পর্যন্ত আসবে। এরপর সেগুলো পাইপের মধ্য দিয়েই সমুদ্র ফেলে দেয়া হবে। তবে অজৈব বর্জ্য নিয়ে আরো রিসার্চ করা যেতে পারে, যেন সেগুলো থেকে উৎপাদনশীল কিছু আনা যায় কি না। এছাড়া প্লাস্টিক বা পলিথিনের পুন ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে, যত বেশি পুনঃব্যবহার করা যাবে, তত বেশি পরিবেশের জন্য ভালো।
কথা হলো- সরকারকে বাস্তবমুখী কথা বলতে হবে। আজকাল নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী, নৌ সচিব টাইপের কিছু গাধাকে দেখি দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা না বুঝে আজগুবি সব কথা বলে। দেশের অর্থনীতি সম্পর্কে এই গাধাগুলোর কোন ধারণা আছে বলে মনে হয় না, প্রজেক্ট বাড়িয়ে শুধু পকেট ভরার ধান্ধা। এই গাধাগুলো যদি নদীর জন্য কিছু করতেই চায়, তবে ভারতকে বলুক, নদীর পানি ছাড়তে। নদীর পানি ছাড়লে নদীতে ফ্লো হবে, তখন অটোমেটিক ময়লা-বর্জ ভেসে সাগরে গিয়ে পড়বে। পানিতে ফ্লো নাই, হুদাই জনগণের বাড়িঘর, কারখানা আর মসজিদ ভেঙ্গে নদীতে গতি আনার মিথ্যা নাটক করতেছে। এগুলোরে ধরে ভালো করে পিটায় ভুত ছাড়ানো দরকার। শালা ভণ্ড।
‘পারফেক্ট ওয়াইফ’ নামে একটা নাটকে শেখাচ্ছে, বিয়ের আগে ছেলে-মেয়েকে একত্রে হোটেলে থাকতে হবে। এন.সি-৫
‘পারফেক্ট ওয়াইফ’ নামে একটা নাটকে শেখাচ্ছে, বিয়ের আগে ছেলে-মেয়েকে একত্রে হোটেলে থাকতে হবে। যদি থাকার পর ভালো লাগে, তখন তারা বিয়ে করবে, আর যদি ভালো না লাগে তবে বিয়ে করবে না।
এতদিন ছেলে-মেয়ের প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রে এ যুক্তিটা অনেকে দিতো- “বিয়ের আগে স্বামী স্ত্রী যদি পরষ্পরকে নাই চিনে, তবে বিয়ে করবে কিভাবে? এই চিনতেই তো প্রেম-ভালোবাসা।” কিন্তু এই নাটকটা অ্যারেঞ্জ মেরেজের ক্ষেত্রে দেখাচ্ছে। বাবা-মা বিয়ে ঠিক করেছে, কিন্তু ছেলে মেয়ে একত্রে একটা রিসোর্টে ৭ দিন থাকতে যায়। দুই পরিবারের বাবা-মা বিষয়টি জানবে এবং তাদের সম্মতিতেই ছেলে-মেয়েরা কাজটি করছে। যদিও নাটকে শারীরিক সম্পর্কে বিষয়টি দেখায়নি, কিন্তু ইঙ্গিতটা সেদিকেই ছিলো। কারণ মন বুঝতে গেলে আলাদা হোটেল-রিসোর্টে যেতে হয় না। বাসায় থেকেও করা যায়।
পশ্চিমা অপসংস্কৃতিতে আমরা যেটা দেখতে পাই, ছেলে মেয়ে বিয়ে হচ্ছে, কিন্তু সন্তান বড় হয়ে গেছে। এতদিন লিভ টুগেদার করে বুঝতে পেরেছে দুইজন দুইজনের জন্য ঠিক আছে। তারপর ইচ্ছা হলে বিয়ে করে, না হলে করে না। বাংলাদেশে পশ্চিমা কালচার আমদানিকারকরা প্রায়ই তাদের লেখনি-বক্তব্যে বিষয়টি প্রকাশ করে, “একজন ছেলে-মেয়ে যদি জানতে নাই পারে, তার যার সাথে বিয়ে হচ্ছে তার সেক্সুয়াল পাওয়ার কেমন, তবে সে বিয়ে করে স্থায়ী হবে কিভাবে ?”
আমার মনে হয়, যারা বাংলাদেশে সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে এসব নিকৃষ্ট পশ্চিমা থিউরী ছড়াতে নাটক বানাচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিত।