পরবর্তীতে অন্যান্য সাংবাদিকরা মেজর জেনারেল শফিউল্লাহ’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “শেখ সেলিমের সঙ্গে খন্দকার মোশতাকের ভালো যোগাযোগ ছিলো। খোন্দকার মোশতাক সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি গণভবনে গিয়েছিলেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ওইদিনই তিনি মার্কিন দুতাবাসে গিয়েছিলেন।” (https://bit.ly/2ogu14o)
এখান থেকে আসলে ৩টি প্রশ্ন আসতেছে –
১) বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে শেখ সেলিম পরবর্তীতে কোন সম্পর্ক হয়েছিলো কি না ?
২) বঙ্গবন্ধুর খুনিরা পরবর্তীতে যে ফ্রিডম পার্টি তৈরী করলো, সেই ফ্রিডম পার্টির সদস্য খালিদ মাহমুদ ভুইয়ার মত ফ্রিডম পার্টির সদস্যকে যুবলীগের উচু পদে বসালেন।
৩) শুনতেছি, যুবলীগ সভাপতি সম্রাটকে নিজ বাসায় নিয়ে নিরাপত্তা দিচ্ছে শেখ সেলিম। বিষয়টি সত্য মিথ্যা জানি না। যদি সেটা সত্যই হয়, তবে বলতে হবে শেখ সেলিম তাহলে রাষ্ট্রের ভেতর আলাদা শক্তি, যাকে রাষ্ট্রের আইন-কানুনের তোয়াক্কা করতে হয় না।
কথা হলো-
শেখ সেলিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই,
কিন্তু তাই বলে রাষ্ট্রীয় আইনের উর্ধ্বে থাকতে পারে না।
খোদ শেখ হাসিনাকেও আইন কানুন মানতে হয়।
দেশে অবৈধ ক্যাসিনো দিয়ে যুবলীগ যে অন্যায় করেছে, তার জন্য যুবলীগের সভাপতি সম্রাট অবশ্যই আইনের আওতায় আসার যোগ্য। কিন্তু সেই সম্রাট বা ক্যাসিনোর পক্ষে যেভাবে শেখ সেলিম ও তার বোন জামাই ওমর ফারুক কাজ করে যাচ্ছে, যা একটা সভ্য দেশে কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। রাষ্ট্রের ভেতরে পৃথক শক্তির অবস্থান অবশ্যই উপড়ে ফেলার যোগ্য।
শেখ সেলিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই,
কিন্তু তাই বলে রাষ্ট্রীয় আইনের উর্ধ্বে থাকতে পারে না।
খোদ শেখ হাসিনাকেও আইন কানুন মানতে হয়।
দেশে অবৈধ ক্যাসিনো দিয়ে যুবলীগ যে অন্যায় করেছে, তার জন্য যুবলীগের সভাপতি সম্রাট অবশ্যই আইনের আওতায় আসার যোগ্য। কিন্তু সেই সম্রাট বা ক্যাসিনোর পক্ষে যেভাবে শেখ সেলিম ও তার বোন জামাই ওমর ফারুক কাজ করে যাচ্ছে, যা একটা সভ্য দেশে কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। রাষ্ট্রের ভেতরে পৃথক শক্তির অবস্থান অবশ্যই উপড়ে ফেলার যোগ্য।
আমার ব্যাকআপ পেইজ- https://www.facebook.com/noyonchatterjee66/