ধিক্কার জানাই সে সংস্কৃতিকে, যা পালন করাতে বন্দুকের নল লাগে
মুসলমান ইসলাম ধর্ম অনুসারে চলে, সেই ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস মতে, পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা হারাম। মসজিদ হচ্ছে ধর্ম পালন ও বলার অন্যতম স্থান। সেই মসজিদে দাড়িয়ে (একলাশপুর জামে মসজিদ) দাড়িয়ে ইমাম সাহেব ‘ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা হারাম’ বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেন। এই আলোচনার পর ক্ষিপ্ত হয় মসজিদ কমিটিতে ঢুকে থাকা বৈশাখপ্রেমী জামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন। তারা বরখাস্ত করে ইমাম সাহেবকে। এতে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে সাধারণ মুসল্লীরা। গতকাল জুমার নামাজের পর তারা প্রতিবাদ করতে নামলে তাদের উপর পুলিশবাহিনী নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়।
মঙ্গলশোভাযাত্রা বা পহেলা বৈশাখ যদি জনগণ গ্রহণ করতো, তবে নিশ্চয়ই গুলি করে জনগণকে রক্তাক্ত করতে হতো না। বন্দুকের নল দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা পাহারা দিতে হতো না।
যে সংস্কৃতি পালন করাতে বন্দুকের নল লাগে, সেটা সংস্কৃতি হতে পারে না।
এটা জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া জবরদস্তিমূলক প্রথা।
অবিলম্বে বাংলাদেশে থেকে জনবিরোধী প্রথা ‘পহেলা বৈশাখ’ নিষিদ্ধ করা হোক।
এটা জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া জবরদস্তিমূলক প্রথা।
অবিলম্বে বাংলাদেশে থেকে জনবিরোধী প্রথা ‘পহেলা বৈশাখ’ নিষিদ্ধ করা হোক।